পাহাড়ে নির্বাচনের হাওয়াব্রেকিংরাঙামাটিলিড

ভোটের হাওয়া এবং আমার শহর…

সকাল সকাল সুটেড বুটেড হয়ে বের হয়ে পড়তে দেখতাম বাবাকে।সবার আগে ভোট দিতে হবে।ফিরে এসে আপু ভাইয়াদের ঝারির উপরে রাখতো “ভোট দিবিনা মানে অবশ্যই ভোট দিতে হবে”।ভোট মানে সেই বুঝেছিলাম ভোট মানে এমন একটা কিছু যেখানে আমি তুমি সে সবাই খুব গুরুত্বপূর্ন।একজন মানেই অনেককিছুই।সুতরাং ভোট দিতেই হবে।মায়ের হাত ধরে ভোটকেন্দ্রে গেছি ভোট দেয়া দেখতে।আমায় কি আর ঢুকতে দেয়!মন খারাপ করে ঘরে ফেরা আমায় ভোট কিভাবে দেয়,ভোট আসলে কি জেনেছিলাম বাবার কাছেই।আমার ভীষন জ্ঞানী বাবা পুরনো কাগজ হাতে নিয়ে শিখিয়েছিলেন কিভাবে ব্যালট পেপার ভাজ করতে হয়।কিভাবে চুপিচুপি ভোট দিতে হয়।সিলটা জানানো যাবেনা কোন ভাবেই। প্রচন্ড হার কাপানো শীত শহরে।নিশ্চুপ পথঘাটের মাঝেই গুনগুন করছে ঈদের আগের রাত্রির মত আমেজ।আপনার একটা ভোটেই হয়তো নির্ভর করছে অনেক কিছু।দেশ কে খুব মনে প্রাণে ধারন করলে বোধ হিসেবে এই মুহুর্তে প্রতিটা বাঙালীর মনে একই সুর।প্রচারণা শেষ হয়ে গেছে গত সকালেই।গাড়িও থেমে গেছে।সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন এখন দায়িত্ব আপনার ঘাড়ে।আমার ভোটে আর কি আসবে যাবে,না ভেবে ভোট কেন্দ্রে যান নিজের ভোট নিজে দিবেন।যাকে খুশি তাকেই দিবেন।দেশ আপনার,সিদ্ধান্তও আপনার।যে কোন অরাজকতা দেখলে মনেহলো সন্দেহ হলেই জানাতে পারেন নিরাপত্তা বাহিনী কে।প্রিজাইডিং অফিসারকে।তরুন প্রজন্ম খুব উৎসাহ নিয়ে ভোট দিতে যাবে স্বাভাবিক কিন্তু অতি উৎসাহ যেন সহিংসতার কারণ না হয়।নির্বাচনে হার জিত থাকবে কিন্তু দিনশেষে দেশ আমার আপনার এই শহরও আমার আপনার দিন ফুরোলেই আমরাই আমাদের দেখবো।সহিংসতা নয় সুন্দরতা হোক মানসিকতা।দেশ গড়ার দায়িত্ব শহরের দায়িত্ব আমরা তাকেই দিব যাকে নিজ নিজ জায়গা থেকে আমাদের যোগ্য মনেহবে।জোর নয় কারচুপি নয়।শহর আমাদের। শহরের গায়ে না লাগুক কালিমা।নির্বাচনী উৎসব সফল হোক এই পাহাড়েও সুন্দরতায়….

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button