নীড় পাতা / ব্রেকিং / ‘ মাত্র ১০ শতাংশ পোকা অপকারী, ৯০ শতাংশ পোকাই উপকারী’
parbatyachattagram

রাঙামাটিতে কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার বিষয়ক কর্মশালায় তথ্য

‘ মাত্র ১০ শতাংশ পোকা অপকারী, ৯০ শতাংশ পোকাই উপকারী’

পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আয়োজনে ‘আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল দশটায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর রাঙামাটি অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালকের কার্যালয়ে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল দশটায় শুরু হওয়া এই কর্মশালা শেষ হয় দুপুর একটায়।

কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের রাঙামাটি জেলার উপপরিচালক কৃষিবিদ পবন কুমার চাকমা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের রাঙামাটি আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. নাসিম হায়দার, রাঙামাটি প্রেসক্লাব সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রুবেল, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আল হক, রাঙামাটি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সুশীল প্রসাদ চাকমা প্রমুখ। কর্মশালার সঞ্চালনা করেন- আঞ্চলিক কৃষি তথ্য কর্মকর্তা প্রসেনজিৎ মিস্ত্রি। কর্মশালায় জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রিক ও অনলাইন মিডিয়ার ৩০ জন সাংবাদিক অংশ নেন।

এদিন সকাল দশটায় কর্মশালার শুরুতে ‘সমন্বিত সবজির বালাই ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ে উপস্থাপন করেন রাঙামাটি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আলী আহম্মেদ। এ সময় কৃষিবিদ আলী আহম্মেদ বলেন, কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী কৃষকরা কাজ করলে ফলন যেমনি বাড়ে; তেমনি ভেজাল মুক্তও হয়। এ ব্যাপারে তাদের সচেতনতা বাড়াতে কৃষি বিভাগ কাজ করে যাছে। সচেতনতার অভাবে ডিলারের কথা মতো কৃষকরা বালাই ব্যবহার করেন। দেখা গেছে, পোকা আক্রমণের আগেই কৃষকরা ফসলে ঔষধ দিয়ে দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘ফসলে ক্ষেতে আমরা বিভিন্ন ধরণের পোকা দেখতে পাই। এর মধ্যে সব পোকা অপকারী নয়। মাত্র ১০ শতাংশ পোকা অপকারী, বাকী ৯০ শতাংশ পোকা সাধারণত উপকারী। তাই বালাই দমনে আইপিএম বা সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।’

এর পর কর্মশালায় ‘খাদ্যে রাসায়নিক ব্যবহারে মানবদেহের ক্ষতিকর প্রভাব ও প্রতিকার’ বিষয়েও আলোকপাত করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের রাঙামাটি জেলার উপপরিচালক কৃষিবিদ পবন কুমার চাকমা। তিনি বলেন, সুন্দর স্বাস্থ্য ও সুস্থ দেহের জন্য ভেজাল মুক্ত পুষ্টিকর খাদ্যের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু বিগত কয়েক দশক ধরে ফসল চাষাবাদে ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে বিভিন্ন ধরণের রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার হয়ে আসছে। এসব ফল বা খাদ্য আহার করার কারণে মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ধরণের রোগ বালাই সংক্রমিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে কৃষিবিদ মো. নাসিম হায়দার বলেন, চারা রোপণের সময় আমাদের হিসেব করে চারা রোপণ করতে হবে। বেশি কাছাকাছি করে চারা রোপণ করলেও উদ্ভিদ স্বল্প সময়ে বৃদ্ধি পায় না। আমি জানতে পেরেছি সম্প্রতি একটি প্রতিষ্ঠান এক একর জায়গায় ৮শ’ চারা রোপণ করেছে। এক একর জায়গায় ৮শ’ চারা কিভাবে বেড়ে উঠবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।

রাঙামাটি প্রেসক্লাব সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রুবেল বলেন, রাঙামাটিতে এখনও সব ধরণের মৌসুমি ফলে কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব ফল সারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রির জন্য নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে কৃষি বিভাগকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। এ সময় তিনি ফল মজুদ করে রাখার জন্য রাঙামাটিতে হিমাগার স্থাপনের দাবি জানান।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বান্দরবানে অপহৃত ৬ পাহাড়ি মুক্ত

অপহরণের ২৪ ঘন্টা পর মুক্তি পেয়েছে বান্দরবানের রুমা থেকে অপহৃত ৬ পাহাড়ী। সোমবার বিকাল ৪টার …

Leave a Reply