ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

‘সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যেই হোটেল রেস্তোরাঁ থেকে খাবার সংগ্রহ করতে হবে’

রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা

শুভ্র মিশু
করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রম রোধে দেশজুরে দেওয়া হয়েছে লকডাউন। সে লকডাউনে কি কি বিধি নিষেধ রয়েছে তা জনসাধারণকে জানাতে রবিবার বিকালে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সেই জরুরি সভায় সভাপতিত্ব করেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
তিনি বলেন, আমরা মাঠে আছি প্রিয় রাঙামাটিবাসী, আপনার ঘরে থাকুন। করোনার এই দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে, সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
জেলা প্রশাসক লকডাউনের সরকারি ১১ দফা নির্দেশনা সকলকে মেনে চলার আহবান জানিয়ে বলেন, লগডাউনের এই সাতদিন শহরের একমাত্র গণপরিবহন সিএনজি অটোরিক্সাসহ কোন প্রকার গণপরিবহন চলবে না। সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে যারা হোটেলে রাতের আহার খান তাদের খাবার সংগ্রহ করে নিয়ে যেতে হবে। হোটেল রেস্তোরাঁ খাবার কেবল মাত্র বিক্রয় করতে পারবে, সেখানে বসে খাওয়া যাবে না। সন্ধ্যায় ছয়টার পর জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে কোন ভাবেই বের হওয়া যাবে না। সকল শপিংমল বন্ধ থাকবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকান ও কাঁচাবাজারে সকাল আটটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত ক্রয় বিক্রয় করা যাবে।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজস্ব পরিবহনে কর্মচারি আনা নেয়ার ব্যবস্থা করে প্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে পারবেন। ব্যাংকসমূহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুসারে ব্যাংকি কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
শিল্পকারখানা ও নির্মাণ কাজ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিচালনা করা যাবে।
তবে যেসব সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারি চট্টগ্রামে থেকে প্রতিদিন রাঙামাটি আসা যাওয়া করে অফিস করতেন তাদের রাঙামাটি থেকেই অফিস করতে হবে। তাদের কোনভাবেই রাঙামাটি আসা কিংবা যেতে দেওয়া হবে না লগডাউনের সময়ের মধ্যে। এই সময়কালে কোন প্রকার যাত্রীবাহী গাড়ি আসা যাওয়া করতে দেওয়া হবে না, অন্য জেলার সাথে জরুরি ও বিদেশ যাত্রীদের জন্য এই নির্দেশনা শিথিল থাকবে।
সরকারি এই ১১দফা আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ারও কথা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটির পুলিশ সুপার মীর মোদদাছছের হোসেন , সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খীসা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মামুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষসহ জেলা বিভিন্ন পরিবহন মালিক শ্রমিক প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মীরা।

 

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button