নীড় পাতা / ব্রেকিং / লংগদুর পাহাড়ীদের নির্মাণাধীন বসত পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশনা

লংগদুর পাহাড়ীদের নির্মাণাধীন বসত পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

রাঙামাটি লংগদুতে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পোড়া বাড়িঘর পরিদর্শন করেছেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদসহ স্থানীয় প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত তিনটিলা গ্রামে গিয়ে সরেজমিনে পোড়া বাড়িঘর পরিদর্শন করেন তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন লংগদু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রবীর কুমার রায়, রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো. জানে আলম, লংগদু উপজেলা চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী রিয়াদ উন নবী, ঠিকাদার শাহাদাৎ হোসেন (শিপু), মো: মহসিনসহ অন্যান্য ঠিকাদার।

গত বছরের ১ জুন লংগদু সদরের ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক নুরুল ইসলাম নয়ন খাগড়াছড়ি চার মাইল নামক এলাকায় নিহত হওয়ার পর ২ জুন তার লাশ নিয়ে লংগদু সদরে জনাযায় বাইট্টপাড়া থেকে লংগদু সদর মাঠে যাওয়া পথে উত্তেজিত জনতা পাহাড়ি বাড়িঘরে অগ্নিকান্ড চালায়। এত প্রায় তিনটি গ্রামে মোট ২১৩টি দোকান ও বাড়িঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রাণ প্রকল্প-২ এর মাধ্যমে মোট ১৭৬ টি বাড়িঘর নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়। পরে দুইবার টেন্ডার আহ্বান করা হলেও দরপত্রে জিনিসপত্রের দাম কম থাকায় কেউ অংশ নেয়নি। পরে দরপত্রে জিনিসপত্রের দাম সংশোধন করা হলে এবছর ১ জুন অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পোড়া বাড়িঘরগুলোর নির্মান কাজ শুরু হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনি শংকর চাকমা বলেন, ‘কাজের যে গতি সেই গতিতে মনে হচ্ছে সব ঠিকাদার কাজ শেষ করতে পারবে না। দু’একজন ঠিকাদার এখনো অনেক বাড়ির কাজও ধরেন নি। সেই সব কাজগুলো শেষ করতে আমার মনে হয় ডিসেম্বর লাগতে পারে। আর আগামী শীতের আগে বাড়ির কাজগুলো শেষ হলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো শীতের কষ্ট থেতে রক্ষা পাবে।

ক্যাবর নেটওয়ার্কের সত্বাধিকারী বাবুল দাশ (বাবু) জানান, ‘আমাদের ২টি প্যাকেজের প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ শেষ। ডিসি স্যার আমাদের আগামী মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার তাগিদ দিয়েছেন। পরিবেশ ভালো থাকলে আমরা নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে পারবো।’

লংগদু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রবীর কুমার রায় জানান, ‘স্যার আজকে সকল ঠিকাদারদের বলেছেন নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার জন্য। যাতে আগামী মাসের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো তাদের নিজ বাড়িতে উঠতে পারেন। এসময় ঠিকাদাররাও নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার জন্য চেষ্টার করা জানিয়েছেন।

রাঙামাটির জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ জানান, ‘কাজের অগ্রগতি বেশ ভালো। আমি সকল ঠিকাদারকে বলেছি নির্ধারিত সময়ে যাতে কাজটি শেষ করা হয়। তারাও আমাকে আশ^স্ত করেছেন নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে পারবে।’

এর আগে সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা ও শেখ রাসেল মিনি ষ্টেডিয়ামের ভিত্তি প্রস্তর করেন।

আরো দেখুন

দীঘিনালায় ইয়াবাসহ আটক যুবক

খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালার তাইন্দং কলোনি এলাকা থেকে ২২ পিস ইয়াবাসহ মো. সোহাগ হোসেন (২০) নামে …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

18 − ten =