আক্রান্ত

৭৩৬,০৭৪

সুস্থ

৬৪২,৪৪৯

মৃত্যু

১০,৭৮১

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৭১৪
  • বরগুনা ১,০০৮
  • বগুড়া ৯,২৪০
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৬১৯
  • ঢাকা ১৫০,৬২৯
  • দিনাজপুর ৪,২৯৫
  • ফেনী ২,১৮০
  • গাইবান্ধা ১,৪০৩
  • গাজীপুর ৬,৬৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৯৩৪
  • যশোর ৪,৫৪২
  • ঝালকাঠি ৮০৪
  • ঝিনাইদহ ২,২৪৫
  • জয়পুরহাট ১,২৫০
  • কুষ্টিয়া ৩,৭০৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৮৩
  • মাদারিপুর ১,৫৯৯
  • মাগুরা ১,০৩২
  • মানিকগঞ্জ ১,৭১৩
  • মেহেরপুর ৭৩৯
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,২৫১
  • নওগাঁ ১,৪৯৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৮,২৯০
  • নরসিংদী ২,৭০১
  • নাটোর ১,১৬২
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮১১
  • নীলফামারী ১,২৮০
  • পঞ্চগড় ৭৫৩
  • রাজবাড়ী ৩,৩৫২
  • রাঙামাটি ১,০৯৮
  • রংপুর ৩,৮০৩
  • শরিয়তপুর ১,৮৫৪
  • শেরপুর ৫৪২
  • সিরাজগঞ্জ ২,৪৮৯
  • সিলেট ৮,৮৩৭
  • বান্দরবান ৮৭১
  • কুমিল্লা ৮,৮০৩
  • নেত্রকোণা ৮১৭
  • ঠাকুরগাঁও ১,৪৪২
  • বাগেরহাট ১,০৩২
  • কিশোরগঞ্জ ৩,৩৪১
  • বরিশাল ৪,৫৭১
  • চট্টগ্রাম ২৮,১১২
  • ভোলা ৯২৬
  • চাঁদপুর ২,৬০০
  • কক্সবাজার ৫,৬০৮
  • ফরিদপুর ৭,৯৮১
  • গোপালগঞ্জ ২,৯২৯
  • জামালপুর ১,৭৫৩
  • খাগড়াছড়ি ৭৭৩
  • খুলনা ৭,০২৭
  • নড়াইল ১,৫১১
  • কুড়িগ্রাম ৯৮৭
  • মৌলভীবাজার ১,৮৫৪
  • লালমনিরহাট ৯৪২
  • ময়মনসিংহ ৪,২৭৮
  • নোয়াখালী ৫,৪৫৫
  • পাবনা ১,৫৪৪
  • টাঙ্গাইল ৩,৬০১
  • পটুয়াখালী ১,৬৬০
  • পিরোজপুর ১,১৪৪
  • সাতক্ষীরা ১,১৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৯৫
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট
আলোকিত পাহাড়পাহাড়ের সচলচিত্রব্রেকিংরাঙামাটিলিড

শহীদ এম আবদুল আলীর ৪৯ তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ

আজ পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রথম স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শহীদ এম আবদুল আলীর ৪৯ তম শাহাদাতবার্ষিকী। শহীদ এম আবদুল আলীর জন্ম ১৯২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার মকছেদপুর থানার বালিয়াকান্দি গ্রামে। ১৯৭০ সালের নভেম্বর মাসে তিনি রাঙামাটির মহকুমা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে উর্ধতন সরকারি কর্মকর্তাগণ নিরাপত্তার জন্য সীমান্তের ওপারে চলে গেলেও রাঙামাটি ছেড়ে যাননি মহকুমা প্রশাসক এম আবদুল আলী। মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে দাঁপিয়ে বেরিয়েছেন পার্বত্য জেলা রাঙামাটির আনাচে কানাছে। ছাত্র-যুবকদের সংগঠিত করেছেন মুক্তিযুদ্ধের জন্য।

১৬ এপ্রিল অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন তিনি। এরপর তাঁর উপর চলে নির্মম অমানুষিক নির্যাতন। জিপের পিছনে লম্বা রশি দিয়ে বেঁধে রাঙামাটি শহরে ছেচড়ানো হয় তাঁকে। অবশেষে ১২দিন নির্মম নির্যাতনের পর ২৭ এপ্রিল মুমূর্ষু এম আবদুল আলীকে কেটে টুকরো টুকরো করে বস্তাবন্দী করে লাশ ফেলে দেয়া হয়েছিল কাপ্তাই হ্রদে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শহরের কায়েদে আজম মেমোরিয়াল একাডেমির নাম পরিবর্তন করে “শহীদ আবদুল আলী একাডেমি” নামে নামকরণ করা হয়। দীর্ঘদিন চাপা পড়েছিল মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের এই বীরের বীরোত্ব ও আত্মত্যাগের ইতিহাস।

২০১৪ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভিত্তিক অনলাইন দৈনিক পাহাড় টোয়েন্টিফোর ডটকমে প্রথম তাঁকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর এই শহীদকে নিয়ে তরুন লেখক ও সংবাদকর্মী ইয়াছিন রানা সোহেল প্রকাশ করেন তাঁর জীবনীগ্রন্থ “মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের অকুতোভয় বীর শহীদ এম আবদুল আলী” নামক গ্রন্থ। এরপর এই শহীদের আত্মত্যাগের ইতিহাস সর্বত্রই ব্যাপক সাড়া পড়ে যায়। বিষয়টি জেলাপ্রশাসকের মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টিগোচর করা হয়। ফলে সরকার ২০১৬ সালে এই বীর শহীদকে স্বাধীনতা সংগ্রামে অসামান্য ও অনবদ্য অবদান রাখায় মরণোত্তর স্বাধীনতা পদকে ভুষিত করেন। আর এটিই তিন পার্বত্য জেলায় প্রথম স্বাধীনতা পদক। স্বাধীনতার ৪৫ বছর পর পার্বত্যবাসী রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা স্বাধীনতা পদকের গৌরবের অংশীদার হয়।

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে শহীদ আবদুল আলী একাডেমি থেকে আয়োজিত শাহাদাতবার্ষিকীর আয়োজন এ বছর স্থগিত করা হয়

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button