নীড় পাতা / ব্রেকিং / ‘ভাশুরের নাম মুখে নেয়া নিষেধ’
parbatyachattagram

খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরি চৌধুরী

‘ভাশুরের নাম মুখে নেয়া নিষেধ’

ফাইল ছবি

‘বাংলায় একটা প্রবাদ আছে ভাশুরের নাম মুখে নেয়া নিষেধ। আজ এই সভায় এসে আমার সে কথাটিই মনে করিয়ে দিলে। পাহাড়ে চাঁদাবাজি, খুন, অপহরণ হচ্ছে, কিন্তু কারা করছে তার নাম কেউ বলছেনা।’

তিন পার্বত্য জেলার বিশেষ আইন শৃঙ্খলা সভায় এমন মন্তব্য করেছেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘পাহাড়ের মানুষ এখন এক ক্রন্তিকাল পাড় করছে। এখানে মানুষের মুখ অস্ত্রবাজরা বন্ধ করে রেখেছে। চাঁদার কারণে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠে গেছে, কিন্তু মুখে বলতে পারছেনা। আর বলবেইবা কিভাবে ? তার নিরাপত্তা দেবে কে ? আজ বলবে, কাল হয়তো তার লাশ পাওয়া যাবে !’

তিনি বলেন, ‘এখানে শহরে বসবাসকারীরা কিছুটা নিরাপদ হলেও গ্রামে যারা বসবাস করেন তাদের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। কলার ছড়া হতে ইমারত নির্মাণ সব জায়গায় চাঁদা। এখানে কারা বিশ্ববিদ্যালয় চায় না, মেডিকেল কলেজ চায় না, তা সকলের জানা। কেন চায় না তাও জানা।

এখন সময় সময় এসেছে আমাদের বলতে হবে, জানাতে হবে, না হয় মরতে হবে। কি করবেন তা আপনাদেরই সিদ্ধানা নিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রথাগত প্রতিনিধিদের অবস্থা আরো নাজুক, আমিও একজন হেডম্যান, আমি বুঝি কি অবস্থা চলছে পাহাড়ে। আমরা বিচার করতে পারিনা, ঐ অস্ত্রধারিরা সকল বিচার করে, তাদের মন মত বিচার করে সেটাই সকলকে মানতে হয়। আমাদের করার কিছু থাকেনা। এভাবে চলতে পারেনা। এর একটা প্রতিকার দরকার।’
তিনি বলেন, ‘ সরকার অনেক সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন, আমি আর একটা পদক্ষেপ নিতে বলবো, তা হলে জেলা পরিষদ নির্বাচন দিন। পদক্ষেপ নিন, দেখা যাক কি হয়। অনেক সমস্যাইতো সমাধান হয়েছে।
যদি কোন প্রতিবন্ধকতা আসে তখন আমরাও সরকারের সাথে থাকব। জেলা পরিষদ নির্বাচন হলে আঞ্চলিক পরিষদেও নির্বাচন হয়ে যাবে। জনপ্রতিনিধিদের জনগনের কাছে জবাবদিহি করতে হয়। তখন যা মন চায় তা করতে পারবে না। সর্বোপরি আমরা এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে চাই। সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে সরকার, তার প্রমান এই বিশেষ সভা। আমি আশার আলো দেখতে পাচ্ছি, অচিরেই হয়তো এ অবস্থা থেকে পরিত্রান পাবে পাহাড়ের সাধারণ মানুষ।’

Micro Web Technology

আরো দেখুন

সৌদি ফেরত কাউখালীর দুই নারীর মুখে নির্যাতনের কথা

রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার মর্জিনা বেগম (৫০) (ছদ্মনাম)। তিন সন্তানের জননী। বাস করেন উপজেলা সদরের নিকটবর্তী …

Leave a Reply