নীড় পাতা / ব্রেকিং / ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত বন্ধের আহ্বান ঊষাতনের
parbatyachattagram

মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা’র ৩৬তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভায়

ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত বন্ধের আহ্বান ঊষাতনের

মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা’র ৩৬তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় রাঙামাটির সাবেক সাংসদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ঊষাতন তালুকদার বলেন, ‘এই মহান দিনে সকল পক্ষকে আহ্বান করছি নিজেদের মধ্যে যে ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত ও হানাহানি বন্ধ করুন। হানাহানি ও ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত বাদ দিয়ে সকলকে ঐক্যবন্ধ মানব কল্যানের জন্য কাজ করি। পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি প্রতিষ্ঠায় সকলকে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।’

রবিবার সকালে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা’র ৩৬তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে প্রভাত ফেরি বের করা হয়। প্রভাত ফেরিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শিল্পকলা একাডেমীতে এসে শেষ হয়। প্রভাত ফেরি শেষে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার অস্থায়ী বেদিতে ফুল দিতে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে একই স্থানে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্মরণ সভায় ঊষাতন তালুকদার আরো বলেন, ‘দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্রের কারণে এমএন লারমাকে হত্যা করা হয়েছিল। এখনো ষড়যন্ত্র হচ্ছে। শান্তি চুক্তি বাস্তবানের ধীর গতির কারনে জুম্ম জনগন তার অধিকার আদায়ের চেষ্টা করে যাচ্ছে তার মানে এই নয় তারা পার্বত্য চট্টগ্রামকে দেশ থেকে বিছিন্ন করার চেষ্টা করছে। বিষয়টিকে কেউ নেগেটিভভাবে না নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি রাঙামাটি জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত আলচনা সভায় নিকোলাই পাংখোয়ার সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদার, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সভাপতি প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা, শিক্ষাবিদ মংসানু চৌধুরী, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য গৌতম কুমার চাকমা প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৩ সালের ১০ নভেম্বর খাগড়াছড়ি জেলার ভগবান টিলা এলাকায় একদল বিভেদপন্থীর হাতে আট সহযোদ্ধাসহ নিহত হন এমএন লারমা। এমএন লারমা ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত প্রথম সংসদ সদস্য। বাংলাদেশের সংবিধানে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবিতে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছিলেন এমএন লারমা। এরপর ১৯৭২ সালের ৭ মার্চ পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তার নেতৃত্বে গঠিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালের ৭ জানুয়ারি গঠিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সশস্ত্র সংগঠন ‘শান্তি বাহিনী’। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি ও অঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধি প্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমার বড় ভাই।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

হঠাৎ স্থগিত সম্মেলন, সংশয়ে রাঙামাটি আওয়ামীলীগ

দৃশ্যত: বড় কোন কারণ ছাড়াই রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের ৭ বছর পর অনুষ্ঠিতব্য রাঙামাটি সম্মেলন স্থগিত …

Leave a Reply