নীড় পাতা / ব্রেকিং / মাছের ড্রামে দখল ফুটপাত!
parbatyachattagram

মাছের ড্রামে দখল ফুটপাত!

রাঙামাটি শহরের ব্যস্ততম সড়ক বনরূপা থেকে ফিসারি বাঁধ সড়কটি। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এ পথে যাতায়াত করে। শহরের বিভিন্ন রাস্তার মত পৌরসভা থেকে ফিসারি সংযোগ বাঁধ পর্যন্ত দু’পাশে আছে ফুটপাত। যা দিয়ে চলাচল করে স্থানীয় পথচারীসহ পর্যটকরা।

ফুটপাত জুড়ে ড্রাম রাখায় ফিসারি অফিসের সামনে থেকে বাস টার্মিনাল পর্যন্ত ফুটপাতটি মানুষের ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফুটপাত দখল করে আছে মাছের খালি ড্রামে। যার ফলে ফুটপাতে চলাচলে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে স্থানীয়দের চলাচল সাথে হারাচ্ছে পর্যটন এলাকার সৌন্দর্য।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফায়ার সার্ভিস অফিসের পর থেকে ফুটপাতে সাজিয়ে রাখা হয়েছে মাছ পরিবহনে ব্যবহৃত ড্রাম আর কোন কোন স্থানে ড্রাম রাখা হয়েছে এলোমেলোভাবে কিছু অংশ দেখে বুঝার উপায় নাই যে এখানে ফুটপাত আছে। স্থানীয় পথচারীদের ফুটপাত ফেলে সড়কেই চলাচল করতে দেখা গেছে। কিছু জায়গায় রাস্তার উপরেই ড্রামের বড় স্তুপ করে রাখা আছে যার কারণে পানি জমা হয়ে আছে। এ জমা পানি থেকে থেকে মশার বংশ বিস্তার ও ডেঙ্গুর লার্ভা জন্ম নিতে পারে ফলে দেখা দিতে এডিস মশার প্রাদুর্ভাব।

দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাতে এভাবে ড্রাম দিয়ে দখল করায় জনমনে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকের অভিযোগ মাছের ড্রাম দিয়ে ফুটপাত দখলের জন্য প্রতিবাদ করতে গেলে পথচারীদের উল্টো হেনস্তা হতে হয় শ্রমিকদের কাছ থেকে।

ফুটপাতে ড্রাম রাখা কাজে ব্যস্ত শ্রমিক আবুল হোসেনের কাছে ড্রাম রাখা নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের মালিক যেখানে রাখতে বলেছে সেখানেই রাখছি আর তাছাড়া ফিসারির ভিতরে এতো ড্রাম রাখার জায়গাও নাই।

স্থানীয় পথচারী নাছির উদ্দিন সোহেল বলেন, জনগণের যাতায়তের বিঘœ ঘটিয়ে এভাবে ফুটপাতে ড্রাম রাখা অন্যায়। এতে শুধু যাতায়াত নয়, মশার বংশও বৃদ্ধি হতে পারে।

রাঙামাটি পৌরসভার প্যানল মেয়র ও ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: জামাল উদ্দিন বলেন, আমরা স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিব। অন্যদিকে জেলা প্রশাসনও যদি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ফুটপাতে ড্রাম রাখার জন্য তাদের শাস্তির আওতায় আনা গেলে আরো ভালো হতো।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

অস্ত্রের মুখে রুমায় ৬ গ্রামবাসীকে অপহরণ 

বান্দরবানের রুমায় অস্ত্রের মুখে ৬ গ্রামবাসীকে অপহরণ করেছে সন্ত্রাসীরা।  রোববার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে পুলিশ …

Leave a Reply