ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

পুলিশের আয়োজনে মহিলা কলেজে বিতর্ক প্রতিযোগিতা

কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০১৯ উপলক্ষে রাঙামাটি জেলা পুলিশের উদ্যোগে রাঙামাটি সরকারি মহিলা কলেজে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে কলেজের হলরুমে এই বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়।

বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙামাটি সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. এনামুল হক খোন্দকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাঙামাটি জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) মো. মাঈন উদ্দিন চৌধুরী।

‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কমিউনিটি পুলিশের ভূমিকা অনস্বীকার্য’ এ বিষয়ের ওপর উক্ত বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। রাঙামাটি সরকারি মহিলা কলেজ এর বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার মডারেটর মো. সফিকুল আলমের সঞ্চালনায় উক্ত বিষয়ের পক্ষে অবস্থান করে দলনেতা সেলিনা আক্তার ও তার দল এবং বিপক্ষে অবস্থান করে দলনেতা নাছরিন আক্তার ও তার দল।

বিতর্ক প্রতিযোগিতায় পক্ষে অবস্থান করা দলের প্রথম বক্তা তার বক্তব্যে কমিউনিটি পুলিশিং এর সংজ্ঞা, বর্তমান সময়ে কমিউনিটি পুলিশিং এর প্রয়োজনীয়তা, কমিউনিটি পুলিশিং এর কার্যপ্রণালী প্রভৃতি বিষয় সুন্দর ও সাবলীলভাবে উপস্থাপন করেন। বিভিন্ন সংজ্ঞা, তথ্য, তত্ত্ব, যুক্তি প্রয়োগ ও খন্ডন, উদাহরণের মাধ্যমে বিতার্কিকরা নিজেদেরকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করেন। এসময় বিতার্কিকদের তত্ব, তথ্য, যুক্তি প্রয়োগ ও খন্ডন প্রভৃতিকে করতালির মাধ্যমে স্বাগত জানায় হল রুমে উপস্থিত আগত অতিথি ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

বিতার্কিকদের মূল বিষয়ের সংজ্ঞায়ন, উচ্চারণ, বচনভঙ্গি, তথ্য, তত্ত্ব ও উদাহারণ প্রদান, যুক্তি প্রয়োগ ও খন্ডন প্রভৃতি বিষয়ে বিবেচনা করে নাম্বার প্রদান করে বিচারকরা। বিচারকদের প্রদত্ত নাম্বারে বিজয় লাভ করে বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া বিতার্কিকরা এবং শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হয় বিপক্ষ দলের দলনেতা নাছরিন আক্তার।

এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ‘পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ’ কমিউনিটি পুলিশিং এর মূল দর্শন। বর্তমান সময়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কমিউনিটি পুলিশিং এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। বাংলাদেশে কমিউনিটি পুলিশিং এর কার্যক্রম এখন ও প্রাথমিক পর্যায়ে থাকায় এর সুফল আমরা পুরোপুরি ভোগ করতে পারছি না। দেশের প্রত্যেক জনগন সচেতন হলে, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকলে, পুলিশের প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পরিহার করার মাধ্যমে বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন করা সম্ভব। কমিউনিটি পুলিশিং এর মাধ্যমে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পদার্পন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধান অতিথি মহোদয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) মো. মাঈন উদ্দিন চৌধুরী উপস্থিত সবাইকে প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, কমিউনিটি পুলিশিং একটি দর্শন। কমিউনিটি পুলিশিং এর মূল কাজ হচ্ছে জনগন ও পুলিশের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করা। জনগণ ও পুলিশের মধ্য এই সেতুবন্ধন যতটা টেকসই হবে ততটা দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন হবে। কমিউনিটি পুলিশিং এর মাধ্যমে দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্য পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি সরকারি মহিলা কলেজের বিভিন্ন বিভাগের অধ্যাপকবৃন্দ ও জেলা পুলিশের সদস্যবৃন্দ।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button
Close