নীড় পাতা / পার্বত্য পুরাণ (পাতা 3)

পার্বত্য পুরাণ

পলাশ বড়ুয়ার ছড়া- ‘বর্বরতা’

ওই শুনা যায় চিৎকার আর্তনাদ মা, বাবা, খোদা বাঁচাওরে, কি অমানিবক বর্বরতা চলছে ধুমধুম সীমান্ত আর নাফ নদীর ওপারে । দিক বে দিক ছুটোছুটি আত্নীয় স্বজন ছিন্ন ভিন্ন, কেন এই নির্যাতন বর্বরতা ওরা জাতি হিসেবে ভিন্ন? কী অপরাধ, চায় অধিকার? ওদের পরিচয় রোহিঙ্গা? জ্বলছে ঘরবাড়ি, পুড়ছে মানবতা ওদের আশ্রয় মাঝ …

বিস্তারিত পড়ুন

নির্নয় নিভৃতা ‘র কবিতা

রোদ্দুরে তুমি বৃষ্টির ছিটে ছুঁয়ে দিলেই তৃঞ্চা মিটে! ঠান্ডাতে তুমি আগুনের রেশ কাছে থাকলেই থাকিতো বেশ!! মাঝরাতে তুমি চাঁদের আলো তুমি ছাড়া থাকা যায়না ভালো!!

বিস্তারিত পড়ুন

আলভীর মা

বৃষ্টি এলেই কান্না করে মা চঞ্চল মেয়েটা অস্থির করে পুরো বাড়ি আবেগি মা নীরব পায়চারি করে সম্পর্কের সমীকরণ খোঁজে কৌতুহলি কবি। আহ্ মা, আহারে মেয়ে এমন রক্তের টান কোথায় দেখেছে কে আলভি আর আলভির মা’র গল্প কজনই আর জেনেছে,কেইবা খুঁজেছে কবে ! বল দেখি আলভির মা প্লিজ বলো তবে আলভির …

বিস্তারিত পড়ুন

অতীতে ফেরা

ঘড়ির কাঁটার উল্টা দিক ঘুরে ঘুরে চলে যাই আমি পিছন থেকে আরও পিছনে সেখানে আমার অনেকের সাথেই দেখা হয়, কাউকে চিনতে পারি, কাউকে পারিনা কাউকে আপন মনে হয়, কাউকে হয় না । পিছনের সকাল গুলো খুব শুভ্র, এখনকার মত মেঘে ঢাকা না আর দুপুর—- সে ঝকঝকে রোদেলা বিকেল—– গোলাপী আভায় …

বিস্তারিত পড়ুন

সীমানা ভাঙ্গবো

আমি কোনো সীমানা চিনি না, জানি না, তোমার চাপিয়ে দেয়া নিয়ন্ত্রণ প্রথা মানতেও চাই না। আমি পদ্মা, মেঘনা, যমুনার মিলন মেলা দেখবোই। গা ভিজাবো মাইকেলের কপোতাক্ষ নদ, জীবনানন্দের ধানসিঁড়ি নদীতে। তুমি জানো না আমি কতটা মন নিয়ে উড়তে পারি, ফাঁকা জ্যোৎস্নায় মাটির কাছাকাছি বকুলের গন্ধ চুরি করা, ধুলো মেখে দিগন্তে …

বিস্তারিত পড়ুন

বাঁশি

বাঁশি যেমন বিরহীকে পোড়ায়, গোপনে তেমনি আজো পোড়াও? পরিযায়ী পাখির স্বভাব যেমন, তেমনি তুমি দশ দিগন্তে ওড়াও। বাঁশি যেমন একা একা বাজে, দগ্ধ মনে বাঁশির মতো বাজো। সে সব স্মৃতিকথা সকল কাজে, আগেও যেমন, গোপনে আজও। গুমরে মরে হৃদয় স্মৃতির ভারে, ক্ষমা করো,জীবন থেকে সরো। বাশিঁর কথা আরো জটিলতরো। বলছে …

বিস্তারিত পড়ুন

নির্ণয় নিভৃতা’র কবিতা

বলেছি যখন বাসি ভালো তখন পাতার আড়াল করে ফুলেরা… ডালের ফাঁকফোকরে পাখিরা আর? আর আকাশের শুভ্র মেঘ… সবাই আমায় আড়চোখে তাকিয়ে থাকেৃ আর আমি তখন মুখ ঘুরিয়ে তাদের পৃথিবীর পৃথিবীকে দেখিৃ তারা আমার বেশ আপন যেনোৃ এখন ভাবি আমিতো বাসিনা তোমায় ভালো- অনায়েসে অধিকার খাটিয়ে কেনো বারবার বাসতে যাই! সে …

বিস্তারিত পড়ুন

পলাশ বড়ুয়ার ছড়া ‘ভয়’

বলতে গেলেও বড় ভয় হয় লিখতে গেলে হাতটা কাঁপে, ওরে বুকের ধন লিখিস না নিষেধ করেছে আমার বাপে । লিখলে কি হবে বাবা? সময় কাটে না লিখা ছাড়া, লিখলে হবি বাড়ি ছাড়া জানিস না? আছে ৫৭ ধারা । বাবা তুমিও জানো এ ধারা? তোমার তো নাই দৃষ্টি শক্তি, ওরে এটা …

বিস্তারিত পড়ুন

জগৎজ্যোতি চাকমার কয়েকটি খুদে কবিতা

উদ্বাস্তু আমি তোমার উঠোনে ভাসে সুদর্শন সময় অবাধ্য অলক উড়াও তুমি ছাদে; স্নিগ্ধতা ছোয় আরেকটি হৃদয় রাঙাও তুমি আপন পুরুষ সুক্ষ্ম আর্তনাদে। তুমিহীনতা তুমিহীন কবিতা আমার হয় বিদ্রুত নিঃশ্বাসে বিপন্ন হৃদয় কায়াহীন ছায়া; উদাস বিকাল উদ্বাস্তু কথা কয়। তুমিহীন প্রেম আমার হয় বিপুল জোছনায় উদ্ভ্রান্তময় শতাব্দীর বিষাদ; স্নিগ্ধ শব্দরা হয় …

বিস্তারিত পড়ুন

জগৎ জ্যোতি চাকমা’র কবিতা ‘ইচ্ছে ডানা’

ইচ্ছে ছিল এইবার সোজা মঞ্চে উঠে যাব Ñ আকাশ ছোব মঞ্চে পাতা হবে একখানা পিড়ি, আমার জন্যেÑ ছোট পিড়ি কিন্তু বিশালতা তার বিস্তারে। সিড়িতে পা বাড়াতেই ছুটে এলো মেঘলা আকাশ, অবিবেচক এক স্টিকার সমানে ঝুলছে গলায়; সেখানে লিখেছে কেউ অকপটে Ñ ‘এক ছত্র জাত্যাভিমান’ আমার কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম, থমকে …

বিস্তারিত পড়ুন