নীড় পাতা / ব্রেকিং / রাঙামাটির ৭৯৮৮৪ শিশু খাবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল
parbatyachattagram

সংবাদ সম্মেলনে জানালো স্বাস্থ্য বিভাগ

রাঙামাটির ৭৯৮৮৪ শিশু খাবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল

আগামী ২২ জুন জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০১৯ উপলক্ষ্যে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে মোট ৭৯ হাজার ৮৮৪ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। বুধবার সকাল ১১টায় রাঙামাটি জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

সংবাদ সম্মেলনে রাঙামাটির ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. নীহার রঞ্জন নন্দীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আল হক, দৈনিক গিরিদর্পণ সম্পাদক একেএম মকছুদ আহমেদ, রাঙামাটি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সুশীল প্রসাদ চাকমা, মেডিকেল অফিসার ডা. মাসুদুর রহমান প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলন জানানো হয়, আগামী ২২জুন সারাদেশে একযোগে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম রাউন্ডে রাঙামাটি জেলায় মোট লক্ষ্যমাত্রা ৭৯ হাজার ৮৮৪ জন শিশু। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ৯ হাজার ১৮৮ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ৭০ হাজার ৬৯৬ জন। এসময় পুরো জেলায় মোট ১৩১৫টি কেন্দ্র খোলা থাকবে। স্বেচ্ছাসেবী কর্মী থাকবে ২ হাজার ২০১ জন। মাঠকর্মী থাকবে ৪২৯ জন এবং ২৪১ জন প্রথম সারীর তদারককারী নিয়োজিত থাকবেন।

এর মধ্যে রাঙামাটি সদর উপজেলায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ৬০৮জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ৩ হাজার ৫৪৫ জন। কাউখালী উপজেলায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ৯৫৪ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ৬ হাজার ৭০৬ জন। নানিয়ারচর উপজেলায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ৬৪৬ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ৩৯০জন। কাপ্তাই উপজেলায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ৮০ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ৬ হাজার ৬০৩জন। বিলাইছড়ি উপজেলায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ৪০৩ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ৩ হাজার ১২৮ জন। রাজস্থলী উপজেলায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ৫২৪ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ৩ হাজার ৬৯৬ জন। বাঘাইছড়ি উপজেলায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ২১৩ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ১০ হাজার ৪৩ জন। বরকল উপজেলায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ৮২২ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ৮ হাজার ১২ জন। জুরাছড়ি উপজেলায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ২৯৭ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ২ হাজার ৩৭২ জন। লংগদু উপজেলায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ৬০১ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ১২ হাজার ৮৪৪ জন। রাঙামাটি পৌরসভা এলাকায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ৪০ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুর লক্ষ্যমাত্রা ৯ হাজার ৩৫৭ জন।

এসময় ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. নীহার রঞ্জন নন্দী বলেন, এ বছর পুরো জেলায় আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ৯৯ দশমিক ১৪ শতাংশ। কারণ আমরা চাইলেও শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন পারি না মানুষের সচেতনতার অভাবে। তিনি বলেন, ‘এখনও অনেকেই ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শিশুদের খেয়ালী করে খাওয়ান না। এ কারণে আমাদেরও শতভাগ লক্ষ্যমাত্র অর্জন হয় না। তাই আমি বলবো, এ ব্যাপারে সবার সহযোগীতার প্রয়োজন। জনসচেতনতা বৃদ্ধি পেলে শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব।’

এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে ভিটামিন ‘এ’ সর্ম্পকিত ভিডিও উপস্থাপন করেন মেডিকেল অফিসার ডা. মাসুদুর রহমান। এসময় তিনি ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবজনিত কারণগুলো উল্লেখ্য করেন।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

চুরির মামলা করে নিজেই ফেঁসে গেলেন বাদী !

রাঙামাটিতে মিথ্যা চুরির মামলায় বাদীর কারাদ- দিয়েছেন আদালত। জেলার কাউখালী থানার আর্দশগ্রাম নিবাসী আবুল কাসেমের …

Leave a Reply