বান্দরবানব্রেকিং

বান্দরবানের স্বাস্থ্য সহকারীর লাশ মিললো বাঁশখালীতে

বান্দরবানের রুমা সড়কে পাহাড় ধসে নিখোঁজ পরিবার পরিকল্পনা স্বাস্থ্য সহকারী মুন্নি বড়ুয়া (৩৫) লাশ মিললো বাঁশখালী নদীতে। মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলমগীর জানান, বৃষ্টিতে বাঁশখালী নদীতে ভেসে আসা একটি নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। অজ্ঞাত পরিচয়ের লাশের ছবি থানার ফেসবুক পেইজে দেয়ার পর জানা গেছে এ লাশটি বান্দরবানের রুমা সড়কে পাহাড় ধসে গত রোববার নিখোঁজ হওয়া স্বাস্থ্য সহকারী মুন্নি বড়ুয়ার (৩৫)। তাঁর স্বামীর নাম অমর বড়–য়া। লাশের ছবি দেখে পরিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

নিহতের ছোটভাই সাংবাদিক রাহুল বড়ুয়া ছোটন বলেন, বাঁশখালী নদীতে পাওয়া লাশটি আমার বড় বোনের। গতরোববার চাকরিতে কর্মস্থলে যাবার সময় রুমা সড়কে পাহাড় ধসে আমার বোনসহ ৫ জন নিখোঁজ হয়। পাহাড় ধসে ছড়ার পানিতে ভেসে লাশটি সাঙ্গু নদী হয়ে ভেসে যায় বাঁশখালীতে।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট অফিসার ইকবাল হোসেন জানান, নিখোঁজদের মধ্যে চিংমে হ্লা (১৮) এবং মুন্নি বড়–য়া (৩৫) দু’জনের লাশ পৃথকস্থান থেকে পাওয়া গেছে। এখনো নিখোঁজ আরো ৩ জন। কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা গৌতম নন্দী, ডাক বিভাগের কর্মচারী মো: রবিউল এবং পাড়া কার্বারি ছাত্রী উমেচিং মারমা। নিখোঁজদের খোঁজে পাহাড় ধসের ঘটনাস্থলের আশপাশের উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে বৃষ্টির কারণে উদ্ধার তৎপরতা কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।

প্রসঙ্গত: গতরোববার ২৩ জুলাই বান্দরবানের রুমা সড়কের দলিয়ান পাড়া এলাকায় দুটি বাসের যাত্রীরা বাস পরিবর্তনের জন্য পাহাড় ধসে বিধস্ত ভাঙ্গা সড়কপথ পায়ে হেঁটে পার হওয়ার সময় বৃষ্টিতে পাহাড় ধসে ৫ জন নিখোঁজ হয়। আহত অবস্থায় ৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজদের মধ্যে প্রথমদিনেই ঘটনাস্থল থেকে পাড়া প্রধান মংশৈহ্লা কার্বারির ছোট মেয়ে ছাত্রী চিংমে হ্লা (১৮) এবং তৃতীয়দিন অমর বড়–য়ার স্ত্রী মুন্নি বড়–য়া (৩৫) লাশ বাঁশখালী নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button