ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

প্রথম ৩ দিনেই রাজস্ব আদায় ৫৫ লাখ টাকা

দক্ষিণ এশিয়ার সর্বোবৃহৎ কৃত্রিম জলাধার রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে গত ১ আগস্ট থেকে মৎস্য আহরণ শুরু হয়েছে। মৎস্য আহরণের প্রথম দিনে ১২৮.৫৩ মেট্রিকটন মাছ আহরিত হয়, যা গত বছরের থেকে ১১ মেট্রিকটন বেশি। এ বছর প্রথম দিন ১২৮.৫৩ মেট্রিকটন মাছের মধ্যে ১৯ মেট্রিকটন বড় জাতীয় মাছ এবং ছোট জাতীয় মাছ ১০৯.৫৩ মেট্রিক টন, এ থেকে রাজস্ব আদায় হয় ২৩ লাখ ২৩ হাজার ৩শ ৩২ টাকা। গত বছর ১১৭.৩৪ মেট্রিকটন মাছের মধ্যে বড় মাছ ছিল ১৭ এবং মাছ ছিল ১০৩.৩৪ মেট্রিকটন মাছ থেকে আয় হয় ১৭ লাখ ৫৭ হাজার ৬শ ৮৯ টাকা।

দ্বিতীয় দিনে মৎস্য আহরিত হয় ৯৮.৬৫ মেট্রিক টন মাছ, যার মধ্যে বড় জাতীয় মাছ ছির ১৪ মেট্রিক টন এবং ৮৪.৬৫ মেট্রিক টন, যা গত বছরের দ্বিতীয় দিনের থেকে ৪.৬৫ মেট্রিক টন বেশি। রাজস্ব আদায় হয় ১৭ লাখ ৮৪ হাজার ৯৪ টাকা। গত বছর যা ছিল ১১ লাখ ৯৯ হাজার ৯শ ৮৬ টাকা। মাছের পরিমাণ ছিল ৭৮.৭২ মেট্রিক টন । যার মধ্যে বড় জাতীয় মাছ ছিল ১১ মেট্রিক টন এবং ছোট জাতীয় মাছ ছিল ৬৭. ৭২ মেট্রিক টন।

অপরদিকে এ বছর তৃতীয় দিনে মোট রাজস্ব আয় হয় ১৩ লাখ ৯৬ হাজার ১শ ৮৭ টাকা। ছোট জাতীয় মাছ ৬৫.৫৫ মেট্রিক টন এবং বড় জাতীয় মাছ ১১ মেট্রিক টন। মোট আহরিত মাছের পরিমাণ ৭৬.৫৫ মেট্রিক টন। তবে গত বছর কাপ্তাই হ্রদে তৃতীয় দিনে এ বছরের থেকে বেশি মাছ ধরা পড়ে। যার পরিমাণ ১০২.৫ মেট্রিক টন। যার মধ্যে ১৫ মেট্রিক টন বড় জাতীয় ও ৮৭.৫ মেট্রিক টন ছোট মাছ ছিল। যা থেকে ১৫ লাখ ৫৩ হাজার ৬০ টাকা রাজস্ব আয় হয়।

মোট হিসাবে দেখা যায়, এ বছর ৩ দিনে কাপ্তাই হ্রদ থেকে ৩০৩.৭৩ মেট্রিক টন আহরিত মাছের বিপরীতে ৫৪ লাখ ৮২ হাজার ৫শ ৭৫ টাকা রাজস্ব আয় হয়। গত বছর যার পরিমাণ ছিল ২৯৮. ৩১ মেট্রিক টন আর ৪৫ লাখ ১০ হাজার ৭শ ৩৫ টাকা।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন রাঙামাটি শাখার ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক মোঃ মহিউদ্দিন বলেন, এ বছর কাপ্তাই হ্রদে যে পরিমাণ মাছ ধরা পড়ছে. তাতে এ ধারা অব্যহত থাকলে গত বছরে রাজস্ব আয়ের থেকে বেশি রাজস্ব আয় হবে। তিনি আরও বলেন, এ বছরই প্রথম কাপ্তাই হ্রদে নিজস্ব হ্যাচারি থেকে কার্প জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। যার পরিমাণ ছিল ২৮ মেট্রিক টন। গত বছর কাপ্তাই হ্রদ থেকে ১৩ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হয়।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button