ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

‘পার্বত্য চট্টগ্রামে ভারতের মদদে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরী হয়েছিলো’

বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী,মুক্তিযোদ্ধা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে ভারতের মদদে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরী হয়েছিলো, কিন্তু সে পরিবেশ কে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য শেখ হাসিনা সরকার যে চুক্তি করেছে তাতে বাঙ্গালীদের কে বঞ্চিত করা হয়েছে, এজন্য চুক্তির পুনর্মূল্যায়ন জরুরী। পার্বত্য বাঙ্গালীদের উদারতাকে দুর্বলতা মনে করলে সরকার ভুল করবে। তাই বাঙ্গালীদের অধিকার কে সম্মানের দৃষ্টিতে দেখতে হবে’।

তিনি শুক্রবার পার্বত্য নাগরিক পরিষদের ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ,জাতীয় সম্মেলন এবং ‘পার্বত্য চুক্তির দুই দশক পূর্তিতে জাতীর প্রত্যাশা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এই কথা বলেন।
একই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সুপ্রীম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন,‘ পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল নাগরিকের ন্যায্য অধিকার আদায়ে আইন অঙ্গনে যা যা করার দরকার , তার সবই করব ইনশাল্লাহ।’
‘পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল নাগরিকদের সমঅধিকার নিশ্চিত করতে বৈষম্যমূলক উপজাতীয় কোটা বাতিল করে পার্বত্য কোটা চালু, আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদ নির্বাচন দেয়া,সর্বক্ষেত্রে বাঙ্গালীদের সমঅধিকার অধিকার নিশ্চিত করা,প্রত্যাহারকৃত সেনাক্যাম্প পুনস্থাপন করে পার্বত্য চট্টগ্রামে র‌্যাব এবং সেনাবাহিনী দিয়ে অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চালিয়ে সকল অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করার জোর দাবি জানানো হয় জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলন থেকে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কবি আসাদ বিন হাফিজ বলেন,মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম করার চেয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসতি স্থাপন অনেক দুরূহ।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য বান্দরবান জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য কাজী মুজিবুর রহমান বলেন, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে নির্বাচন না থাকায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাবে জেলা পরিষদ এখন লুটপাটের আখড়ায় পরিণত হয়েছে।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাংবাদিক ও কলামিস্ট মেহেদী হাসান পলাশ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে পূর্ব তিমূর ও দক্ষিণ সুদানের মত খৃস্টান রাষ্ট্র বানানোর চক্রান্ত চলছে, তাই সকল কে সচেতন হতে হবে।’
পার্বত্য নাগরিক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আলহাজ্ব মো: আলকাছ আল মামুন ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে ইসমাইল নবী শাওনের পরিচালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মহাসচিব এডভোকেট ইয়াকুব আলী চৌধুরী,সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আহমদ রাজু,আবদুল হামিদ রানা,আতিক প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে পার্বত্য নাগরিক পরিষদ ও পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

ি কমেন্ট

  1. পার্বত্য এলাকায় শান্তি চুক্তি হওয়াতে, শান্তির বাতাস দুলছে,,

    শান্তি চুক্তির আগে চাঁদাবাজি হতো, এখন আর চাঁদাবাজি হয়না, এখন দিতে হয় বছরে, বছরে হাদিয়া, তাও আবার তিন,চার গ্রুপ কে!

    শান্তি চুক্তির আগে পাহাড়ি জঙ্গিরা ব্যাবহার করতো ভাঙা অস্ত্র, আর এখন ভাঙা অস্ত্র দেখতে হয়না, তাদের ভাঙা অস্ত্রের বদৌলতে আমাদের এখন দেখতে হয় নতুন, নতুন অস্ত্র!

    আগে বাঙালীরা সব জায়গায় সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল, এখন সুযোগ সুবিধা বেড়ে গেছে, চারদিক থেকে শুধু বাঁশ আর বাঁশ!

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: