ব্রেকিংরাঙামাটি

রাঙামাটির পর্যটন ও পলওয়েল রুটে লোকাল সিএনজি চালুর দাবি

চট্টগ্রাম রুটে সন্ধ্যার পরও বাস চালু করার অনুরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক

রবিবার রাঙামাটিতে মাসিক আইনশৃংখলা সভায় গণমাধ্যম কর্মী হেফাজত সবুজ বলেন, রাঙামাটি শহরের তবলছড়ি থেকে পর্যটন মোটেল ও রাঙামাটি পার্ক থেকে পলওয়েল পার্ক, এই দুটি রুটে এখনো সিএনজি অটোরিক্সা রিজার্ভ চলে। ফলে এলাকার সাধারণ মানুষ ও পর্যটকগন বাড়তি ভাড়ার বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। এ দুইটি সড়কে সিএনজি লোকাল করে দেয়া হোক। এছাড়া রাঙামাটি- ঢাকা রুটের গাড়িগুলো রাত ১০টার পরে ছাড়ার ব্যবস্থা দাবি জানান তিনি।
তিনি বলেন, বর্তমানে রাঙামাটি থেকে যাওয়া গাড়িগুলো রাত ৩ টায় ঢাকায় পৌঁছায়, ফলে এই গভীর রাতে যাত্রীদের বিড়ম্বনায় পরতে হয়। এছাড়া রাঙামাটি চট্টগ্রাম রুটে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার পরে আর কোন বাস চলে না। এতে রাঙামাটির মানুষ বিপাকে পরে। তাই এই রুটেও লাস্ট ট্রিপ যাতে রাত ১০টায় করা হয় সে অনুরোধ করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক বলেন, বিয়গুলো খুবই যুক্তিযুক্ত এবং জনগুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা রুটের ব্যাপারে বাস কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে সমাধান করা হবে বলে সভাকে আশ্বস্ত করেন তিনি। আর বিষয় দুটি নিয়ে পরিবহন মালিক নেতা ও উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুজ্জামান রোমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আগে চাঁদাবাজি বন্ধ করেন, তা না হলে কিছু করা সম্ভব না। প্রশাসন তো কিছুই করতে পারেনা, আপনারা তো কিছুই করতে পারেননা। তাহলে আপনাদের এখানে থেকে কি লাভ।’

এ প্রসঙ্গে রাঙামাটি সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাঙামাটি সদর সার্কেল তাপস ঘোষ বলেন, রাঙামাটি চট্টগ্রাম সড়কে পুলিশি টহল করোনাকালে থেকেই সিএনজিতে দেয়া হচ্ছে, তবে আমরা পুলিশ সুপার স্যারের সাথে কথা বলেছি, খুব সহসাই এই রুটে আগের মত পুলিশি টহল শুরু হবে। উপজেলা চেয়ারম্যান একটা কথা বলেছেন, তিনি কোন সহযোগীতা পাননি, এটা মনে হয় সঠিক বলেননি। রাঙামাটি খাগড়াছড়ি রুটে একটি সিএনজি মিসিং ছিল। তিনি আমার সাথে, জেলা প্রশাসক মহোদয় পুলিশ সুপার মহোদয়েন সাথে বহুবার কথা বলেছেন। আমি বহুবার ওনার সাথে কথা বলেছি। আমরা সব সহযোগিতা করেছি। আইন শৃঙ্খলা বিষয়ে সব কথা সব জায়গায় বলা যায় না। আমরা বলতেও চাইনা, কে কি করেছে। আমাদের প্রত্যকের কিছু কাজ থাকে সেগুলোর ফলস্বরুপ মূল কাজটা জনসম্মুখে দেখা যায়। সে কাজটা হয়তো কারো মাধ্যমে সামনে আসে, কিন্তু তার পেছেনে প্রত্যেকে কাজ করে। আমরা সকল কাজ সবাইকে বলতে চাই না বা বলতে পারিনা। তবে আমরা সবাই মিলে রাঙামাটিতে যে সকল অপতৎপরতা আছে তা প্রতিহত করবো। রাঙামাটি খাগড়াছড়ি সড়কে যে চাঁদাবাজি আছে তা বন্ধে আমরা কাজ করবো। আর এ অপতৎপরতা একদিনে হয়নি, এগুলো বহুপুরনো, এর পেছনে অনেক কারণও আছে। তবে আমরা সবাই মিলে কাজ করছি, এভাবেই এক সময় রাঙামাটি অপতৎপরতা থেকে মুক্তি পাবে।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button