পাহাড়ের অর্থনীতিব্রেকিং

‘স্কুল ব্যাংকিং দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে’

‘সারাদেশে সাড়ে ১৫ লক্ষ স্কুল ব্যাংকিং একাউন্ট খোলা হয়েছে। এরমধ্যে ডিপেজিট হিসেবে ১৪শ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা জমা হয়েছে। যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’ এমন কথা জানালেন বাংলাদেশ ব্যাংক এর ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্টের মহাব্যবস্থাপক মো. আবুল বশর। তিনি বলেন, বাংলাদেশের তফসিলি ব্যাংকগুলো আন্তরিক হলে স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রম আরও ফলপ্রসু হবে। শনিবার সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের মাইনি মিলনায়তনে স্কুল ব্যাংকিং কনফারেন্স ২০১৮ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘ব্যাংক হলো টাকা জমা রাখার জন্য একটা নিরাপদ স্থান। আমরা যদি কম বয়স থেকে সঞ্চয় করা শিখি, তাহলে সেই সঞ্চয়ী অর্থ আমাদের ভবিষ্যত দিনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

এসময় ওয়ান ব্যাংক’র এস ই ডি পি এন্ড চিফ এন্টি মানি লন্ডারিং কমপ্ল্যায়েন্স অফিসার সুধীর চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে ও ওয়ান ব্যাংক রাঙামাটি শাখার কর্মকর্তা কুমার জয়জীৎ চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ওয়ান ব্যাংক’র এডিশনাল ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ফজলুর রহমান চৌধুরী, রাঙামাটি জেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা উত্তম খীসা।

এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ওয়ান ব্যাংক রাঙামাটি শাখার ব্যবস্থাপক আজিজুর রহমান। শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রণতোষ মল্লিক, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নবম শ্রেণির ছাত্রী ফারজানা আক্তার পায়রা।

আলোচনা সভার আগে উন্নয়ন বোর্ড প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি শুরু হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা পুলিশ কার্যালয়ের সামনের গোল চত্বর ঘুরে পুনরায় একই জায়গায় এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় বক্তারা বলেন, ‘স্কুল ব্যাংকিং পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ফলপ্রসু দিক। দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে শিক্ষার্থীরা এই ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারে। এ সেবায় টাকা উত্তেলন ও জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরণের অনলাইন চার্জ লাগবে না। এমনকি ফ্রি এটিএমও কার্ড পাওয়া যাবে। আমাদের এসডিজি পরিপূর্ণ করতে এই স্কুল ব্যাংকিং সেবা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে; করবে।’ তারা আরও বলেন, সুুদিনের স্বল্প কিছু সঞ্চয় আমাদের দুর্দিনে পাশে দাঁড়াবে। এই স্কুল ব্যাংকিং সেবায় ইন্সুরেন্স পদ্ধতি চালুর পদ্ধতি চলছে। যাতে করে কোনো শিক্ষার্থী অভিভাবক হারালেও তার শিক্ষাগ্রহণ ব্যাহত হবে না।’

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button