পার্বত্য পুরাণ

সীমানা ভাঙ্গবো

আমি কোনো সীমানা চিনি না, জানি না,
তোমার চাপিয়ে দেয়া নিয়ন্ত্রণ প্রথা মানতেও চাই না।
আমি পদ্মা, মেঘনা, যমুনার মিলন মেলা দেখবোই।
গা ভিজাবো মাইকেলের কপোতাক্ষ নদ, জীবনানন্দের ধানসিঁড়ি নদীতে।

তুমি জানো না আমি কতটা মন নিয়ে উড়তে পারি,
ফাঁকা জ্যোৎস্নায় মাটির কাছাকাছি বকুলের
গন্ধ চুরি করা, ধুলো মেখে দিগন্তে দু’ হাত মেলে খোলা আকাশ দেখা,
টলোমলো শাপলা দিঘীর যৌবন ছোঁয়া হাসি অনুভব করা;
সে আমার সহজাত স্বভাব, চিরন্তন অধিকার।

একদিন মরে যাওয়া ঝর্ণায় হাত বুলিয়ে স্রোত জাগিয়েছি,
পাহাড়গুলোও আশা ব্যক্ত করেছে আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছি।
আকাশ মর্ত্যে বসবাসরত জ্ঞানীরাও প্রস্তুত ধরনীকে সাজাতে।
তারা শিল্পের বুদবুদ উত্তাপ হয়ে প্রতিটি নিস্পাপ
জ্ঞানপিপাসু নর নারীর বুকে বাগান গড়তে চায়।

মেঘের আড়ালে গিয়ে এক লৌহ মানবীর গোপন কথা শুনেছি,
সে আসবে, ঝরবে, ঢালবে আলো, মলিনতা ধুয়ে সজীবতা ফেরাবে।
তোমার সন্ত্রাস, ধর্ষকের কৌশল, পুঁজিবাদ, পিতৃতান্ত্রিক অহংকার
পিষ্ট হবে নব জাগরণে, হুইসেল বাজে শোনো হুশিয়ার……

তোমার শৃঙ্খলিত, মনের বন্দিত্ব, অবরোধ ভাঙ্গবোই,
নারীর জীবনে হয়তো তোমাকে মানাবে না,
যদি পলে পলে গন্ডিবদ্ধ অপমানের অর্ধাঙ্গিনী
শব্দটি মুছে না ফেলো প্রবল ইচ্ছের ঝড়ে।
যে সৃষ্টি আমার হৃদয়ে তার সততাকে জাগাতে
আমি এক প্রলোয়ল্লাসে সুর সাধছি, তুমিও তৈরী থাকো।

সাহসে বুকে পাথর বেঁধেছি লক্ষ্য স্থির, দৃষ্টি সচল,
একদিন পৌঁছে যাবো কাঙ্খিত চূড়ায়।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button