Rangamatiপাহাড়ের অর্থনীতিরাঙামাটিলিড

‘পেঁয়াজের সঙ্কট কাটাতে উৎপাদন বাড়াতে কাজ করছে কৃষি বিভাগ’

কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরণ প্রকল্পের অগ্রগতি শীর্ষক আঞ্চলিক কর্মশালা

কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরণ প্রকল্পের আওয়তায় প্রকল্পের অগ্রগতি শীর্ষক আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে রাঙামাটিতে। মঙ্গলবার দুপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এই কর্মশালার আয়োজন করেন।

সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. ফজলুর রহমান। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা খামারবাড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ক্রপস উইং এর পরিচালক কৃষিবিদ মো. মাসুদ রেজা, আরও উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা কৃষি খামারবাড়ির উপ-পরিচালক মনিটরিং মো. মিজানুর রহমান, কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. শাহ কামাল খানসহ রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবন জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও মাঠ পর্যয়ের কৃষকরা।

সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের কৃষি খাত তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে বহুদুর এগিয়ে গেছে। আমাদের মাঠ পর্যায়ের কৃষক তার ফসল উৎপাদন, পোকা মাকড় দমন থেকে শুরু করে যাবতীয় তথ্য অললাইন ও মোবাইলের মাধ্যমে পয়ে যায়। যা বহু উন্নত দেশের কৃষক চিন্তাও করতে পারে না। সরকার বাংলাদেশকে ডিজিটালে রূপান্তর করেছে। আর আমরা সরকারের এই উদ্যোগকে কৃষি ক্ষেত্র ব্যবহার করেছি। ফলে কৃষকে আর আফিসে এসে পরামর্শ নিতে হয় না, মাঠে বসেই বিনা খরচে সেবা গ্রহণ করেন। এর ফলে আমাদের দেশ খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। আমরা এখন খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। কৃষি বিভাগ অতিরিক্ত ৪৫ লাখ মেঃ টন খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এর মুল কারিগর আমাদের দেশের কৃষক। আর সাহায়ক হলো আমরা। তাই আমরা আরো অধিক পরিমানে খাদ্য উৎপাদনের জন্য আন্তরিক ভাবে কাজ করে যাব। তা তখনি সফল হবে যখন মাঠ পর্যায়ে আপনারা কাজ করবেন। অতীতে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও বর্তমানে তা আর নেই। তাই লক্ষ্য আমাদের পৌছাতে হবেই।

বক্তারা আরও বলেন, কৃষি বিভাগের আগাম আবহাওয়া বার্তার কারণে এবার হাওড় অঞ্চলের কৃষকরা নিরাপদে তাদের ধান ঘরে তুলতে পেরেছেন। আমরা সকলে সচেতন হলে কিভাবে কৃষক ফসলে ক্ষতি রোধ করতে পারে তার উত্তম উদাহরণ এটাই।

কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. শাহ কামাল খান বলেন, বৃষ্টি ও আবহাওয়া তথ্য আমরা কৃষকদের কাছে পৌছে দিতে বিভিন্ন টেলিভিশন ও রেডিও মাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা নিয়েছে একই সাথে পরবর্তীতে তাদের করণীয় কি সেই বিষয়ে তথ্য জানা যাবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিবিদ মো. মাসুদ রেজা বলেন, দেশে প্রায় সময় নিত্য প্রয়োজনী দ্রব্য আমদানি নির্ভর হওয়ায় পণ্যের দাম হঠাৎ বেড়ে যায় তাতে কৃষি ও বাণিজ্য বিভাগ কিছুটা বিপাকে পড়ে। এর জন্য এবছর থেকে সরকার পেঁয়াজ আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে কিভাবে দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়ানো যায় সেজন্য কৃষি বিভাগ কাজ করছে। সরকার যাচ্ছে পেঁয়াজ যাতে আর আমদানি করতে না হয়। অনেক সময় বেশি উৎপাদন হলে মাঠ পর্যয়ের কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কৃষকের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ভবিষ্যতে দেশে পেঁয়াজের চাহিদা পূরণের পর রপ্তানির চিন্তাও করছে সরকার।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button