নীড় পাতা / ব্রেকিং / বাঘাইছড়ি হামলার নেপথ্যে…
parbatyachattagram

বাঘাইছড়ি হামলার নেপথ্যে…

পঞ্চম উপজেলা নির্বাচনের ভোটের কাজ শেষে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়ন’র তিনটি ভোট কেন্দ্র থেকে নির্বাচন কর্মকর্তারা ফেরার পথে দুর্বৃত্তের হামলার শিকার হন। গত সোমবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে বাঘাইছড়ির নয় মাইল এলাকায় দুর্বৃত্তদের এ হামলায় সাতজন নির্বাচন কর্মকর্তা নিহত ও অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছিলো। এ হামলার নেপথ্যে কি, কে বা কারা এ প্রশ্নের বৃত্তে আলোচনা-সমালোচনা চলছে পার্বত্য অঞ্চল সহ পুরো দেশ জুড়ে।

এ হামলায় আহত আনসার সদস্য হাবিবুর ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে জানান, ‘নির্বাচনী কর্মীরা বাঘাইছড়ির সাজেক ইউনিয়নের দুর্গম কংলাক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাচালং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বাঘাইহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন শেষে একসঙ্গে বিজিবি প্রহরায় গাড়িবহর নিয়ে বাঘাইছড়ি উপজেলা সদরে ফিরছিলেন। চারটি গাড়ির মধ্যে প্রথমটিতে বিজিবি এবং পিছনের তিনটিতে নির্বাচনী কর্মকর্তারা ছিলেন। এ গাড়ি বহর যখনই বাঘাইছড়ি নয় মাইল এলাকায় এসে পৌঁছায় তখনই দুই ধিক থেকে আমাদের গাড়ির উপর ব্রাশ ফায়ার চালায় সন্ত্রাসীরা। তিনটি গাড়ি এসময় ব্রাশ ফায়ার’র সম্মুখীন হয়।’

এ হামলা কি নির্বাচনের প্রতিহিংসা:
সোমবার (১৮ মার্চ) সারা দেশের ১১৫টি উপজেলার সাথে একযোগে রাঙামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলায়ও উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবার উপজেলা নির্বাচনে জাতীয় রাজনৈতিক দল বিএনপি কোন প্রার্থী সারা দেশের কোথাও দেয়নি। ঠিক একই ভাবে রাঙামাটিতেও তাদের প্রার্থী ছিলো না। অন্যদিকে জাতীয় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ রাঙামাটির দুইটি উপজেলা ছাড়া অন্য সকল উপজেলায় প্রার্থী দিয়েছে। এ দুই উপজেলার মধ্যে একটি হচ্ছে বাঘাইছড়ি। আওয়ামী লীগ বাঘাইছড়িতে প্রার্থী না দেয়ায় এ উপজেলায় শুধুমাত্র নির্বাচনে অংশগ্রহন করেন পাহাড়ের দুইটি আঞ্চলিক দল।

নির্বাচনে অংশ নেন আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি(জেএসএস-সন্তু লারমা) সমর্থিত প্রার্থী বড়ঋষি চাকমা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) শীর্ষ নেতা সুদর্শন চাকমা।

এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায় আওয়ামী লীগ বাঘাইছড়িতে প্রার্থী না দেয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে সম্প্রতি জাতীয় নির্বাচনে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা) আওয়ামীলীগের পক্ষে উপজেলায় কাজ করেন। তাই আওয়ামী লীগ গোপনে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) সমর্থিত প্রার্থী সুদর্শন চাকমকে সমর্থন জানিয়ে এ উপজেলায় প্রার্থী দেননি।

অন্যদিকে নির্বাচনের অংশ নেয়া এ দুই আঞ্চলিক দলের মধ্যে পূর্ব শত্রুতা চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। তার মধ্যে উপজেলা নির্বাচন হয়ে ওঠে তাদের মধ্যে একটি চ্যালেঞ্চ।

সোমবার নির্বাচনের দিন ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার মাত্র দুই ঘন্টার মাথায় নির্বাচনের বিভিন্ন অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি(জেএসএস-সন্তু লারমা) সমর্থিত প্রার্থী বড়ঋষি চাকমা।

তিনি বর্জনকালে তার সংগঠনের তরফে দেয়া ভোট বর্জনের বিবৃতিতে হুমকির ছাপ ছিল। সেখানে লেখা ছিলো, ‘অনতিবিলম্বে বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদের ভোটগ্রহণ স্থগিত করে পুনরায় অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়ে কেন্দ্র দখল করে নজিরবিহীন ভোট ডাকাতির নির্বাচন বাতিল করা না হলে বাঘাইছড়ি উপজেলায় যেকোনো অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতির জন্য নির্বাচন কমিশন ও সরকারই দায়ী থাকবে।’ সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সমর্থনে চেয়ারম্যান প্রার্থী বড়ঋষি চাকমার পক্ষ থেকে এভাবেই গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে হুঁশিয়ারিটি দেয়া হয়। এদিন তিন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সুমিতা চাকমা, সমীরণ চাকমা ও অমরশান্তি চাকমাও ভোট বর্জন করেন। ভোট বর্জনের মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পাহাড়ে এ ভয়ংকর নৃশংস ঘটনা ঘটে যায়।

তবে এ হামলার বিষয়ে জানতে কথা বলা সম্ভব হয়নি বড়ঋষি চাকমার সঙ্গে। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু সংগঠনটির বাঘাইছড়ি উপজেলা কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব চাকমা হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তবে স্থানীয়রা এ বিবৃতির পর থেকে ধারণা করছেন এ ঘটনার পিছনে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ও তার সমর্থিক বাঘাইছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বড়ঋষি চাকমা জড়িত থাকতে পারে।

হামলার এলাকা নিয়ে বিশ্লেষণ:
পার্বত্য অঞ্চলে বর্তমানে চারটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল রয়েছে। তারা সকলে পার্বত্য অঞ্চলের এক এক অংশে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করে অবস্থান নিয়ে আছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।

ঠিক তেমনি ভাবে বাঘাইছড়ি উপজেলার অধিপত্যের বিষয়ে বলা যায় এলাকাটি হচ্ছে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। কারণ এ উপজেলা হচ্ছে ভারতের খুবই নিকটে। তাই এই উপজেলা নিমন্ত্রণ রাখা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এরআগেও একাধীক হামলা ও ভ্রাতঘাতি সংঘাত হয়েছে বলেও জানা যায়।

বাঘাইছড়ি সদর সহ তার আশ পাশের এলাকা যদিও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা) সংগঠনের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত বলে জানা যায়। তবে বাঘাইছড়ির গুরুত্বপূর্ণ ও পর্যটন এলাকা সীমান্তবর্তী সাজেক ইউপিডিএফ (প্রসিত) এর নিয়ন্ত্রণে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

তার প্রেক্ষিতেই গত সোমবার হামলা হওয়া বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়ন’র নয় মাইল এলাকাও ইউপিডিএফ (প্রসিত) গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে বলে স্থানীয় একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেন।

তাহলে এখন প্রশ্ন জাগে ইউপিডিএফ নিয়ন্ত্রিত এলাকায় তবে কি ইউপিডিএফ হামলা চালিয়েছিলো। কিন্তু তারা হামলা করার কোন যুক্তি দাঁড় করাতে পারছে না কেউ। কারণ ইউপিডিএফ এ উপজেলা নির্বাচনে বাঘাইছড়ি উপজেলায় কোন প্রার্থী দেননি। সে প্রেক্ষিতে তারা হামলা করার কোন কারণ দেখছেন না পার্বত্যবাসী।

তবে স্থানীয় সূত্র জানান, ‘ধারণ করা হচ্ছে হামলা যখন ইউপিডিএফ নিয়ন্ত্রিত এলাকায় হয়েছে তাহলে ইউপিডিএফ (প্রসিত) গ্রুপ সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সাথে এক হয়ে এমন ঘটনা ঘটাতে পারে। কিংবা একক ভাবে জেএসএস (সন্তু লারমা), ইউপিডিএফ’র (প্রসিত) সহযোগিতায় এমন নৃশংস ঘটনা ঘটাতে পারে। কারণ দীর্ঘ দিন ধরে শোনা যাচ্ছে বর্তমানে ইউপিডিএফ (প্রসিত) গ্রুপের সাথে সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর পুরনো শত্রুতা ভুলে নতুন করে বন্ধুত্ব সৃষ্টি হয়েছে এমনই ধারনা করা হচ্ছে বলে সূত্র জানায়।

এ প্রসঙ্গে ইউপিডিএফ (প্রসিত) গ্রুপের সংগঠক মাইকেল চাকমা বলেন, ‘এলাকাটিতে আমাদের দলের সমর্থিত পাহাড়ি সাধারণ মানুষগুলো বাস করে। তাই বলে এই নয় যে আমরা এ এলাকায় বেড়া দিয়ে রেখেছি। বেড়ার কারণে সন্ত্রাসীরা এখানে ঢুকতে পারবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাঘাইছড়ির নির্বাচনে আমাদের কোন প্রার্থী ছিলো না। সেখানে সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন জেএসএস ও জেএসএস (এমএন লারমা) প্রার্থী দিয়েছে। সমস্যা করলে বা হামলা করলে তারা করবে কিন্তু এখানে ইউপিডিএফকে জড়ানো রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ।’ জেএসএস (এমএন লারমা) গ্রুপ আওয়ামী লীগের সমর্থিত দাবি করে তিনি আরো বলেন, ‘গত জাতীয় নির্বাচনে জেএসএস (এমএন লারমা) আওয়ামী লীগের সাথে সম্পর্ক করে নির্বাচনে কাজ করেছে। অন্যদিকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও জেএসএস (সন্তু লারমা) সাথে দীর্ঘদিন ধরে শত্রুতা চলে আসছে বলে জানা যায়, বিভিন্ন সভা সমাবেশে তা প্রকাশও পেয়েছে। তাই এ সমস্য আওয়ামী লীগ, জেএসএস(সন্তু লারমা) ও জেএসএস(এমএন লারমা) গ্রুপের মধ্যে। এখানে আমাদের কোন সম্পৃক্ততা নেই। এখন তো এ এলাকায় আমাদের দলকে সমর্থন করে এমন সাধারণ মানুষগুলোও হুমকির মুখে আছে। একদিকে সন্ত্রাসীদের ভয় অন্যদিকে প্রশাসন নাকি এ সাধারণ মানুষগুলোকে হয়রানি করে এটার ভয়।’

অন্যদিকে এ বিষয়ে নিবার্চনে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) প্রার্থী সুদর্শন চাকমা বরাবরই জেএসএস(সন্তু লারমা) ও ইউপিডিএফ(প্রসিত) গ্রুপকে দায়ি করে বলেন, সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএস’র প্রার্থী বড়ঋষি চাকমা নিশ্চিত পরাজয় জেনে সকালে নির্বাচন বর্জন নাটক করার পর সন্ধ্যায় সরকারি কাজে নিয়োজিতদের ওপর এই নৃশংস হামলা চালিয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস-সন্তু লারমা) বাঘাইছড়ি উপজেলা কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব চাকমা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, এই ঘটনার সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। কারণ ওই এলাকায় আমাদের কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম বা অবস্থান নেই। ওইটা পুরোটাই ইউপিডিএফের নিয়ন্ত্রিত এলাকা। আমরা যেহেতু সকালেই নির্বাচন বর্জন করেছি এবং লিখিতভাবে আমাদের অভিযোগ নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছিলাম। তাই আমরা কেন এমন কাজ করবো ? এ কাজ করার প্রশ্নেই আসে না। আমরা গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আমাদের আস্থা আছে।

হামলা ছিলো কাদের ওপর:
সোমবার (১৮ মার্চ) বাঘাইছড়ি হামলায় নিহত ও আহতদের মধ্যে প্রায় ছিলেন নির্বাচনী কর্মকর্তা এবং আইন-শৃঙ্খলার বাহিনীর সদস্যরা।

কিন্তু একটি বিশেষ সূত্রে জানা যায়, গাড়ি বহরের চারটির মধ্যে প্রথমে ছিলো বিজিবির গাড়ি। তারপর তিনটি জিপ গাড়িতে ছিলো নির্বাচনী কর্মকর্তারা। এ নির্বাচন কর্মকর্তাদের সাথে একটি গাড়িতে ছিলেন দুর্গম সাজেকের তিন ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করা পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির(এমএনলারমা) প্রার্থী সুদর্শন চাকমার এজেন্ট কর্মীরাও। তাহলে দুর্বৃত্তদের মূল টার্গেটে ছিলো কারা ? সুদর্শন চাকমার এজেন্ট কর্মীরা নয়তো?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির(এমএন লারমা) দলের এক নেতা জানান, এই গাড়ি বহরে নির্বাচন কর্মকর্তাদের সাথেই আমাদের ঐ সকল কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করা এজেন্টরা ছিলো। তারা সকলে একটি গাড়িতে করে ফিরছিলেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা) কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সুধাকর ত্রিপুরা বলেন, সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএস ও ইউপিডিএফ (প্রসিত) গ্রুপে মিলে এ হতাকান্ড ঘটিয়েছে। তারা সাধারণ সরকারি চাকরি জীবি মানুষগুলোর উপরে হামলা চালায়। এ দুটি দল দীর্ঘ দিন ধরে আমাদের উপর হামলা ও আমাদের নেতাকর্মীদেরকে হত্যা করে আসছে এখন তারা সরকারের দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের উপরেও হামলা চালিয়ে সরকারকেই একপ্রকার হামলা করলো।

এদিকে বৃহস্পতিবার রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে নির্বাচনী কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে এ ঘটনাকে ‘প্ল্যানড অ্যামবুশ’(পরিকল্পিত হামলা) বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী। তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে কথা বলে যেটা আমরা বুঝতে পেরেছি এটা প্ল্যানড অ্যামবুশ (পরিকল্পিত হামলা)। কাছ থেকে টার্গেট করেই গুলি করা হয়েছে। তবে এখনই আমরা বিস্তারিত জানাতে পারব না। আমরা সব তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছি।’

Micro Web Technology

আরো দেখুন

নির্দোষ এ সন্তানের পিতা কে?

নয় মাস আগে ধর্ষণের শিকার এক বাক-প্রতিবন্ধী নারী সন্তান প্রসব করেছে রাঙামাটির লংগদু উপজেলায়। মঙ্গলবার …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

14 − nine =