ব্রেকিংরাঙামাটি

৮ মাস পর নরসিংদীর শিশু রাঙামাটিতে উদ্ধার

নরসিংদীর রায়পুরা থেকে নিখোঁজ এক শিশুকে আট মাস পর রাঙামাটি থেকে উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তাকে ফুসলিয়ে রাঙামাটির বরকলে নিয়ে জোরপূর্বক মাছ ধরার কাজ (শ্রম শোষণ) করানোর অভিযোগে খোকন আলী (২৭) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার খোকন আলী রাঙামাটির বরকলের কুরকটিছড়ি গ্রামের মৃত আক্কাছ আলীর ছেলে।

গ্রেফতার আসামি খোকন পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে টাকার বিনিময়ে ওই বালককে কিনে নেওয়ার কথা স্বীকার করেছে। বুধবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে নরসিংদীর পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘৮ মাস আগে রায়পুরার নলবাটা গ্রামের মৃত আলমগীর হোসেনের ছেলে স্থানীয় একটি মাদ্রাসা ও এতিমখানার ছাত্র ফজর রহমান সাব্বিরকে প্রলোভন দেখিয়ে চট্টগ্রাম নিয়ে যায় পাচারকারী দলের সদস্য নাজিম। সাব্বিরকে ট্রেনে করে চট্টগ্রাম নেওয়ার পর নজিম একজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরদিন নাজিম তাকে খোকন আলীর কাছে বিক্রি করে দেয়। পরে আসামি খোকন আলী বরকলের কুসুমতলী এলাকায় সাব্বিরকে জোরপূর্বক মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত করে। একাধিকবার সাব্বির সেখান থেকে কৌশলে পালানোর চেষ্টা করলে খোকন তাকে ধরে মারধর করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আটকে রাখে। তাকে দিয়ে অন্যদের সঙ্গে মাছ ধরার কাজ করায়। একমাস পর সাব্বির কৌশলে খোকন আলীর মোবাইলে ফোন দিয়ে তার মা বিলকিস বেগমকে সব কিছু জানায়। পরে ওই নাম্বারে ফোন দিয়ে ছেলের খোঁজ জানতে চাইলে মা বিলকিস বেগমকে জানানো হয় সাব্বিরকে সে টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছে এবং তাকে ফেরত দেওয়া যাবে না। এ ঘটনার পর বিলকিস বেগম নরসিংদীর পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন জানালে গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাব্বিরকে উদ্ধার ও খোকন আলীকে গ্রেফতার করে। খোকন মাছ ধরার মৌসুমে দালাল চক্রের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অল্প বয়সী ছেলেদের এনে মাছ ধরার কাজ করানোর কথা স্বীকার করেছে। (বাংলা ট্রিবিউন)

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button
Close