ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

মফিজ-বেবী-নাহারের বাসা ভাড়া বাকি ১৪ লাখ !

শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য তৈরি বাসা বেসরকারি খাতে ভাড়া দিয়ে বিপাকে পড়েছে রাষ্ট্রয়ত্ব কর্ণফুলী পেপার মিলস (কেপিএম)। বদলী হয়ে যাওয়া শ্রমিক, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের কাছে বাসা ভাড়া দিয়ে এখন পাওনা আদায়ে বেগ পেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। কেপিএমের অভিযোগ, বরং পাওনা আদায়ের উদ্যোগ নেয়ায় কেপিএমে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে স্থানীয় অভিযুক্তরা। সম্প্রতি টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কেপিএমের পুরনো যন্ত্রাংশ বিক্রি করা হলে চুরির অভিযোগ তোলে স্থানীয়রা। পরে যথাযথ কাগজপত্র প্রদর্শন করে এসব মালামাল নিয়ে গেলেও কেপিএমের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগ করছে স্থানীয়রা। যদিও কেপিএম বলছে, পূর্বের শ্রমিক পরিবার, জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালীদের বকেয়া আদায়ে ব্যবস্থা নেয়ায় কেপিএমের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় প্রাক্তন-বর্তমান তিন জনপ্রতিনিধির কাছেই বাসা ভাড়া বাবদ কেপিএম ১৪ লাখ টাকা পাবে। কিন্তু নানান কারণ দেখিয়ে এসব বকেয়া পরিশোধ করছে না অভিযুক্তরা। এর মধ্যে রয়েছেন, কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মফিজুল হক, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের উপজেলা কমিটির সাবেক আহ্বায়ক নূর নাহার বেগম এবং চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবী।

কেপিএমের দেয়া তথ্য মতে, কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মফিজুল হকের ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের আগস্ট পর্যন্ত মোট ভাড়ার পরিমাণ ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৮২০ টাকা। এরমধ্যে তিনি বিভিন্ন সময়ে সর্বমোট ৭১ হাজার টাকা ভাড়া পরিশোধ করায় বর্তমানে তার বকেয়া রয়েছে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮২০ টাকা। উপজেলা পরিষদের প্রাক্তন ভাইস-চেয়ারম্যান নূর নাহার বেগমের ২০১০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের আগস্ট পর্যন্ত মোট ভাড়ার পরিমাণ ৭ লাখ ১৭ হাজার ৯০০ টাকা। এরমধ্যে তিনি দুই মাসের ভাড়া বাবদ ১৩ হাজার টাকা প্রদান করেছেন। অন্যদিকে, ২০১৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের আগস্ট পর্যন্ত চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবীর মোট বাসা ভাড়ার পরিমাণ ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৭০০ টাকা। ২০১৩ সাল থেকে তিনি সি-টাইপ-১৬৩ ও বনভবন-৩ এর নিচতলা মিলে ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৭০০ টাকা বকেয়ার মধ্যে কোনো টাকা পরিশোধ করেননি। শুধু এই তিনজনই নয়, আরো অনেক নেতারাই কেপিএম এর বাসা ভাড়া নিয়ে থাকলেও নিয়মিত ভাড়া শোধ করছেনা বলে অভিযোগ আছে। এ নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বকেয়া ভাড়া পরিশোধের তাগিদে কেপিএম কর্তৃপক্ষ নোটিশ দিয়েছে। মূলত বকেয়া বাসা ভাড়া আদায়ে কেপিএম তৎপর হওয়ায় কেপিএমে অস্থিতিশীলতা তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রাও।

কেপিএমের কয়েকজন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মিল কর্তৃপক্ষ বর্তমানে যেসব এলাকায় বাসা ভাড়া বকেয়া রয়েছে সেসব বাসার বাসিন্দাদের ভাড়া পরিশোধের তাগিদ দিচ্ছেন। কিন্তু পূর্বের সময়ে এমন কড়াকড়ি আরোপ করা হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে ঘর ভাড়া না দেওয়া বাসিন্দারা অনেকেই মোটেই ভাড়া পরিশোধ করেননি। এ নিয়ে তারা বিভিন্ন অজুহাতের কথা তুলছেন। সম্প্রতি কেপিএমের আবাসিক এলাকায় এসব কর্মকাণ্ড প্রশাসনিক নিয়মবিধির নিয়ন্ত্রণে আনায় এলাকার প্রভাবশালী অনেকেই ক্ষুদ্ধ কর্তৃপক্ষের ওপর। যার কারণে বিভিন্ন এরা বিচ্ছিন্নভাবে যড়যন্ত্রে মেতেছে। সম্প্রতি পুরাতন অকেজো, মালামাল বিক্রয়ের ঘটনায়ও চক্রটি সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কেপিএমে বর্তমানে তিন শতাধিক আবাসিক বাসা ভাড়া রয়েছে। এরমধ্যে কেপিএমের শ্রমিক-কর্মচারীরা রয়েছে দুই শতাধিক বাসায়। বাকি এক শতাধিক বাসা বেসরকারি খাতে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। মূলত কেপিএমের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য তৈরি বাসা বেসরকারি খাতে ভাড়া দেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। কর্তৃপক্ষর পূর্বের অনিয়মের কারইে এখনো অনেকেই এসব আবাসিক ঘরে বাণিজ্যিকভাবে বসবাস করছেন। তবে মিল কর্তৃপক্ষ বলছে, বাণিজ্যিকভাবে যারাই আছেন, এরা অনেকেই আগে কেপিএম চাকরি করতেন। আবার অনেকেই বিসিআইসি’র অন্য প্রতিষ্ঠানে বদলী হয়ে হলেও এখানে এখনো পরিবার রয়ে গেলেন। আবার অনেকে পরিবারসূত্রে এসব বাসায় দীর্ঘদিন ধরেই বসবাস করছেন।

এদিকে বাসা ভাড়া বকেয়া প্রসঙ্গে কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মফিজুল হক বলেন, আমি জনপ্রতিনিধি হওয়ার পর বনভবন-২ নীচতলার বাসাটি আমি ভাড়া নিই। পরবর্তীতে আমি নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করে আসি। ২০১৭ সালের জানুয়ারি তারা বাসা ভাড়ার পরিমাণ ৬৫০০ টাকা করে দেয়। ২০১৮ সালে প্রথমে ৭৫০০ ও পরে ৯০০০ টাকা নির্ধারণ করে। এ বিষয়ে আমি কেপিএম কর্তৃপক্ষকে একটি লিখিত চিঠিও দিয়েছি। আমি ২০১৮ সাল থেকে ভাড়া নিয়মিত পরিশোধ করছি। ২০১৯ সালের কিছু ভাড়া বকেয়া রয়েছে, এ ভাড়ার পরিমাণ ৪৫ হাজার টাকা। আর এই ভাড়ার না দেওয়ার কারণও আছে, কেননা আমি ঠিকাদারি কাজের মাধ্যমে কেপিএমের কাছে ২ লাখ টাকা পাওনা আছি।

প্রাক্তন উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান নূর নাহার বলেন, আমি জনপ্রতিনিধি হওয়ার পর তৎকালীন ইউএনও’র প্রত্যয়নের প্রেক্ষিতে একটি ঘর বরাদ্দের আবেদন করি। পরবর্তীতে কেপিএম যেহেতু শ্রমিক বা কেপিএম সংশ্লিষ্ট ছাড়া কাউকে ঘর বরাদ্দ যাবে না সে কারণে আমাকে পুরোনো পরিত্যক্ত ঘর মেরামত করে থাকার অনুমতি দিয়েছে। এরপর ২০১৭ সালের জানুয়ারি প্রতি মাসে ৬৫০০ টাকা হারে ভাড়া নির্ধারণ করে। কিন্তু এ টাকায় ঘর ভাড়ায় থাকা আমাদের পক্ষে সম্ভবও না। এরপরেও তারা কয়েকধাপে ঘর ভাড়া বাড়িয়েছে। কয়েকমাস আগে আমি বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মফিজ ভাইয়ের কথায় ৬৫০০ টাকা বাবদ দুই মাসের ১৩ হাজার টাকা প্রদান করেছি। নূর নাহার বলেন, আগে যারাই এমডি ছিলো, সবাই জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়েই মিল পরিচালনা করেছেন। এখানকার এমডি নিজের মতো করে এসব খামখেয়ালীভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিকদের নেতা-কর্মীদেরও কোনো পাত্তা দেননা।

চন্দ্রঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবী বাসা ভাড়া বকেয়া প্রসঙ্গে বেবী বলেন, আমি যে বাসায় থাকি সেটি আমি এ পর্যন্ত অনেকবার মেরামত করেছি। এছাড়া কেপিএম কর্তৃপক্ষ আমার পাশের একই ধরণের বাসা যেখানে ৬৮০০ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করেছে। সেখানে তারা আমাকে ৯৮০০ টাকা নির্ধারণ করেছে। তারা চেয়েছে আমার থেকে এই অংকের ভাড়া আদায় করতে পারলে অন্য সবার থেকেই ভাড়া বাড়িয়ে দিবে। আমি সেই সুযোগ তাদের দেয়নি।

এ প্রসঙ্গে কেপিএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএমএ কাদের বলেন, আমি এই প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পর থেকেই প্রতিষ্ঠানকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার চেষ্টা করছি। কেপিএমের সম্পদ অনেকেই অবৈধভাবে দখল করে ভোগ করছে। অনেকেই বিভিন্ন কেপিএমের সম্পদ নষ্ট করছে। এগুলো বিরুদ্ধে সজাগ থাকায় আমার বিরুদ্ধে প্রভাবশালী একটি মহল সব সময় লেগেছে আছে। তারা কেপিএমে নিজের মত কর্মকাণ্ড করতে পারতো, চাঁদাবাজি করতে পারতো তাহলে হয়ত আমাকে এর সম্মুখীন হতে হতো না। এই প্রভাবশালীরা রাজনৈতিকভাবে আলাদা মতাদর্শিক হলেও আমার বিরুদ্ধে একই সূত্রে গাঁথা।

সম্প্রতি অকেজো ও পরিত্যক্ত মালামাল বিক্রয়কে কেন্দ্র করে অনিয়মের অভিযোগ দুইদিন ধরে বেশ আলোচনায় ছিলো কেপিএম। থানা পুলিশ, প্রশাসন ও কেপিএম সূত্রে জানা গেছে, দেশের একমাত্র রাষ্ট্রয়ত্ব এই কাগজকলটিতে দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা অকেজো মালামাল, অব্যবহৃত মালামাল স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রয়ের টেন্ডার আহ্বান করে মিল কর্তৃপক্ষ। টেন্ডারের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে মালামাল ক্রয় করেন চট্টগ্রামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইকবাল হোসেন এন্ড সন্স। বিক্রয়াদেশ ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ মার্চ ৩০ দিনের মাথায় মালামাল নিজ খরচে বুঝে প্রতিষ্ঠানটিকে নির্দেশনা দেয় কেপিএম। এরই প্রেক্ষিতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি তিনটি ট্রাক ভর্তি করে এসব মালামাল নেওয়ার সময় সন্দেহবশত ট্রাক তিনটি আটক করেন স্থানীয়রা। পরে ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশ, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টরা কাগজপত্র যাচাই শেষে তিন ট্রাক মালামাল ছেড়ে দেন। স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রয় মালামালের মধ্যে রয়েছে, অকেজো এমএস সেগমেন্ট রোলার চেইন, টেবিল ভাইস টুলস্, অকেজো রোলার, বল বিয়ারিং, অকেজো জিআই তার, অকেজো লৌহজাতীয় লাইট স্ক্র্যাপ, নিশান ফর্ক লিপ্ট, টওইউটা ফর্ক লিপ্টের (জাপান) ৪০ ধরণের যন্ত্রাংশ, নরমাল নাইভ চিপার, ফ্লাই নাইভস্, ডেট নাইভস্, সাইট প্লেট, পুরোনো চিপার বাক্স ও ফ্লাই নাইভ্স। ৫ শতাংশ ভ্যাট ও ৪ শতাংশ আয়কর বাবদ বিভিন্ন হারে বিক্রয়কৃত এই মালামালের সর্বমোট মূল, ২৫ লাখ ৪৬ হাজার নয়শ একান্ন টাকা।

কেপিএম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিক্রয়কৃত মালামলের মধ্যে বেশকিছু মালামাল দেখতে চকচকে নতুন হলেও যেহেতু এখন বর্তমানে অকেজো। এসব মালামাল কেপিএম চালুর পর ১৯৬৯-৭০ সাল থেকে শুরু করে ১৯৮৪-৮৫ সাল পর্যন্ত ব্যবহার করা গেছে। বর্তমানে যে মেশিনে এই মালামালগুলো ব্যবহার করা যেতো, সেটিতে এখন উৎপাদন বন্ধ। পুরোনো মডেলের এসব যন্ত্রাংশ ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় এসব অকেজো হিসেবে বিক্রয় করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে চন্দ্রঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবী জানান, স্থানীয়রা মালামাল আটক করে আমাকে খবর দেয়। পরে আমরা ঘটনাস্থলে আমি যাই এবং পুলিশ ও প্রশাসনকে খবর দিই। রাতেই তিন ট্রাক মালামাল আটক করে পুলিশ। পরে আটকের ২৪ ঘন্টা থানা পুলিশ যথাযথ কাগজপত্র আছে, এই মর্মে মালামাল ছেড়ে দেয়। কিন্তু কথা হলো কাগজপত্র যদি সঠিকই থাকে তাহলে এগুলো উপস্থাপন করতে তো দুইদিন সময় লাগার কথা না। আর এমডি কেপিএমে নজিরবিহীন অনিয়ম-দুর্নীতি করে চলছে। সে আসার পর কেপিএমের উৎপাদন অনেক কমে গেছে। এমডি সাহেব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আতাত করে মিল ধ্বংসের পায়তারা করে চলছে।

এ প্রসঙ্গে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশ্রাফ আহমেদ রাসেল জানান, সম্প্রতি পরিত্যক্ত ও অকেজো মালামাল ভর্তি তিন ট্রাক স্থানীয়রা বারঘোনিয়া গেইটের সামনে আটক করে। পরে থানা পুলিশ মালামালের কাগজপত্র যাচাই-বাচাই আটকের দুইদিন পরে ছেড়ে দিয়েছে।

কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছির উদ্দিন জানান, গত ১২ ফেব্রুযারি রাতে এলাকার লোকজন সন্দেহবশত তিনটি ট্রাক ভর্তি বিক্রয়কৃত অকেজো, পরিত্যক্ত মালামাল আটক করে। পরে আমরা তিনটি ট্রাক থানা হেফাজতে নিয়ে আসি। বিক্রয়কৃত মালামালের টেন্ডার প্রক্রিয়া, চালান, গেইটপাশসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হয়। কাগজপত্র সঠিক থাকায় ১৪ ফেব্রুয়ারি উপজেলা পরিষদ মাঠ প্রাঙ্গণ থেকেই তিন ট্রাক ভর্তি মালামাল ইউএনও, এএসপি স্যারসহ জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে কেপিএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী ড. এমএমএ কাদের বলেন, আমরা টেন্ডার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই কাজটি শুরু করেছি। পরবর্তীতে স্ক্র্যাপ মালামাল বিক্রয়ের বিষয়ে বিসিআইসি’র অনুমতি ক্রমেই এসব বিক্রি করা হয়েছে। আমরা এবার পরিত্যক্ত মালামাল আগের চেয়ে অনেক বেশি দামে বিক্রয় করেছি। এখানে কোনো ধরণের অনিয়মের সুযোগ নেই। স্থানীয় একটি সংঘবদ্ধ চক্র আমি এখানে আসার পর থেকেই চাঁদাবাজি অনিয়ম করতে পারছে না। তারা পরিত্যক্ত, অকেজো মালামাল বিক্রয়কে কেন্দ্র করে এক ধরণের ঘোলাটে পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। কিন্তু এখানেও তারা পেরে উঠতে পারেনি। কেপিএম এলাকায় বসবাসরত অনেকেই কেপিএমকে জিম্মি করে রাখতে চায়।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button