ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

সাতঘন্টা পর মুক্তি মিললো চবি ছাত্রী রিমি চাকমা’র

‘বাঙালি সহপাঠীদের সাথে সাজেক বেড়াতে যাওয়ার ‘অপরাধে’ আঞ্চলিক দলের সশন্ত্র তরুণদের হাতে অপহৃত চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্রী রিমি চাকমার মুক্তি মিললো অপহরণের ৭ ঘন্টা পর। বৃহস্পতিবার দুপুর তিনটায় দীঘিনালা -সাজেক সড়ক থেকে অপহরণের পর রাত ১০টার দিকে ‘সামাজিক চাপ’ এবং ‘সেনাবাহিনীর কম্বিং অপারেশন’ এর মুখে পড়ে রিমির দাদা স্নেহকুমার চাকমার কাছে রিমিকে বুঝিয়ে দিয়েছে অপহরণকারীরা।
স্নেহকুমার চাকমা (৭০) নাতনির মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অপহরণের পর থেকেই অপহরণকারীরা মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করছিল। সর্বশেষ অপহৃতের স্বজনদের রিমিকে আনতে যাওয়ার জন্য প্রস্তাব দেয়। কথা অনুযায়ী তিনি যাওয়ার পর অপহরণ ঘটনাস্থল থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দক্ষিনে জোড়াব্রিজ এলাকায় রিমিকে এনে বুঝিয়ে দিয়ে চলে যায় অপহরণকারীরা। তবে মুক্তির বিনিময়ে অপহরণকারীদের সাথে কোন লেনদেন হয়নি বলেও দাবি করেছেন স্নেহকুমার।

অপরদিকে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সূত্র দাবী করেছে, দীঘিনালা-বাঘাইহাট সড়কের শুকনাছড়িমুখ এলাকা থেকে বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে অপহরণ করা হয় রিমিকে। এ ঘটনার সংবাদ জানার পর থেকেই পুরো এলাকায় তল্লাশি অভিযানে নামে সেনাবাহিনী। এ কারণে অনেকটা চাপের মধ্যে অপহরণকারীরা রিমিকে দ্রুত মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছে।

রিমির পারিবারিক সূত্রে জায়, জন্মের পর থেকেই রিমি তাঁর বাবার চাকুরী সূত্রে চট্টগ্রামে থাকছে। সেখানেই তার বেড়ে উঠা এবং পড়া-লেখা। তাঁর গ্রামের বাড়ি দীঘিনালার বড়াদম এলাকায়।

প্রসঙ্গত, রিমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের চূড়ান্তবর্ষের ছাত্রী। সে একই বিভাগের ১৩ জন সহপাঠিসহ বৃহষ্পতিবার সাজেক যাচ্ছিলো,যাদের মধ্যে ৯ জনই মেয়ে এবং ৪ জন ছেলে। পথিমধ্যে অস্ত্রধারী কয়েকজন পাহাড়ী যুবক তাদের বহনকারী গাড়িটি থামিয়ে রিমিকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। এর পর বাকি বন্ধুরাও সাজেক না গিয়ে ফিরে যায় খাগড়াছড়ি। ‘বাঙালি সহপাঠীদের সাথে বেড়াতে যাওয়ার কারণেই রিমি চাকমাকে অপহরণের শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।’

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button