ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

লংগদুর ক্ষতিগ্রস্থদের আর্থিক সহায়তা বিএনপি’র

লংগদু উপজেলার যুবলীগ নেতা নয়ন হত্যাকান্ডকে কেন্দ্র করে লংগদু সদরে পাহাড়ীদের ঘর বাড়ীতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেছেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল।
শুক্রবার রাঙামাটি জেলা বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল লংগদুতে তিনটিলাপাড়া ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করে শেষে তিনটিলা বনবিহারে আশ্রয় কেন্দ্রে যান। সেখানে ক্ষতিগ্রদের খোঁজ খবর নেন বিএনপি নেতারা।

এসময় প্রতিনিধি দলের সদস্য রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ শাহ আলম বলেন, লংগদুর জনসাধারণের মধ্যে সাম্পদায়িক সম্প্রীতি রয়েছে। কিছু কুচক্রী মহল এই সম্প্রীতি বিনষ্ট করার জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে,যার ফলে লংগদুতে এতবড় ঘটনার জন্ম হল। এ ব্যাপারে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। এই ঘটনা কোন অবস্থাতে কাম্য নয়। ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইগত ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে কোন নির্দোষ ব্যক্তি যাতে হয়রানী শিকার না হন সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে আপনাদের দেখতে এসেছি। এখানকার অবস্থা সম্পর্কে তাকে আরো অবহিত করা হবে। বিএনপির পক্ষ থেকে কিছু আর্থিক সহয়তা নিয়ে এসেছি আপনাদের কাছে, আশাকরি আপনারা তা গ্রহন করবেন। এরপর তিনি ক্ষতিগ্রস্থদের পক্ষে ত্রান গ্রহন কমিটির নিকট নগদ পাঁচ লক্ষ টাকা হস্থান্তর করেন।

এসময় বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট দীপেন দেওয়ান, উপজাতীয় বিষয়ক সহ সম্পাদক মনীষ দেওয়ান, রাঙামাটি জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক দীপন তালুতদার দীপু, সিনিয়র সহ সভাপতি আবু নাছির, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম পনির, লংগদু উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান  মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, রাঙামাটি জেলা যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাকিল সহ রাঙ্গামাটি জেলা ও উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ লংগদু সদর ইউনিয়নের ছেয়ারম্যান কুলিন মিত্র চাকমা (আদু), আটারকছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মঙ্গলা কান্তি চাকমা, উপজেলা জেএসএস’র সাধারণ সম্পাদক মনিশংকর চাকমা উপস্থিত ছিলেন।

অপরদিকে বিএনপি প্রতিনিধি দল সন্ত্রাসী কর্তৃক নিহত যুবলীগ নেতা নুরুল ইসলাম নয়নের বাইট্টাপাড়াস্থ বাসায় যান। তারা সেখানে নয়নের পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন। প্রতিনিধি দলের পক্ষে রাঙামাটি জেলা বিএনপি’র সভাপতি মোঃ শাহ আলম  শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং তার পরিবারের হাতে বিএনপি’র পক্ষ থেকে নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা তুলে দেন।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

১টি কমেন্ট

  1. আহা! যদি অসহায় মানুষদের মনে হিংস্রতার বীজ না হয়ে মানবতা মানবিকতার শিক্ষা দেয়া হতো পাহাড়ে পুনর্বাসন নাকরে যদি সমতলে আশ্রয়কেন্দ্রে অথবা সরকারী খাসজমিতে কাজে লাগাতো আমাদের দেশের ইতিহাস আরো গৌরবোজ্জ্বলই হতো।আমরা সবাই সকলের মঙ্গল কামনা করতে পারতাম।এখন আরেকটা বীজ বুনা হচ্ছে, সত্যকথা বলাতে মিথ্যা অপপ্রচার ছড়াতে ভান্তে ও বৌদ্ধবিহার নিয়ে এমন হিংস্রমনোভাব সৃষ্টি করে প্রচার করা হচ্ছে তাদের সাথে সরকারী অস্ত্রধারীরাও বিশ্বাস করতেছে যে ভান্তেরাই সন্ত্রাসী। কাজেই অনেকে না দেখেও শুধু পড়ে শুনেই কামনা করছেযেন আরেকটা ৭১/৮৬/৮৯/০৯/১২/১৭ ঘটুক।মিথ্যা অপপ্রচারের মাশুল গুনতে হচ্ছে দলমত নির্বিশেষে।বিবিসি বাংলাও তাদের সাথে যোগ দিয়েছে জেনে মনে খুব আঘাত লেগেছে।কথাদিচ্ছি কোনো ভান্তে যদি আইন এবং রাষ্ট্রবিরোধি কাজে জড়িয়ে পড়ার সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমান থাকে আইনের মাধ্যমেই বিচার করো ।তবু অযথা বিভ্রান্তি ছড়িয়ে জনগনকে বিপদগ্রস্ত করোনা দেশের ইতিহাসকে কলঙ্কিত করিওনা।বিপর্যয় কখনো কাম্য হতে পারেনা।

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: