বান্দরবানব্রেকিংলিড

লকডাউনে অচল রেড জোন বান্দরবান

লকডাউনে অচল রেড জোন বান্দরবান ও লামা পৗরসভা। প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি এবং প্রায় তিন শতাধিক স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকায় হাট-বাজার, পাড়া-মহল্লা কোথাও কোনো দোকানপাট খোলা নেই। সবধরণের যানবাহন চলাচলও বন্ধ রয়েছে রেজ জোন এলাকায়। রোবাবর লকডাউনের চতুর্থদিনেও রাস্তা-ঘাট ছিলো ফাঁকা। কোথাও আড্ডা দিতে দেখা যায়নি মানুষদের। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া মানুষদের বের হতে দেখা যায়নি পৌর এলাকাগুলোতে। তবে যথারিত খোলা ছিলো ওষুধের দোকান। স্বাভাবিক ছিলো পন্যবাহী যানবাহন চলাচলও।

স্বেচ্ছাসেবক ওমর ফারুক ও মাহাবুব বিন ফয়সাল বলেন, লকডাউন কার্যকরে মেয়র, কাউন্সিলরদের দিকনির্দেশনায় আমরা মাঠে কাজ করছি। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থা করছি। লকডাউনে ঘরবন্দি মানুষদের প্রয়োজনীয় জরুরি ওষুদপত্র কিনে বাসায় পৌঁছে দিচ্ছি। লকডাউনে রেড জোনের মানুষদের মাইকিং করে ঘরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছি। নিজ নিজ এলাকার মানুষদের প্রয়োজনীয় সবধরণের জিনিসপত্র বাসায় পৌঁছে দেয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি।

বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মো: ইসলাম বেবী ও লামা পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম বলেন, পৌর অঞ্চলের নয়টি ওয়ার্ডেই স্বেচ্ছাসেবকরা রয়েছেন। এলাকা এলাকায় বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে অভ্যন্তরিন সবগুলো সড়কের মুখ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অকারণে মানুষদের ঘর থেকে বের হতে দেয়া হচ্ছে না।

সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক ঘরবন্দি মানুষের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র স্বেচ্ছাসেবকরাই বাড়িতে পৌছে দিচ্ছে। নয়টি ওয়ার্ডের প্রবেশপথ গুলো শুধুমাত্র এ্যাম্বুলেন্স, প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যম, ভ্রাম্যমাণ কাঁচা-বাজার, হোম ডেলিভারি পণ্যের গাড়ি যাবার জন্য খুলে দেয়া হয়।

বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: শামীম হোসেন জানান, লকডাউনে বান্দরবান ও লামা দুটি পৌরসভাকে সম্পূর্র্ণভাবে অচল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এ লকডাউন ২১ দিন পর্যন্ত চলবে। লকডাউন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button