করোনাভাইরাস আপডেটব্রেকিংরাঙামাটিলিড

বাঘাইছড়ি ইউএনও’র ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

দেশে চলমান সাধারণ ছুটিতে কিছুটা বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। তাদের নিয়মিত খাদ্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে সরকার। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন ও অনেকে ব্যক্তি পর্যায়েও ত্রান সহায়তা নিয়ে খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় যাতে নিম্ন আয়ের কোন মানুষ ত্রান বঞ্চিত না হয় সে জন্য বাঘাইছড়ি উপজেলা ফেসবুক আইডি থেকে জনগণনের জ্ঞাতার্থে একটি গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট করা হয়েছে। তারা যাতে সচেতন হয়ে ত্রাণ বঞ্চিতদের নাম ঠিকানা, মেবাইল নাম্বার দেয়,সেই আহ্বান জানানো হয়েছে। এবং তাহলে উপজেলা প্রশাসন সে সব লোকদের ত্রাণ পৌছে দিবে। পোস্টটিতে বলা হয়-
  ” প্রিয় বাঘাইছড়িবাসী , আপনারা অবগত আছেন বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক সরকারী বরাদ্দ থেকে করোনার কারনে অসহায়, হতদরিদ্র ও কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের মাঝে উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছি। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন থেকে ত্রাণ বিতরণ চলমান আছে। আপনার জানামতে নিম্নোক্ত ক্যাটাগরির এমন কোন ব্যক্তি যদি থেকে থাকে যার ঘরে খাবার নেই, এখন পর্যন্ত সরকারি কিংবা বেসরকারি সাহায্য পৌছাইনি তাদের পূর্ণাঙ্গ (নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার,ওয়ার্ড নম্বর,ইউনিয়ন )কমেন্টস করে জানাবেন। আমরা তার ঘরে খাবার পৌঁছে দিব। # ভিক্ষুক # দিন মজুর # গরীব চা বিক্রেতা # নির্মাণ শ্রমিক # রেস্টুরেন্ট শ্রমিক # গরীব ভ্যান /রিক্সা চালক # কুলী# মুচী# গরীব দর্জি # বাদাম বিক্রেতা # ঝালমুড়ি বিক্রেতা # ফল বিক্রেতা # বয়স্ক/ প্রতিবন্ধী / বিধবা# পরিবহন শ্রমিক # পাগল / ভবঘুরে # দিন আনে দিন খায় যাদের নাম প্রস্তাব করবেন না # যারা 10 টাকা মূল্যের সরকারি চাল পায় # যারা সরকারি সহায়তা ভিজিডি পায় # যারা বেসরকারি উদ্যোগে প্রদত্ত ত্রাণ সহায়তা পেয়েছেন # যারা সচ্ছল পরিবার। ( জরুরী প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন এই নম্বরে বাশার- ০১৮১২১৮৪৭১৪, রিকেল- ০১৫১৫২৫৪৯৮০ সোহেল- ০১৫৫৮৯১৮১০০) বি.দ্রঃ ত্রাণ ঘরে মজুদ করার জন্য নয়। এটি অসহায় হতদরিদ্র মানুষের বেচে থাকার জন্য। আসুন আমরা সবাই মিলে অসহায় মানুষের পাশে দাড়ায়।”
পোস্ট হবার ৪৫ মিনিটেই সাত জনের নাম আসে কমেন্ট বক্সে। 
এ বিষয়ে বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহসান হাবিব জিতু মুঠোফোনে জানান, আমরা সরকারে নির্দেশনানুযায়ী তালিকা করে ত্রান বিরতণ করছি, এর পরও যদি কেউ বাদ গিয়ে থাকে তাদের জন্যই আমাদের এই উদ্দ্যোগ। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায় করতেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমরাো চাই ত্রাণ প্রয়োজন এমন একজন লোকও যে বঞ্চিত না হয়।
তিনি আরো বলেন, বৃহস্পতিবার আমার ইনবক্সে ২৪ জনের তালিকা পেয়ে যাচাই করে প্রয়োজন আছে, এমন ১৮ জনকে আমরা ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছি। এখানে যাদের নাম পাচ্ছি সেটাও যাচাই করেই হয়তো শনিবার সকালেই তাদের ত্রান পৌছে দিবো। আমার উপজেলায় ত্রাণের স্বল্পতা নেই। তাই প্রকৃত অসহায় মানুষের হাতে ত্রান পৌঁছে দিতে এটা করা হয়েছে।’
MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button
Close