করোনাভাইরাস আপডেটবান্দরবানব্রেকিংলিড

বান্দরবানে কোয়ারেন্টিনে ১১০, স্বাভাবিকতায় ফিরেছেন ২৭

করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বান্দরবানে সরকারী-বেসরকারী উদ্যোগে দরিদ্র, অসহায়, শ্রমজীবি মানুষদের মাঝে খাদ্য সামগ্রি সরবরাহ করা হচ্ছে। জেলায় হাসপাতাল এবং হোম কোয়ারেন্টাইনের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ১১০ জনে। ইতিমধ্যে ১৪ দিনের সময়সীমা পূর্ন করে স্বাভাবিক হয়ে বাড়িতে ফিরেছে ২৭ জন। আজ সোমবার সকালে বান্দরবান পৌরসভায় করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় দরিদ্র, অসহায়, শ্রমজীবি মানুষের জন্য সরকারী বরাদ্দের খাদ্য সামগ্রি হস্থান্তর করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মো: ইসলাম বেবী, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কাজল কান্তি দাস এবং পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বান্দরবান জেলার ২শ মেট্টিকটন খাদ্যশস্য, ৫০ লাখ টাকা এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৪৭ মেট্টিকটন চাল এবং ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও সেনাবাহিনীর নিজস্ব তহবিল থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়াও সামাজিক, রাজনৈতিক সংগঠন এবং ব্যক্তি উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রি সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রত্যেক পরিবারকে ১০ কেজি চাল, তেল, ডাল, লবণ, সাবান’সহ প্রয়োজনীয় সামগ্রি সরবরাহ করা হচ্ছে। অপরদিকে দমকল বাহিনী এবং সেনাাহিনীর গাড়িতে করে জীবানুনাশক তরল ছিটানো হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডিক্লিন এবং রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগেও ছিটানো হচ্ছে তরল জীবানুনাশক। সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতা বাড়াতে প্রায় ৩ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছে।
পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেন, তিন পার্বত্য জেলার গরীব অসহায় মানুষদের জন্য ৬’শ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য ও দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সতর্কতার কারণে আমরা সকল প্রকার গনপরিবহণ, হাট বাজার বন্ধ করেছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক করোনা পরিস্থিতির কারণে যাতে কোনো পরিবার খাবারে কষ্ট না পায়। তার জন্য দরিদ্র, অসহায়, শ্রমজীবি মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে ত্রাণ সামগ্রী পৌছে দেয়ার কাজগুলো করছে সরকারী সংস্থাগুলো।
সিভিল সার্জন ডা: অংসুপ্রæ মারমা বলেন, বান্দরবানে ১১০ জন কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে। এদের মধ্যে ৯ জন রয়েছে হাসপাতালে। বাকিরা হোম কোয়ারান্টাইনে রয়েছে। বিদেশ থেকে আসা লোকজন বাড়তে থাকায় কোয়ারেন্টিনের সংখ্যা বাড়ছে। তবে ইতিমধ্যে ১৪ দিনের সময়সীমা পূর্ন করে স্বাভাবিক হয়ে ফিরেছেন ২৭ জন। এখনো পর্যন্ত জেলায় কোনো করোনা রোগী সনাক্ত হয়নি।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button
Close