খাগড়াছড়িব্রেকিংলিড

পাহাড়ি ভূমিতে চা চাষ সম্প্রসারণের উদ্যোগ

পাহাড়ের মাটির গুনাগুণ নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। উর্বর মাটিতে যুগ যুগ ধরে চাষ হচ্ছে দেশী-বিদেশী কৃষি পণ্য। এবার নতুন করে স্বপ্ন দেখাচ্ছে চা চাষ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তিন পার্বত্য জেলার অনাবাদি ও প্রত্যন্ত এলাকার পাহাড়ি জমিতে চা চাষের জন্য উপযুক্ত। ইতিমধ্যে তা প্রমাণিত।

দীর্ঘ বছর ধরে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি এবং খাগড়াছড়ির রামগড়ের বিশাল একটি অংশ জুড়ে রয়েছে চা বাগান। অন্যদিকে বান্দরবানের থানছি কিংবা রাঙামাটির সাজেকেও চা চাষ করা হচ্ছে। তবে সরকার পাহাড়ে আরো ব্যাপকভাবে চা চাষ সম্প্রসারণ করার কথা ভাবছে। ইতিমধ্যে বান্দরবানে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে ক্ষুদ্রায়তন চা চাষ প্রকল্প’ শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, খাগড়াছড়িতে প্রায় পাঁচশ হেক্টর জায়গাজুড়ে চা চাষ সম্প্রসারণ করা হবে। যার জন্য ৭৪ কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। ইতিমধ্যে পাহাড়ের মাটি, আবহাওয়া-জলবায়ু এবং ভূ-প্রকৃতি বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরই)-এ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়ন ক্ষুদ্র চা চাষী সমিতির সভাপতি কর্ণমনি চাকমা জানান, ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে চা বোর্ডের নিবন্ধিত হবার পর এখন প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয়’শ কেজি চা উৎপাদিত হচ্ছে। কিন্তু স্থানীয়ভাবে কারখানা গড়ে উঠলে মানুষের মধ্যে আরও উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে।

ইতিমধ্যে খাগড়াছড়ি সফর করে গেছেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল জহিরুল ইসলাম। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী পাহাড়ের দারিদ্র্য দূর করতে এখানে চা চাষ সম্প্রসারণের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। তারই অংশ হিসেবে খাগড়াছড়িতেও এবার পাঁচ’শ হেক্টর চা চাষ করা হবে। এতে করে ক্ষুদ্র চাষীরা লাভবান হবে।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button