রাঙামাটিলিড

‘বাবাকে টেনে হিচড়ে বাইরে বের করে গুলি করে সন্ত্রাসীরা’

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
‘রাতে একদল সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনী ঘরের দরজায় টোকা দিয়ে দরজা খুলতে বলে। কিন্তু দরজা খুলতে আমরা অপারগতা জানালে তারা পিছনের দুইটি দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে বাবাকে টেনে হিচড়ে বাইরে নিয়ে যায়, এসময় আমরা বাধা দিতে গেলে আমাকেও মারধর করে। একপর্যায়ে বাবাকে মারধর শেষে গুলি করে চলে যায় সন্ত্রাসীরা।’ এভাবে নেথোয়াই মারমাকে হত্যার বর্ণনা করছিলেন তাঁরই পুত্র থামিচি মারমা। তিনি বলেন, ‘ক্যাডাররা জলপাই রঙের পোশাক পরিহিত থাকায় ধারণা করা হচ্ছে তারা জনসংহতি সমিতির লোক।’

এর আগে চিৎমরম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নেথোয়াই মারমা শনিবার সকালে চিৎমরম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে শনিবার মনোনয়নপত্র জমা দেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা রেস্ট হাউজে অবস্থান করলেও শনিবার মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে নিজ এলাকায় অবস্থান করেন এবং শনিবার মধ্যরাতে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

এদিকে রাতে গুলি করে হত্যার পর পুলিশ লাশ উদ্ধার করে রোববার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য রাঙামাটি হাসপাতালে প্রেরণ করে। দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়।

হাসপাতালে নেথোয়াই মারমার মরদেহ দেখতে গিয়ে হত্যার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাজি মুছা মাতব্বর। তিনি বলেন, পাহাড়ে নির্বাচন আসলে আঞ্চলিক দলগুলি অবৈধ অস্ত্রের মাধ্যমে প্রার্থীদের জিম্মি, হত্যা ও গুম করে। এই ঘটনার সাথে সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতি জড়িত জানিয়ে দুই একদিনের মধ্যে অবৈধ অস্ত্রধারী ও খুনিদের গ্রেফতারে কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button