করোনাভাইরাস আপডেটব্রেকিংরাঙামাটিলিড

রাঙামাটিবাসির পাশে ছাত্রলীগ-ছাত্রদল-ছাত্র ইউনিয়ন

দেশের বিষন্ন বিপন্ন সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে অসংখ্য মানুষ,প্রতিষ্ঠান,দল কিংবা সরকার। চুপ করে বসে নেই রাঙামাটির ছাত্র সংগঠনগুলোও। নিজ নিজ সামর্থ্যরে সর্বোচ্চ নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছে তারাও। ইতোমধ্যেই কার্যক্রম চোখে পড়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এবং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের।

করোনা পরিস্থিতির শুরুতেই হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করে নিন্ম আয়ের মানুষের মধ্যে বিতরণের মধ্য দিয়ে মাঠে নামে ঐতিহ্যবাহি ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন। সংগঠনটির জেলা ও রাঙামাটি সরকারি কলেজ ইউনিটের নেতাকর্মীরা নিজেরা স্যানিটাইজার তৈরি করে প্রায় ৪০০ মানুষের কাছে পৌঁছিয়েছেন,যারা সবাই দিনমজুর,সাধারন খেটে খাওয়া মানুষ কিংবা নিন্ম আয়ের শ্রমজীবি।

জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক প্রান্ত রনি জানিয়েছেন, ঢাকায় আমাদের কেন্দ্রীয়ভাবে কর্মসূচী শুরুর পর আমরা পার্বত্য এই শহরেও উদ্যোগ নিই এবং নিজেদের সীমিত সামর্থ্যরে মধ্যেই কিছু করার চেষ্টা করেছি। এখনো আমরা মাঠে আছি,মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি নানাভাবে।’

দেশের অন্যতম বৃহৎ ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগও বসে নেই। সংগঠনটির জেলা ইউনিটের নেতাকর্মীরা ইতোমধ্যেই মাস্ত ও সচেতনতামূলক প্রচারপত্র,স্যানিটাইজার বিতরণ করেছে। জেলা ইউনিটের পাশাপাশি বিলাইছড়ি,কাপ্তাই,জুরাছড়ি এবং লংগদু উপজেলাতেও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে নানান উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক প্রকাশ চাকমা বলেছেন-‘ আমরা শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুসারে রাঙামাটিবাসির পাশে থেকে কাজ করার চেষ্টা করেছি। প্রায় দেড় হাজার মানুষকে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ করেছি এবং দেড়হাজার প্রচারপত্র বিলি করেছি। এখন জেলা আওয়ামীলীগের দুস্থদের জন্য ত্রান কার্যক্রমেও সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছি।’

রাঙামাটিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বরাবরই সক্রিয় সংগঠন। সংগঠনটির উদ্যোগে মাস্ক,সাবান ও ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন স্থানে জীবানুনাশ স্প্রে করতে দেখা গেছে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের। রাঙামাটি শহরের পাশাপাশি লংগদু,বাঘাইছড়ি,কাপ্তাই,কাউখালীতেও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সামর্থ্য অনুসারে নানান কার্যক্রম পরিচালন করছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফারুক আহমেদ সাব্বির জানিয়েছেন, আমরা বরাবরের মতোই রাঙামাটিবাসির পাশে আছি। দেশের ও বিশ্বের এই দু:সময়ে আমাদের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বসে নেই। ত্রান কার্যক্রমের পাশাপাশি নিয়মিতভাবে আমরা পুরো শহরে জীবানুনাশক স্প্রে করছি।’

জাতীয় পর্যায়ের এই তিন ছাত্র সংগঠনের বাইরে অন্য কোন ছাত্র সংগঠনের তৎপরতা চোখে পড়ছেনা জেলায়। সবচে আশ্চর্য বিষয় হলো,পাহাড়ের প্রভাবশালী আঞ্চলিক ছাত্র সংগঠন পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের পৃথক তিনটি গ্রæপ কিংবা পার্বত্য বাঙালী ছাত্র পরিষদ,কাউকেই দেখা যাচ্ছেনা মাঠে। এমনকিও ফোনেও মিলছেনা তাদের যোগাযোগ।

 

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button
Close