ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

সেলফিতে পূজোর আনন্দ

গ্রামেগঞ্জে আর শহরে যেখানেই বলেন না কেন সর্বত্রই পড়েছে সেলফির হিড়িক। আর এরই প্রভাব ফেলেছে শহর ও গ্রামের পূজোর মন্ডপ গুলোতেও। তুলছেন অনেকেই নব-দম্পতি, প্রেম-প্রেমিকা, বন্ধু বান্ধবী। সেলফি দিয়ে পুজোর আমেজটাকে আরও সুদীপ্ত করতে কে না চায় ?
এবছর রাঙামাটি শহরের মাঝে এগোরটি মন্ডপে করা হয়েছে পুজোর আয়োজন। আর প্রতিদিনই পুজোর মন্ডপগুলোতে ভিড় জমান ভক্ত পূন্যার্থীরা। এতে শুধু সনাতন ধর্ম্বাবলম্বীরাই কেবল নয়, মন্ডপগুলো ভিড় জমান নানান বর্ণের মানুষও। এদের মধ্যে কেউবা মুসলিম, কেউবা বৌদ্ধ আবার কেউবা খ্রিষ্টান। এ যেন সম্প্রতির বিজয়।
প্রতিদিনই মন্ডপে এসে আনন্দে মেতে উঠে ছেলে বুড়ো সবাই। কেউ করে নাচানাচি আবার কেউবা করে সেলফি বাজি। সেলফি আর ছবিতে মন্ডপে মন্ডপে আমেজের শেষ নেই। নতুন প্রজন্মের অনেকেই সাথেই কথা বলে জানা গেছে কেউ আনন্দের মুহূর্তেটাকে ধরে তুলছেন সেলফি আবার কেউবা ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে জানান দিচ্ছে সমগ্র বিশ্বকে।
শহরে সবচে প্রাচীন মন্দির রিজার্ভ বাজার গীতাশ্রমে পূজো দেখতে এসে প্রযুক্তা মুমু জানান, বছরের এই সময়টাতেই আমরা পূজোতে মজা করে থাকি। আর দুর্গা মায়ের সাথে সেলফি তুলে রাখি। পুজো ফুরিয়ে গেলেও সেলফি গুলো স্মৃতি হিসেবে রয়ে যায়।
কথা হয় আরও কয়েকজনের সাথে। পুজো দেখতে আসা নমিতা চাকমা বলেন, দুর্গা পুজোতে ঘুরাফেরা করতে আমার ভালোলাগে। অসাম্প্রদায়িকতা বাংলাদেশে একে অন্যের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করাতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি ধারা বজায় রাখা।
রিজার্ভ বাজার গীতাশ্রম মন্দির পুজো মন্ডপের সাধারণ সম্পাদক রকি দেবনাথ জানিয়েছেন,জাতি,ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে পুজোতে অংশগ্রহন করাতো সম্প্রতির প্রয়াস। উৎসব প্রাঙ্গণে কোন প্রকার অপ্রতিকর ঘটনা না ঘটাতে বুঝা যায় বাংলাদেশ সত্যিকারেই অসাম্প্রদায়িক ও সার্বজনীন।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

2 × 1 =

Back to top button