আলোকিত পাহাড়ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

ফুরোমোন চূড়ায় সাহসী ৩৩ !

এদের অনেকেই কোনদিনই পাহাড়েই চড়েননি,কারো কারো পাহাড়ে চড়াই নেশা, কারো পেশা রাজনীতি,কারো চাকুরি,কেউ কেউ শুধুই শিক্ষার্থী। কারো জন্ম এই সবুজ পাহাড়েই,কেউবা ধনধাণ্যেপুষ্পে ভরা সমতল ভূমি কিংবা নদী বা সমুদ্র পাহাড়ের শহরের সন্তান। এমন বাছাই করা ৩৩ জন শুক্রবার সকালে বীরদর্পে উঠে গেলেন পার্বত্য শহর রাঙামাটিকে পাহারা দিয়ে রাখা উঁচু পাহাড় ফুরোমন’র শীর্ষে।

পার্বত্যাঞ্চলে অ্যাডভেঞ্চারকে জনপ্রিয় করতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ অ্যাডভেঞ্চার ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ অ্যাডভেঞ্চার ক্লাবের উদ্যোগে ও রাঙামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয় ‘ ফুরোমোন ট্রেকিং এক্সপিডিশন’।

শুক্রবার সকালে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের সাপছড়ি ইউনিয়নের মধ্যম পাড়ায় এই ফুরমোন এক্সপেডিশন এর উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা এনডিসি।

এসময় রাঙামাটি সদর জোনের জোন কমান্ডার লে: কর্নেল রেদুওয়ানুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ অ্যাডভেঞ্চার ক্লাবের পরিচালক মোশাররফ খন্দকার, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য আশীষ কুমার বড়–য়া, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য বাস্তবায়ন ডঃ প্রকাশ কান্তি চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। তিন পার্বত্য জেলা থেকে ২১ জন এবং অন্যান্য জেলা থেকে ১২ জন মোট ৩৩ জন ট্রেকার এসময় উপস্থিত ছিলেন।

ফুরোমোন ট্রেকিং এক্সপিডিশন শেষে বিকেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড সম্মেলন কক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা এনডিসি অংশগ্রহন কারিদের মাঝে সনদপত্র বিতরন করেন। এসময় তিনি বলেন, ‘সাহসীরাই পাহাড়ের চূড়ায় উঠতে পারে,যেভাবে সাহস নিয়ে জয়ী হতে হয় জীবনযুদ্ধেও।’ তিনি অংশগ্রহনকারিদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, এইসব কার্যক্রমের মধ্য দিয়েই বিকশিত হবে পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন শিল্প।’

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button