বান্দরবানব্রেকিং

লামায় হেডম্যানের বিরুদ্ধে পাহাড় কাটার অভিযোগ

পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে পাহাড় কাটায় নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বান্দরবানের লামা উপজেলায় প্রভাব খাটিয়ে পাহাড় কাটার অভিযোগ উঠেছে এক মৌজা হেডম্যানের বিরুদ্ধে। উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের হেডম্যান পাড়ার বাসিন্দা মৃত চাথোয়াইং মার্মার ছেলে ও ফাইতং মৌজা হেডম্যান উ¤্রামং মার্মার নেতৃত্বে ১০-১২জন লোক গত ৩দিন ধরে পাহাড় কাটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

কেউ যেনো পাহাড় কাটার ছবি তুলতে না পারে, এজন্য রাখা হয়েছে পাহারাও। ফলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে প্রবল বর্ষণের ফলে এ পাহাড়ের ওপরের অংশ ধসে পড়ে প্রাণহানি ঘটতে পারে। পাহাড় কাটা বন্ধে প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

সূত্র জানায়, স্থাপনা নির্মাণের নামে শুক্রবার থেকে ১০-১২জন শ্রমিক নিয়ে হেডম্যান পাড়া সংলগ্ন উচু একটি পাহাড় কাটা শুরু করেন ফাইতং মৌজা হেডম্যান উ¤্রামং মার্মা। গত তিন দিনে পাহাড়ের বিশাল একটি অংশ কেটে সাবাড় করে দেন তিনি। সেই সঙ্গে আগুন লাগিয়ে উজাড় করা দিয়েছেন ওই পাহাড় জুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা বৃক্ষ। এ পাহাড়ের পাদদেশে রয়েছে বেশ কয়েকটি বসতঘরও। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে একটু ভারী বৃষ্টি হলেই এ পাহাড়ের অংশ ধসে পড়ে বসতঘর বিধ্বস্তসহ প্রাণহানি ঘটতে পারে। এছাড়া কর্তনকৃত পাহাড়ের মাটি পড়ে ভরাট হতে পারে পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পাহাড়ি ঝিরি।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, হেডম্যান প্রভাব খাটিয়ে পাহাড় কেটে সাবাড় করছেন। এতে পাহাড় ধ্বসে যেকোন সময়ে ২০১২সালের মতো বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। পাহাড় কাটার ছবি যেনো কেউ তুলতে না পরে সেজন্য দুইজন শ্রমিককে পাহারায় রাখা হয়েছে।

অভিযুক্ত হেডম্যান উম্রামং মার্মা বলেন, ‘পাহাড় কাটছিনা। চেরাংঘর নির্মানের জন্য পাহাড়ের ওপরের অংশ বিশেষ সমান করছি মাত্র। লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমি বলেন, ‘পাহাড় কাটার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button