করোনাভাইরাস আপডেটব্রেকিংরাঙামাটি

শহর ছেড়েছে মানুষ গ্রাম অভিমুখে

পার্বত্য জনপদ রাঙামাটি

শুভ্র মিশু

সোমবার থেকে টানা সাতদিনে লকডাউনে দেশ। লকডাউনের সময় পরিবারের সাথে সময় কাটাতে রাঙামাটি ছাড়ছেন চাকরি কিংবা ব্যবসার জন্য রাঙামাটিতে আসা লোকজন।
বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রামন রোধে শনিবার যখন লকডাউনের সংবাদ ছড়িয়ে পরে তখন থেকে নানা কাজে রাঙামাটিতে আসা লোকজন প্রস্তুতি নেয় রাঙামাটি ছাড়ার।
সোমবার সকাল থেকেই দেখা যায় তাদের রাঙামাটি থেকে নিজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হতে।
দুপুরে পাহাড়িকা কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায় শহরের ও বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা লোকের ভীর। দুপুর ১টা বাজার আগেই শেষ হয়েগিয়েছে বিকাল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত সকল টিকেট, পরের গাড়িগুলোরও কিছু কিছু টিকেট কটে রাখা হয়েছে তার আগেই।
এমন পরিস্থিতিতে বিরম্বনায় পড়তে দেখা যায় অনেককে। তারা আবার ছুটছেন ভেদভেদী থেকে সিএনজি যোগে শহর ফেরে নিজ গন্তব্যে যাওয়ার লক্ষ্যে। ভেদভেদীতেও চট্টগ্রামগামীদের ভীড় দেখা গেছে।
শুরু চট্টগ্রামগামীদের ভীর লক্ষ্য করা গেছে তেমনটা নয়, পর্যটন নগরীটি সারাদিনই ভুগেছে যানযটে, যা প্রতিনিয়ত দেখতে অব্যস্থ নয় নগরবাসী।
লকডাউনের খবর শুনে নিজ গন্তব্যে ছুটতে যেমন উপজেলা থেকে অনেকে শহরে এসেছেন, তেমনি ভাবে শহরে প্রবেশ করেছে অসংখ্য মালবাসী গাড়ি, যাকেই যানযটের কারণ বলে মনে করছেন অনেক নগরবাসী।
লকডাউনের খবরে যেমন অনেকে শহর ছেড়েছেন তেমনি ভাবে বাজারে ভীর করেছে শত শত শহরবাসী নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ক্রয় করতে। গত বারের মতো না হলেও এবারও বেশ কিছু দিনের বাজার একসাথে সেরে নিচ্ছেন অনেকে।
বনরূপা আইভি ফুটর্সের স্বত্তাধিকারী প্রকাশ দে জানিয়েছেন, লকডাউন আরো বাড়তে পারে গতবারের সাধারণ ছুটির মত, সে শংকায় বাড়ি চলে যাচ্ছি। পাহাড়িকা বাসের টিকেট পাইনি, সিএনজি যোগেই যেতে হচ্ছে।
লংগদু থেকে আসা পারভেজ জানান, আমি চট্টগ্রাম যাব লকডাউনের সময় পরিবারের সাথে সময় কাটাবো। চাকরি সূত্রে রাঙামাটি এসেছিলাম, লকডাউন দেয়াতে বাড়ি যাচ্ছি।
বিলাইছড়ি থেকে আসা সুমন্ত জানান, বাড়ি যাব কিন্তু কোন ভাবেই টিকেট পাচ্ছি না, সব টিকেট বিক্রি শেষ নাকি। এখন সিএনজি যোগে যেতে হবে।
বনরূপা বাজারে দোকানী সবুজ মিয়া জানিয়েছেন, সারাদিন ধরে দেখছি যানযট লেগেই আছে। শহরবাসী যেমন বাজার করতে ব্যস্থ তেমনি অনেকে শহর ছাড়তে ব্যস্থ, তার মধ্যে লকডাউনের কারণে প্রচুর মালবাহি গাড়ি শহরে ডুকেছে। যার কারণে মনে হচ্ছে আজকে শহরের বিভিন্ন জায়গায় যানযট দেখা দিচ্ছে।

 

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button