নীড় পাতা / পাহাড়ের রাজনীতি / পাহাড়ে নির্বাচনের হাওয়া / মনিস্বপনের আয় কমেছে,বেড়েছে সঞ্চয়

মনিস্বপনের আয় কমেছে,বেড়েছে সঞ্চয়

২০০১ সালে অষ্টম সংসদ নির্বাচনে বিএনপির হয়ে নির্বাচন করেন মনিস্বপন দেওয়ান। এরপরের নির্বাচনে ২০০৬ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে তিনি এলডিপির হয়ে মনোনয়ন জমা দেন। যদিও পরবর্তীতে সেই নির্বাচনের তফসিল বাতিল করা হয়। তবে ২০০৮ নির্বাচনে তিনি মনোনয়ন জমা দিলেও শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেননি। তবে সেই নির্বাচনের মনোনয়নপত্রে তিনি হলফনামায় নিজের আয় কৃষি, ব্যবসা ও শেয়ার থেকে ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা আয় দেখালেও বর্তমানে তাঁর আয় কমে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে। তবে ২০০৮ সালে তাঁর কোনও সঞ্চয়পত্র না থাকলেও বর্তমানে ২০ লক্ষ টাকা এবং স্ত্রী’র নামে সেই সময় সঞ্চয়পত্র ১৭ লাখ টাকা জমা থাকলেও বর্তমানে সেটা দ্বিগুণ হয়ে ৩৪ লাখ টাকা গিয়ে দাঁড়িয়েছে।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উল্লিখিত হলফনামায় ব্যাংক কোন টাকা জমা না থাকলেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দেখানো হয়েছে এবং স্ত্রীর নামে ব্যাংকে ৩০ লক্ষ টাকা দেখানো হয়েছে যা নবম জাতীয় সংসদে ছিল না। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের নামে কোন সঞ্চয়পত্র জমা না থাকলেও একাদশ সংসদ নির্বাচনে ২০লক্ষ টাকা দেখানো হয়েছে এবং স্ত্রীর নামে সঞ্চয়পত্র ১৭ লক্ষ ৪৩ হাজার থাকলেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তা গিয়ে দাঁড়ায় ৩৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। এভাবে প্রতিটি ক্ষেত্রে অর্থ সম্পদ বৃদ্ধি হয় বর্তমানে রাঙমাটি বিএনপি’র প্রার্থী মনি স্বপন দেওয়ান।

২০০১ সালে হঠাৎ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে নির্বাচিতি হয়ে উপ-মন্ত্রীর মর্যাদাও লাভ করেন এবং ২০০৬ সালে তিনি বিএনপি ছেড়ে কর্ণেল অলীর নেতৃত্বাধীন এলডিপিতে যোগদান করেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মধ্যে তাকে নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয় এবং পরে ঢাকা অফিসে বিএনপিতে যোগদান করে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন তিনি। মনি স্বপন দেওয়ান ও দীপেন দেওয়ানের মধ্যে কে বিএনপির প্রার্থী হচ্ছেন, এখনো সেটা জানে না কেউ।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন অফিসে তথ্য অনুযায়ী অস্থাবর কৃষি খাতে বাৎসরিক আয় ৫০ হাজার টাকা ও ব্যবসায় ৭ লক্ষ টাকা। অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে নগদ টাকা ১০ টাকা, স্ত্রীর ৫ হাজার টাকা। সঞ্চয়পত্র স্ত্রীর নামে ১৭ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা। মোটরগাড়ি ১টি যার বাজার মূল্য ধরা হয়েছিল ৬ লক্ষ ৫০ হাজার। স্ত্রীর কাছে স্বর্ণ ১০ ভরি। ইলেকট্রনিক পণ্য সর্বমোট ৫ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। আসবাবপত্র সর্বমোট ১ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে অকৃষি জমি ৬ হাজার বর্গফুটের আবাসিক প্লট যার বাজার মূল্য ৬০ হাজার টাকা। স্ত্রীর নামে ৩ একর জমি মূল্য ৬ লক্ষ টাকা। দালান আবাসিক ১টি যার বাজার মূল্য ১২ লক্ষ টাকা। সেমিপাকা ১টি ৩ হাজার টাকা।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হলফনামা কৃষি খাতে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও ব্যবসায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং সঞ্চয়/ শেয়ারের জন্য ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দেখানো হয়েছে। অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে নগদ টাকা ১০ লক্ষ টাকা, স্ত্রীর নামে ৭০ হাজার টাকা। ব্যাংকে জমাকৃত অর্থের পরিমান নিজের নামে ১৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, স্ত্রীর নামে ৩০ লক্ষ টাকা। নিজের নামে সঞ্চয় ২০ লক্ষ টাকা, স্ত্রীর নামে ৩৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ১টি পুরোন কার ৭ লক্ষ টাকা। ১টি স্পিড বোড ৮ লক্ষ টাকা। স্ত্রীর কাছে স্বর্ণ ৫ ভরি। ইলেকট্রনিক পণ্য ১টি মাইক্রোওভেন, ১টি টিভি, ১টি ফ্রিজ, ১টি ওয়াশিং মেশিন যার বাজার মূল্য উল্লেখ আছে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। আসবাবপত্র খাট ২টি, সোফা ২ সেট ডাইনিং টেবিল ১টি, ডেসিং টেবিল ১টি আলমিরা ১টি যার বাজার মূল্য উল্লেখ আছে ১ লক্ষ টাকা।

স্থাবর সম্পত্তি হলো অকৃষি জমি ১৮ একরের মধ্যে ১৪ একর উত্তরাধীকর সূত্রে বাকী ৪ একর ক্রয় সূত্রে যার বাজার মূল্য ২ লক্ষ টাকা। বাড়ি যার বাজার মূল্য ১৮ লক্ষ টাকা। মিশ্র ফলের বাগান যার বাজার মূল্য ৫ লক্ষ টাকা।

আরো দেখুন

জেএসএস চুক্তিবিরোধীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলেছে

জনসংহতি সমিতি স্ববিরোধী বক্তব্য দিচ্ছে অভিযোগ করে ২৯৯নং আসনের আওয়ামীলীগের সংসদ প্রার্থী দীপংকর তালুকদার বলেছেন, …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

five × five =