খাগড়াছড়িব্রেকিংলিড

শক্তিমান চাকমাকে হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে বিক্ষোভ

নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট শক্তিমান চাকমাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় খাগড়াছড়ির বিভিন্ন মহল নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। দূর্বৃত্তদের গ্রেফতারের দাবীতে বিক্ষোভ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা)। জেলার আইনজীবীরা কালোব্যাজ ধারণসহ তিনদিনের শোক কর্মসূচি ঘোষনা করেছে।
খাগড়াছড়ি বার এসোসিয়েশনের সদস্য এডভোকেট শক্তিমান চাকমার হত্যার প্রতিবাদে সভা করেছেন খাগড়াছড়ি জজকোর্টের আইনজীবীরা। জেলা বার এসোসিয়েশনে উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র আইনজীবি নাসির উদ্দিন আহম্মেদ, জেলা বার এসোসিয়েশনের সভাপতি এডভোকেট আশুতোষ চাকমা, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল হোসেন, মোঃ আবদুল মোমিন, নুরুল্লাহ হিরু প্রমুখ।
সভা থেকে এডভোকেট শক্তিমান চাকমাকে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তারা অবিলম্বে এই হত্যার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের দাবী জানান। পাশাপাশি মামলা পরিচালনায় খাগড়াছড়ি জেলা বার এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করা হয়।
একই সাথে গতকাল থেকে ৩দিনের কালোব্যাজ ধারণ, রবিবার মানববন্ধন কর্মসূচি ও প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদানের ঘোষনা দিয়েছেন আইনজীবীরা।

জনসংহতি সমিতির বিক্ষোভ
এমএন লারমাপন্থী দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও দলের অন্যতম শীর্ষনেতা এডভোকেট শক্তিমান চাকমার হত্যার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিক্ষোভ করে করে জনসংহতি সমিতির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। শহরের লারমা স্কোয়ার থেকে বিক্ষোভ বের হয়ে শহর ঘুরে শাপলা চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের সদর উপজেলা সভাপতি কিরণ চাকমার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জনসংহতি সমিতির জেলা সাধারণ সম্পাদক সিন্ধু কুমার চাকমা, রাঙামাটি শাখার মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ববিতা চাকমা, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি সুমেধ চাকমা প্রমূখ।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

১টি কমেন্ট

  1. বুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ উপদেশে প্রাণী বানিজ্য(প্রাণীকে হত্যা করা লাগে বিধায়), বিষ বাণিজ্য বা মাদক বাণিজ্য (যা দ্বারা চেতনা নাশ হয়) ও অস্ত্র বাণিজ্য (এক মুহূর্ত প্রাণে হরণ করা যায়) নিষেধ ছিল। অথচ এই ৩টি দ্বারা পাহাড়িরা আক্রান্ত। এই ৩টি বাণিজ্যই জাতিকে ধ্বংস করছে। ১৯৭৬ সালে এই উপজেলার গর্জন তলি গ্রাম থেকে আমার বড় ৫ ভাই, মা-বাবাসহ ৭ জনকে রাতের আঁধারে ধরে নিয়ে নির্মম নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছিল। মানুষ হত্যা করা জগন্য পাপ। এই পাপে ভারাক্রান্ত জাতি কী দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারবে? নারী জাতির উপর হাত তোলা আরো জগন্যতম পাপ। আমার মা স্নেহ মুখী চাকমা ১৯৪৭এর দেশ বিভাগকালীন সময়ের কিংবদন্তী স্নেহ কুমার চাকমার ছোট বোন অত্যন্ত ধার্মিক ও দয়ালু ছিলেন। বাবা তৎকালীন ভারতে চলে যাওয়া গোপাল ভূষণ চাকমা (পরে ভারতের পুলিশ কর্মকর্তা হন, বর্তমান চাকমা রাজার ১ম স্ত্রীর দিকে মামা শ্বশুর) ‘র জ্যাঠাতো ভাই ছিলেন। আমার আপন কাকা ২ জন, আপন মামা ২ জন, বাবার ২ চাচার ছেলে মেয়ে, বাবার মামাতো বোন আগরতলাসহ ত্রিপুরার অন্যান্য জায়গায় ছিল বিধায় বাবা সেখানে ঘন ঘন যেতেন। এটাই নাকি ছিল আমার বাবার দোষ।

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: