নীড় পাতা / ফিচার / খেলার মাঠ / রফিক স্মৃতি ক্লাবের সভাপতির পদত্যাগ
parbatyachattagram

রফিক স্মৃতি ক্লাবের সভাপতির পদত্যাগ

রাঙামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থায় প্রতিনিধি প্রেরণকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট জটিলতা,ক্লাবের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি এবং গঠনতন্ত্র ও ক্রীড়ার স্পিরিট বিরোধী কার্যক্রমের প্রতিবাদে রাঙামাটি শহরের রফিক স্মৃতি ক্রিকেট ক্লাবের সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ক্লাবটির সভাপতি জসীমউদ্দীন। শুক্রবার রাতে তিনি এই পদত্যাগপত্র জমা দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাবেক ক্রিকেটার জসীমউদ্দীন,শহরের ঐতিহ্যবাহি এই ক্রিকেট ক্লাবটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং দীর্ঘদিন ক্লাবে ওপেনিং ব্যাটসম্যান ও উইকেটকিপার হিসেবে রাঙামাটি প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লীগে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এই বছরই তিনি ক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। দায়িত্ব নেয়ার পর তিনি রফিক স্মৃতি ক্রিকেট ক্লাবকে ‘রফিক স্মৃতি ক্লাব’-এ নাম পরিবর্তনসহ ক্লাবটির সার্বিক উন্নয়নে কিছু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলেন।

ক্লাবটির দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, রাঙামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার আসন্ন নির্বাচনে প্রতিনিধি প্রেরণকে কেন্দ্র করে বিরোধে জড়িয়ে পড়ে ক্লাবটির সংগঠকরা। দফায় দফায় বৈঠক করেও কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি তারা। এনিয়ে ক্লাবের একাধিক সভায় হৈচৈ,গাড়ী ভাংচুর,হুমকি প্রদানসহ নানাভাবে অখেলোয়াড়সূলভ ও অসংগঠকসুলভ কার্যক্রম হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে,ক্ষমতাসীন দলের কর্মীরা রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে ক্লাবটির নিয়ন্ত্রন নেয়ার চেষ্টা থেকেই উদ্বুত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এই বিষয়ে পদত্যাগি সভাপতি জসীমউদ্দীন পাহাড়টোয়েন্টিফোর ডট কমকে জানিয়েছেন, ‘একটি ক্লাবের প্রতিনিধি নিয়ে যে নোংরা রাজনৈতিক চর্চা হয়েছে তা বিরল। এই ক্লাবের ইতিহাসে এমন ঘটনা ঘটেনি। যে ব্যক্তি ক্লাবের শৃংখলা ভঙ্গ করেছে,ক্লাব সদস্যদের প্রকাশ্যেই হুমকি ও গালাগাল দিয়েছে,গাড়ী ভাংচুর করেছে,তাকেই আমরা প্রতিনিধি হিসেবে মনোনয়ন দিতে ‘বাধ্য’ হওয়ায়,সভাপতি হিসেবে নিজের ব্যর্থতা স্বীকার করে নিয়ে আমি পদত্যাগ করেছি। ক্লাবের অধিকাংশ সদস্য এমন অন্যায়কে সমর্থন করেছে যা বিষ্ময়কর। তারা নৈতিকতার কাছে হার মেনেছে। এটা কোন ক্লাবের জন্য কল্যানকর নয়। এই ক্লাবের কোন কার্যক্রমের সাথেই আমার আর কোন সম্পর্ক থাকবেনা।’

জসীমউদ্দীন আরো বলেন, ক্লাবে কোন ধরনের চেইন অব কমান্ড না থাকা, একজনের সমর্থনে একজন সদস্য কর্তৃক ক্লাবের জৈষ্ঠ্য সদস্যদের অপমানিত করা, দুজন প্রতিনিধির ক্রীড়া সংস্থার প্রতিনিধি হতে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে সমর্থন আদায় করার মতো নোংরামি এবং ক্লাবের শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের মেনে নেয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আর আমার সাক্ষরে এই রকম কাউকে প্রতিনিধি হিসেবে প্রেরণ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই কৈশর তারুণ্যের স্মৃতিবিজড়িত ক্লাবটি ছাড়তে বাধ্য হলাম।’

 

Micro Web Technology

আরো দেখুন

যুথবদ্ধ এক বিকেল রাঙামাটির স্বেচ্ছাসেবীদের

রাঙামাটির সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো যুথবদ্ধভাবে পালন করছে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস ২০১৯। কাটিয়েছে নিজেদের মত …

Leave a Reply