ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

প্রসীত খীসা ঢাকায় বসে পাহাড়ে মাস্তানি করে : তপন জ্যোতি চাকমা বর্মা

নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংতি সমিতি(এমএনলারমা)’র সহসভাপতি এডভোকেট শক্তিমান চাকমাকে গুলি করে হত্যার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে , এই হত্যাকান্ডের জন্য ইউপিডিএফ’কে দায়ি করে ইউপিডিএফ থেকে বেরিয়ে গিয়ে নতুন সংগঠন করা ইউপিডিএফ-গনতান্ত্রিক এর শীর্ষ নেতা ও সভাপতি তপন জ্যোতি চাকমা বর্মা বলেছেন, এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আরেকবার প্রমাণিত হয়েছে ইউপিডিএফ একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। ২০০০ সালে তিন বিদেশী অপহরণ সহ পাহাড়ে অসংখ্য হত্যা,খুন,গুম অপহরণ ও প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে তারা বারবার প্রমাণ করেছে,তারা পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি চায়না,এখানে অস্থিতিশীলতা বিরাজ করিয়ে ফায়দা লুটতে চায়।

তপন জ্যোতি চাকমা অভিযোগ করেন, নানিয়ারচরসহ পার্বত্য রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে দিনের পর দিন ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা ইউপিডিএফ এর ব্যাপারে সরকার বরাবরই নমনীয়। যদি সেটাই না হবে,তবে পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাসের গডফাদার প্রসিত বিকাশ খীসা কি করে রাজধানীর বুকে অবস্থান করে পাহাড়ে মাস্তানি করে বেড়ায় ! সরকার কেনো তাকে গ্রেফতার করছে না ? সরকার কি জানেনা,সে ঢাকায় কোথায় থাকে ?

অবিলম্বে ইউপিডিএফ এর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে সাবেক এই ইউপিডিএফ নেতা ও বর্তমানের নতুন দল ইউপিডিএফ-গনতান্ত্রিক এর প্রধান তপন জ্যোতি চাকমা,যিনি পাহাড়ে বর্মা নামেই সমধিক পরিচিত,তিনি বলেন, সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ইউপিডিএফ এর রাজনীতি নিষিদ্ধ করা এবং সন্ত্রাসের গডফাদার প্রসিত বিকাশ খীসাকে গ্রেফতার করা এখন পার্বত্যবাসির প্রধান দাবি।

তপন জ্যোতি চাকমা বলেন, শক্তিমান শুধু একজন রাজনীতিবিদই নয়,একজন আইনজীবি,একজন জন প্রতিনিধিও। তাকে এভাবে প্রকাশ্যে হত্যা করার পরও যদি ইউপিডিএফর এর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া না হয়,তবে সরকার ভুল করবে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

ি কমেন্ট

  1. বুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ উপদেশে প্রাণী বানিজ্য(প্রাণীকে হত্যা করা লাগে বিধায়), বিষ বাণিজ্য বা মাদক বাণিজ্য (যা দ্বারা চেতনা নাশ হয়) ও অস্ত্র বাণিজ্য (এক মুহূর্ত প্রাণে হরণ করা যায়) নিষেধ ছিল। অথচ এই ৩টি দ্বারা পাহাড়িরা আক্রান্ত। এই ৩টি বাণিজ্যই জাতিকে ধ্বংস করছে। ১৯৭৬ সালে এই উপজেলার গর্জন তলি গ্রাম থেকে আমার বড় ৫ ভাই, মা-বাবাসহ ৭ জনকে রাতের আঁধারে ধরে নিয়ে নির্মম নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছিল। মানুষ হত্যা করা জগন্য পাপ। এই পাপে ভারাক্রান্ত জাতি কী দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারবে? নারী জাতির উপর হাত তোলা আরো জগন্যতম পাপ। আমার মা স্নেহ মুখী চাকমা ১৯৪৭এর দেশ বিভাগকালীন সময়ের কিংবদন্তী স্নেহ কুমার চাকমার ছোট বোন অত্যন্ত ধার্মিক ও দয়ালু ছিলেন। বাবা তৎকালীন ভারতে চলে যাওয়া গোপাল ভূষণ চাকমা (পরে ভারতের পুলিশ কর্মকর্তা হন, বর্তমান চাকমা রাজার ১ম স্ত্রীর দিকে মামা শ্বশুর) ‘র জ্যাঠাতো ভাই ছিলেন। আমার আপন কাকা ২ জন, আপন মামা ২ জন, বাবার ২ চাচার ছেলে মেয়ে, বাবার মামাতো বোন আগরতলাসহ ত্রিপুরার অন্যান্য জায়গায় ছিল বিধায় বাবা সেখানে ঘন ঘন যেতেন। এটাই নাকি ছিল আমার বাবার দোষ।

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: