রাঙামাটিলিড

মদের কারখানা দিয়ে চট্টগ্রামে বিলাসি জীবনে রাঙামাটির ছয় বাসিন্দা

ডেস্ক রিপোর্ট ॥
নগরের পাঁচলাইশের খতিবেরহাট এলাকায় বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকছেন খাচ্ছেন। পড়ালেখা করাচ্ছেন ছেলে মেয়েদেরও। দৃশ্যত তাদের কোন আয় কিংবা চাকরি না থাকলে দুই দুটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে জীবন যাপন করতে কোন সমস্যায় পড়তে হতো না। মসজিদ ও কবরস্থানের পাশের বিল্ডিংয়ে ফ্ল্যাট ভাড়া নেওয়ায় দেড় বছর ধরে এভাবে ফ্ল্যাটে থাকলেও কেউ কিছু টের পায়নি। তবে পুলিশের অভিযানে বের হয়ে এসেছে তাদের জীবনের আসল রহস্য।

রবিবার ভোররাতে ৫ম তলার ওই দুটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে পুলিশ আবিষ্কার করে দেশি মদের কারখানা। সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ ও মদ তৈরির উপকরণসহ ৬ উপজাতিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তাররা হলেন, উচিং থোয়াই মারমা (৪৪), মাসাং মারমা (৪০), উথোয়াইচিং মারমা (৩৩), মেতু মারমা (৪০) ও আছেমা মারমা (৩০) ও ইসাইমং মারমা (২০)। তাদের সকলের বাড়ি রাঙামাটি। এসময় ৭০৬ লিটার দেশীয় মদ এবং মদ তৈরির উপকরণ ও সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।

সিএমপির এডিসি (উত্তর) আবু বক্কর সিদ্দীক সিভয়েসকে বলেন, খতিবের হাট এলাকায় মসজিদের পশ্চিম পাশে কবরস্থানের পিছনে একটি বিল্ডিংয়ের ৫ম তলার দুটি ফ্ল্যাট ভাড়া করে দেড় বছর ধরে বাস করে আসছিলেন। তাদের দৃশ্যত কোনও পেশা বা আয় না থাকলেও তারা সুন্দরভাবে জীবন যাপন করে আসছেন। ছেলে মেয়েদেরও স্কুলে লেখাপড়া করাচ্ছেন। পাশের ফ্ল্যাটের লোকজন কিছু টেরই পায়নি তারা সেখানে কি করতেন।

তিনি আরও বলেন, পুলিশ যখন রাতে অভিযান চালিয়ে মদের কারখানা আবিষ্কার করে তখনই সবার চোখ কপালে উঠার মত। দেড় বছরও কেউ জানতো না দুই ফ্ল্যাটে মদ তৈরি হতো। দৈনিক পাঁচ ছয় কেজি করে মদ উৎপাদন করে নির্দিষ্ট ক্রেতার কাছে বিক্রি করে আসছিলেন তারা। এটাই মূলত তাদের পেশা।

তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে এনে আরও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে বলে জানিয়েছেন এডিসি বক্কর।

তথ্যসূত্র- সিভয়েস

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button