ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

‘রাঙামাটি পৌরসভা দৈনিক ২৩ টন ময়লা অপসারণ করে’

সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), রাঙামাটি ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদশে (টিআইবি) এর উদ্যোগে রাঙামাটি পৌরসভা কর্তৃপক্ষের সাথে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এর মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সোমবার এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র মোঃ আকবর হোসেন চৌধুরী। উক্ত মত বিনিময় সভায় রাঙামাটি পৌরসভার কাউন্সিলরবৃন্দ, সচিব, প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, সনাক সভাপতি চাঁদ রায়, সনাক সদস্য মোহাম্মদ আলী, স্বজন সমন্বয়ক মুজিবুল হক বুলবুল এবং ইয়েস সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সনাক সদস্য মোহাম্মদ আলী এবং সঞ্চালনা করেন টিআইবি’র এরিয়া ম্যানেজার মোহাম্মদ মাসুদুল আলম। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন পৌরসভার ০৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কালায়ন চাকমা এবং সনাক সভাপতি চাঁদ রায়।

মতবিনিময় সভার সভাপতি উদ্বোধনী বক্তব্যের পর বিগত সভার আলোচনা ও সিদ্ধান্তসমূহ পাঠ করেন ইয়েস সদস্য অন্তর সেন শুভ। সভায় গত মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত জনগণের মুখোমুখি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের উত্থাপিত সমস্যা সমূহের সমাধানের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় পৌর মেয়র জানান, বর্ষাকাল ও রাঙামাটিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে রাস্তাঘাট নির্মাণ ও সংস্কারে উদ্যোগ নেয়া হলেও তা করা যায়নি। বর্তমানে কয়েকটি এলাকার ড্রেন ও রাস্তা সংস্কার এবং নির্মাণে টেন্ডার হয়েছে, বর্ষাকাল শেষ হওয়ার সাথে সাথে কাজ শুরু হবে। তিনি আরও জানান, রাঙামাটি শহরকে পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য রাঙামাটি পৌরসভা দৈনিক ২৩ টন ময়লা অপসারণ করে এবং ২০০ ভ্রাম্যমান ডাস্টবিন চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাছাড়া রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতাল এলাকায় ০২টি পাবলিক টয়লেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

উপস্থিত কাউন্সিলরবৃন্দ বলেন, যে কাজগুলো পৌরসভার বাস্তবায়ন করার বিধান রয়েছে তা করছে জেলা পরিষদ, এতে সমন্বয়হীনতা দেখা দিচ্ছে এবং পৌরসভার নাগরিকবান্ধব সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

সনাক সভাপতি চাঁদ রায় বলেন, পৌরসভাকে নাগরিকবান্ধব করতে হলে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জনগণের সাথে আরও সম্পৃক্ত হতে হবে ও প্রতিটি ওয়ার্ডে কাউন্সিলরবৃন্দকে বছরে কমপক্ষে তিনবার জনগণের মুখোমুখি হয়ে পৌরসভার সেবা সম্পর্কে জানানো প্রয়োজন এবং জনগণের সমস্যাসমূহ তাদের নিকট হতে গ্রহণ করে পরিকল্পনা করতে হবে। তা ছাড়া শক্তিশালী পৌরসভা গঠণের জন্য নির্বাচিত প্রতিনিধিদের পৌরসভা আইন ২০০৯ অনুসরণ করতে হবে।

মতবিনিময় সভায় সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি ও মেয়র বলেন, দেশের অন্যান্য দেশের তুলনায় পার্বত্য এলাকার পৌরসভার কার্যক্রম এবং আয়ের ক্ষেত্রে পার্থক্য রয়েছে তথাপি পৌরসভার সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সাথে আমাদের কর্তব্য পালন করব এবং অদ্য মতবিনিময় সভায় যে সকল সিদ্ধান্ত গৃহীত তা বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেব। (বিজ্ঞপ্তি)

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button