পাহাড়ের রাজনীতিব্রেকিংরাঙামাটিলিড

পার্বত্য জেলা পরিষদ নির্বাচন কতদূর ?

নির্বাচন চান বিশিষ্টজনরা

১৯৮৯ সালে পার্বত্য জনপদের মানুষের ভাগ্য বদলাতে পথচলা শুরু হয়েছিলো তিন পার্বত্য জেলার স্থানীয় সরকার পরিষদ। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত এই পরিষদ পাহাড়ের মানুষের ভাগ্য বদলাতে শুরু করে এক কঠিন কন্টকাকীর্ণ পথে যাত্রা। ১৯৯৭ সালে দুই দশকের সংকটকে পেছনে ফেলে সাক্ষরিত পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির মাধ্যমে আরো শক্তিশালী,আরো বেগবান হয় এই পরিষদ। খোল-নলচে পাল্টে গিয়ে স্থানীয় সরকার পরিষদ হয় পার্বত্য জেলা পরিষদ। তিন পার্বত্য জেলার জন্য তিনটি পৃথক পার্বত্য জেলা পরিষদ গঠিত হলে সম্ভাবনা তৈরি হয় পার্বত্য মানুষের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ও নেতৃত্বে সমৃদ্ধ হবে এই স্থানীয় সরকার কাঠামো। কিন্তু নিয়তির কি নির্মম পরিহাস,সময়ের পরিক্রমায় পেছনে দুই যুগ সময় পাড় করে আসলেও পরিবর্তিত পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাচন আর অনুষ্ঠিত হয়নি ! ফলে দুই যুগ ধরেই যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসে,সেই সরকার নিজ দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে গঠন করে অন্তবর্তীকালিন পরিষদ,যারা শুরু থেকেই আজ অবধি পরিষদের ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন। ১৯৯৭ সালের পর ৪ জন সদস্য আর ১ জন চেয়ারম্যানের সমন্বয়ে ৫ সদস্যের পরিষদ গঠিত হলেও বর্তমান সরকারের মেয়াদে ২০১৫ সালে আইন সংশোধন করে ১৪ জন সদস্য এবং একজন চেয়ারম্যানের সমন্বয়ে ১৫ সদস্যের পরিষদ গঠন করা হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো ৫ সদস্যের পরিষদ ১৫ জনে অবতীর্ণ হলেও পরিষদগুলো এখনো জনপ্রতিনিধিত্বশীল হয়ে উঠেনি,বরং নানান বিতর্কিত ও অপ্রয়োজনীয় কাজের কারণে জনপ্রিয়তা ও নির্ভরযোগ্যতা হারাচ্ছে। অথচ পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি এবং পরিষদের নিজস্ব আইনেও নির্বাচিত পরিষদের প্রতি জোর দেয়া হয়েছে,বলা হয়েছে নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিস্তারিতও। তবুও ১৯৮৯ সালে স্থানীয় সরকার পরিষদের প্রথম নির্বাচনের পর আর নির্বাচন না হওয়ায় হতাশ ক্ষুদ্ধ ব্যথিত উদ্বিগ্ন পাহাড়ের মানুষ। নাগরিক সমাজও চাইছেন নির্বাচনের মাধ্যমে প্রকৃত জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হোক এবং গতিশীল হোক স্বপ্নের এই প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম।

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি চুক্তি অনুযায়ী পাহাড়ের সবচেয়ে ক্ষমতাধর প্রতিষ্ঠান পার্বত্য জেলা পরিষদ। পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে সবচেয়ে ভুমিকা রাখার কথা এ প্রতিষ্ঠানটির। পাহাড়ের উন্নয়নে কতখানি ভ‚মিকা রেখেছে বা রাখছে প্রতিষ্ঠানটি তা নিয়েও আছে নানা ধরনের প্রশ্ন।

নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সহ পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হবার কথা থাকলেও ফ্যাক্সের মাধ্যমে দলীয় মনোনীতদের মাধ্যমে চলছে অন্য দুই জেলা পরিষদের মত রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদও। দীর্ঘদিন ধরে জেলা পরিষদের নির্বাচন না হওয়া অগণতান্ত্রিক চর্চা ও অর্থহীন প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। প্রতিনিয়ত নানা ধরনের নিয়োগ, প্রকল্প নিয়ে নানা ধরনের অনিয়মের প্রশ্ন উঠে প্রভাবশালী এই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।

১৯৮৯ সালে প্রথম ও শেষবারের মত স্থানীয় সরকার পরিষদের নির্বাচন হয়েছিল এরপর থেকে স্থানীয়দের প্রত্যাশা থাকলেও আর কোন নির্বাচন হয়নি। যে দল যখন ক্ষমতায় আসে তাদের পছন্দমত ব্যক্তিদের মনোনীত করে চালানো হয় রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের কার্যক্রম। দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন না হওয়ায় হতাশা বেড়েছে স্থানীয়দের মাঝে। অনির্বাচিতদের দিয়ে জেলা পরিষদ পরিচালনার কারনে যেমন সুষম উন্নয়ন হচ্ছে না তেমনই জনগণের প্রতি কোন ধরনের জবাবদিহিতা নাই বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। অনেক সময় জেলা পরিষদ হয়ে উঠে শুধুমাত্র দলীয় পরিষদ হিসেবে, এমন অভিযোগও অনেক পুরোনো। পাহাড়ের উন্নয়নে সবচেয়ে প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান হলেও স্থানীয় জনগণের আকাংখা প‚রণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ বলেই মনে করেন স্থানীয়রা।

১৯৯৭ সালে পার্বত্য শান্তি চুক্তির পর নতুন করে জেলা পরিষদ নির্বাচনের আশা জাগলেও সে আশা আর পূরণ হয়নি রাঙামাটিবাসীর। রাঙামাটির সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও মনে করেন দ্রæত সময়ে জেলা পরিষদ নির্বাচন দিয়ে নির্বাচিত ব্যক্তিদের ধারা পরিচালিত হউক রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ।

রাঙামাটি দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক বলেন, ৩১ বছরে ধরে যে পরিষদে নির্বাচন হয় না সেখানে আসলে আর গণতন্ত্রের মূল স্পিরিটটাই থাকে না। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যেকোন প্রতিষ্ঠান বৈধতা পায়। নির্বাচন ছাড়া রাঙামাটি জেলা পরিষদ একটা আস্থাহীন দেহে পরিণত হয়েছে। অতি কেন্দ্রীভূত ক্ষমতাগুলো অতি দুর্নীতির কেন্দ্রভূমিতে পরিনত হয়। এর ফলে জেলা পরিষদ নিয়ে নানা ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ আমরা শুনতে পাই। দীর্ঘদিন নির্বাচনহীনতার কারনে জেলা পরিষদ বেসামরিক স্বৈরশাসনের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে, যেটা খুবই দু:খজনক। নির্বাচিত পরিষদ হলে আস্থার সংকট, বৈধতার সংকট, সবই কেটে যাবে। প্রত্যাশা করি একটি সুন্দর নির্বাচনের মাধ্যমে একটি ফলপ্রসূ জেলা পরিষদ পাবে পার্বত্যবাসি।

রাঙামাটি জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট দীননাথ তংচঙ্গ্যা বলেন, আমরা সবসময় প্রত্যাশা করি জেলা পরিষদ নির্বাচনের। জেলা পরিষদ নির্বাচন হলে আইন অনুযায়ী প্রতিটি জনগোষ্ঠির প্রতিনিধি জেলা পরিষদে থাকবে, সে হিসেবে প্রতিটি জনগোষ্ঠির সুষম উন্নয়ন যেমন সম্ভব হবে, ঠিক তেমনই জনগণের প্রতি পরিষদের দায়বদ্ধতাও থাকবে, যার ফলে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। প্রত্যেক জনগোষ্ঠি ও প্রতিটি অঞ্চলে টেকসই সুষম উন্নয়নের জন্য রাঙামাটি জেলা পরিষদের নির্বাচনের বিকল্প নাই।

নারীনেত্রী টুকু তালুকদার বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচনের কোন বিকল্প নাই। জেলা পরিষদ পার্বত্য অঞ্চলের সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হলে জনগনের কাছে জবাবদিহিতা থাকে, কারণ নির্বাচিতদের মাথায় থাকে পরবর্তী পাঁচবছর পর আবার তাকে জনগণের কাছে যেতে হবে। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও নানা অনিয়ম ঠেকানো খুবই সহজ হয়। নিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া যায় নির্বাচিত প্রতিনিধি হলে তেমন অভিযোগ কমে আসবে। নির্বাচন হলে সকল জনগোষ্ঠির পাশাপাশি নারীরা নির্বাচনের সুযোগ পাবে এমনকি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদেও নারীরা নির্বাচন করতে পারবে। নারীর অধিকারে অনেক বড় সুযোগ তৈরি হবে। নির্বাচন হলে প্রতিষ্ঠানের সুফলতা অনেকটা নিশ্চিত হবে। তাই অবশ্যই নির্বাচন হওয়া উচিত।

সিনিয়র আইনজীবি অ্যাডভোকেট প্রতীম রায় পাম্পু বলেন, সরকারের পদলেহিত অনির্বাচিত ব্যক্তিদের দিয়ে জনপ্রতিনিত্বিমূলক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা,দায়িত্ব গ্রহণ ও প্রদান সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। এমন কর্মকান্ড সংবিধানের ৫৯/৬০ অনুচ্ছেদের সুস্পষ্ট লংঘন। ১৯৮৯ সনের তথাকথিত নির্বাচনের পর থেকে রাঙামাটি জেলা পরিষদ যেভাবে আছে সেটি সম্পূর্ণ সংবিধান বিরোধী। নির্বাচন না হওয়া ও জনগনের কাছে জবাবদিহিতা না থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থহীন হয়ে পড়েছে। দেশের সকল নির্বাচনে একটা ভোটার তালিকা আবার পার্বত্য জেলা পরিষদের স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে আলাদা ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা আদৌ সম্ভব কিনা সেটিও বিবেচনা করতে হবে। জেলা পরিষদে বিভিন্ন সম্প্রদায়ভিত্তিক যে প্রতিনিধির আসন বন্টনের কথা আছে, সেটিও সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক, যেহেতু সংবিধানে রয়েছে রাষ্ট্র কোন সাম্প্রদায়িকতাকে উসকে দিতে পারবে না। জেলা পরিষদের বিষয়গুলো যেহেতু আদালতে বিচারাধীন আছে, তাই সরকারের উচিত এ বিষয়গুলো সম্পর্কে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা। সরকারের মনোনীত হবার কারণে যেমন জনগণের প্রতি এদের কোন জবাবদিহিতা নাই, তেমন গ্রহণযোগ্যতাও নাই। সরকারকে বলতে হবে, নির্বাচন কমিশনকে উদ্যাগ নিতে হবে নির্বাচনের জন্য।

প্রবীণ সাংবাদিক সুনীল কান্তি দে বলেন, দীর্ঘ সময় পর পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধানের জন্য যে চুক্তি হয়েছিলো, তার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক উদ্যোগে জেলা পরিষদ, আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয়েছে। দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গঠিত জেলা পরিষদ,অথচ এতো দিন পরেও প্রতিষ্ঠানগুলোতে গণতান্ত্রিক প্রতিনিধি নাই। গণতান্ত্রিক প্রতিনিধি না থাকলে যারা সেসব চেয়ারে বসেন, তারা ভালো কিছু করতে পারেন না। এরশাদের সময়ে স্থানীয় পরিষদের একটি নির্বাচন হয়েছিল, সেটিও সত্যিকার অর্থে নির্বাচন কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন আছে। আমি মনে করি পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের জন্য চুক্তি হয়েছিল,তার ফলে তৈরী হয়েছে জেলা পরিষদ, এসব প্রতিষ্ঠানে নির্বাচনের কোন বিকল্প নাই। যে দল ক্ষমতায় আসে তাদের নিজ দল ও মতের লোকদের দিয়ে জেলা পরিষদ গঠন করে। এভাবে অনির্বাচিতদের দিয়ে জেলা পরিষদ চালালে, যে লক্ষ্য নিয়ে রাঙামাটি জেলা পরিষদ গঠন হয়েছিল সেটি প‚র্ণতা পাবে না।’

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য শিক্ষাবিদ নিরুপা দেওয়ান বলেন, নির্বাচন না হওয়া মানে অগণতান্ত্রিক। জেলা পরিষদের মত খুবই গুরুত্বপ‚র্ন প্রতিষ্ঠানে যখন দীর্ঘদিন ধরে অনির্বাচিত প্রতিনিধি আছে. সেহেতু তাদের মাঝে কোন জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা থাকে না। সরকারের বা যাদের মনোনয়নে তারা জেলা পরিষদে আসে তখন মনোনীত ব্যক্তিরা তাদেরই কাজ করতে ব্যস্ত থাকেন। এভাবে জেলা পরিষদ থাকার কারণে সকল সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি থাকতে পারছে না। যদি নির্বাচন হতো তাহলে সকল সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি নিয়ে সুন্দরভাবে চলতো। স্থানীয় জনগণের স্বার্থে অবশ্যই নির্বাচন দ্রæত হওয়া উচিত।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সদস্য ও খাগড়াছড়ি আসনের সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বলেন, ‘প্রত্যেক জেলা পরিষদে একজন পাহাড়ি চেয়ারম্যানসহ ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচিত পরিষদ থাকার কথা। কিন্তু নানা জটিলতায় গত আড়াই দশকেও নির্বাচন হয়নি। ফলে বিভিন্ন সরকারের আমলে মনোনীত সদস্যের মাধ্যমে অন্তর্র্বতীকালীন পরিষদ দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে পার্বত্য জেলা পরিষদগুলো। পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার ইতোমধ্যে ২৮-৩২টি সরকারি বিভাগ জেলা পরিষদের হাতে ন্যস্ত করেছে। কিন্তু অনির্বাচিত অন্তবর্তীকালীন পরিষদ থাকায় বিভাগগুলোতে পর্যাপ্ত তদারকি হয় না। মুখ থুবড়ে পড়েছে উন্নয়ন কার্যক্রম। দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বেড়েছে। এসব স্থবিরতা দ‚র করতে আমরা পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোতে নির্বাচনের দাবি করছি। প্রচলিত ভোটার তালিকা অনুযায়ী জেলা পরিষদের নির্বাচন হলে পর্যায়ক্রমে আঞ্চলিক পরিষদেও নির্বাচন হবে। পাহাড়ের উন্নয়ন, শান্তি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে নির্বাচিত পরিষদ দরকার।’

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভুঁইয়া বলেন, ‘জেলা পরিষদগুলো সৃষ্টি করা হয়েছে সব নাগরিকের রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক অধিকার সমুন্নত রাখতে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেলো সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র। দুর্নীতি, আত্তীকরণ ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, সদস্য এবং কর্মচারীরা শতশত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।’

‘অর্থহীন ও অগণতান্ত্রিক’ ভাবে নয় জনগণের জীবন মান উন্নয়নের জন্য নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাঙামাটি জেলা পরিষদ গঠিত হবে তেমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের। পাহাড়ের মানুষ চায়,দলীয় আজ্ঞাবাহি নেতা নয়,জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতেই পরিচালিত হোক পার্বত্য জনপদের সবচে গুরুত্বপূর্ণ ও ভরসার প্রতিষ্ঠানটি।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button