ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

পিতার আশ্রয়ে পাহাড়ে এসেও লাভ হলো না রানা’র !

ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় সম্পৃক্ত ওই মাদ্রার আরেক ছাত্র রাঙামাটি থেকে গ্রেফতার হয়েছে। ইফতেখার হোসেন রানা নামের ওই ছাত্র নুসরাতের এক ক্লাশ জুনিয়র।

নিহত নুসরাতের ভাইয়ের দায়ের করার মামলায় আসামী হিসেবে ইফতেখার হোসেন রানার নাম না থাকলেও ইতোমধ্যেই গ্রেফতার হওয়াদের জবানীতে ও নিজস্ব তদন্তে সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হওয়ার পর রাঙামাটিতে পালিয়ে আসা রানাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। শনিবার ভোররাতে তাকে রাঙামাটি শহরের টিএন্ডটি এলাকার আবাসিক কোয়ার্টার থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রেফতার হওয়া রানা সোনাগাজির একই মাদ্রাসার ফাজিল বিভাগের শিক্ষার্থী এবং নুসরাত হত্যাকান্ডের পরিকল্পনাকারিদেরই একজন। সে নুসরাতের পরের ব্যাচের শিক্ষার্থী। এই হত্যাকান্ডের পর সারাদেশে তীব্র প্রতিবাদ শুরু হলে একের পর আসামীরা ধরা পড়তে থাকে। এইসময় সুযোগ বুঝে নিজেকে বাঁচাতে রাঙামাটিতে পিতার কর্মস্থলে চলে আসে রানা। সম্ভবত রানা ধারণা করেছিলো,পাহাড়ী এই এলাকায় তাকে সহজে খুঁজে পাওয়া যাবে না। কিন্তু পিবিআই’র চৌকষ দল ঠিকই তাকে খুঁজে বের করলো।

পিবিআই কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় তাই ভাই যে মামলা করেছেন সেখানে ইফতেখার উদ্দিন রানা ও একই দিন কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার হওয়া ইমরানের নাম নেই। কিন্তু তদন্তে তাদের সংশ্লিষ্টতার তথ্য বেরিয়ে আসে।

গ্রেফতার হওয়া রানার পিতা জামাল উদ্দিন রাঙামাটি টিএন্ডটিতে লাইনম্যান হিসেবে কর্মরত আছেন। সোনাগাজী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন চরগণেশ গ্রামের ঈমান আলী হাজী বাড়ি বাসিন্দা জামাল দীর্ঘদিন ধরে রাঙামাটিতে কর্মরত আছেন এবং তার পরিবার ফেনীর সোনাগাজীতেই বসবাস করে আসছে। সেখানেই সোনাগাজী মাদ্রাসায় পড়াশুনা করছে তার পুত্র রানা।

মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করে এবং আগে গ্রেফতার হওয়া আসামীদের জবাবন্দীর ভিত্তিতেই ইফতেখার হোসেন রানা কে গ্রেফতার করেছে পিবিআই,এমন তথ্যই জানিয়েছে আইনশৃংখলাবাহিনীর একটি সূত্র।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button
Close