খাগড়াছড়ি

‘পুষ্টিভিত্তিক খাদ্য উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কাজ করছে’

খাগড়াছড়ি প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
প্রান্তিক চাষি; যাদের কোন জমিজমা নেই, যারা অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাষ করেন, সেই রকম প্রান্তিক চাষিদের নিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও পুষ্টি উন্নয়ন তথা সামগ্রিক জীবনমান উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট। পরীক্ষামূলকভাবে খাগড়াছড়িতে এই প্রকল্পের কাজ চলছে। এই প্রকল্পে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছেন। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ বখতিয়ার খাগড়াছড়িতে এই প্রকল্পগুলো পরির্দশন করে কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

জমিজমা নেই এমন প্রান্তিক চাষি এবং যেসব কৃষক অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাষ করেন, সেই রকম প্রান্তিক চাষিদের নিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও পুষ্টি উন্নয়ন তথা সামগ্রিক জীবনমান উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট। পিআইইউ-বিএআরসি, এনএটিপি-২ এর অর্থায়নে “ফুড বেইজড ইনিটেটিভ ফর ইনপ্রোভিং হাউজহোল্ড ফুড সিকিউরিটি ইনকাম জেনারেশন এন্ড মিনিমাইজ মালনিউট্রেশন” প্রকল্পের আওয়াতায় খাগড়াছড়ি সদরের মুনিগ্রাম ও পাঁচ মাইল এলাকার প্রান্তিক চাষিদের নিয়ে শুরু করা হয় বিশেষ কার্যক্রম। পরীক্ষামূলকভাবে ৬০জন চাষিকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়। প্রত্যেক চাষিকে চারা, বীজ, সার; ইত্যাদি বিতরণ করা হয়। যার উদ্দেশ্য হলো- পুষ্টিসমৃদ চাষাবাদ বাড়িয়ে এই মানুষগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের পুষ্টি উন্নয়নে ভূমিকা রাখা। যাতে তাদের সামগ্রিক জীবনমান উন্নয়নে কাজে আসে। প্রথমে তাদের উন্নত জাতের পুষ্টিভিত্তিক গোল আলু, শিম, ব্রুকলিসহ বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিভিত্তিক শাকসবজি এবং গবাদি পশু দেয়া হয়। যাতে এলাকার কোন মানুষও অপুষ্টিতে না ভোগেন। পাশাপাশি কৃষকেরাও এই ধরনের শাকসবজি বিক্রি করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছেন।

সম্প্রতি (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ বখতিয়ার খাগড়াছড়িতে এই প্রকল্পগুলো পরির্দশন করেন। তিনি পুষ্টিসমৃদ্ধ বিভিন্ন জাতের সবজি বাগান এবং এর মাধ্যমে প্রান্তিক চাষীদের সুবিধার কথা শুনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তিনি জানান, প্রকল্পের আওতায় যে গবেষণা কার্যক্রম চলমান রয়েছে তা ভবিষ্যতে সম্প্রসারনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এরূপ প্রকল্প সারা জেলায় ছড়িয়ে দিতে পারলে সাধারণ প্রান্তিক ও পিছিয়েপড়া কৃষকদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ সময় বাংলাদেশ কৃষি গবেষনা কাউন্সিল সদস্য ও পরিচালক (মৎস্য)ড. মোঃ মনিরুল ইসলাম, পিআইইউ-বিএআরসি, এনএটিপি-২ এর পরিচালক ড. মো: হারুনূও রশীদ, বিশেষজ্ঞ ড. মো: নওশের আলী সরদার, খাগড়াছড়ি পাহাড়ি কৃষি গবেষনা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুন্সি রাশীদ আহমদ, উপ-প্রকল্পের প্রধান গবেষক ড. মো: আব্দুল জলিল উপস্থিত ছিলেন।

 

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button