ব্রেকিং নিউজ
নীড় পাতা / পাহাড়ের সংবাদ / বান্দরবান / পার্বত্যাঞ্চলের শান্তি-সম্প্রীতি ও উন্নয়ন হয়েছে
parbatyachattagram

আলীকদমে চুক্তির বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে বক্তারা

পার্বত্যাঞ্চলের শান্তি-সম্প্রীতি ও উন্নয়ন হয়েছে

বান্দরবানের আলীকদম সেনাবাহিনীর জোন কমান্ডার লে. কর্নেল সাইফ শামীম পিএসসি বলেছেন, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বরের শান্তি চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্যাঞ্চলের শান্তি-সম্প্রীতি ও উন্নয়ন হয়েছে। এ অবস্থা ধরে রাখার পাশাপাশি আরো উন্নয়নের লক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সরকারের সংশ্লিষ্ট সকলকে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। রবিবার দুপুরে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ২১ বছর পূর্তি উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, জোনের আওতাধীন এলাকায় কোন ধরণের সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও খুনের মত কোন অপরাধ কর্মকান্ড কোন মতেই সহ্য করা হবে না। যারা এসব অপরাধমুলক কর্মকান্ডে লিপ্ত, তাদেরকে আইননের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করা হবে। তিনি বলেন, কে বাঙালি, কে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি; সেটা বড় কথা নয়। বড় কথা হল, আমরা সবাই মানুষ। আমরা যারা পাহাড়ে আছি সবাই এক সাথে মিলে মিশে কাজ করে সোনার বাংলা গড়তে চাই।

আলীকদম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে লামা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান ও পাইওয়ে মার্মানীর সঞ্চালনায় এবং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবুল কালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় লামা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরী, লামা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ ইসমাইল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজিমুল হায়দার, লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমি. লামা পৌরসভা মেয়র মো. জহিরুল ইসলাম, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন আহমেদ, সহকারী পুলিশ সুপার আবু সালাম চৌধুরী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যন কাইনথপ মুরুং, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন, আলীকদম থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিক উল্লাহ, লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা আপ্পেলা রাজু নাহা বিশেষ অতিথি ছিলেন। আলোচনা শেষে শীতার্তদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ উদ্বোধন করে প্রধান অতিথিসহ উপস্থিত অতিথিবৃন্দ।

এর আগে শান্তি চুক্তির পূর্তি উপলক্ষে ‘শান্তি সম্প্রীত উন্নয়ন’ এ শ্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে সহ¯্রাধিক বাঙালি ও ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠি সম্প্রদায়ের নারী পুরুষ অংশ গ্রহণ করেন। পরে আলীকদম সেনাবাহিনীর জোন সদরে প্রীতিভোজ শেষে উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ, প্রীতিফুটবল ও এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

সঠিকভাবে শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে কিনা মনিটরিংয়ের নির্দেশ বৃষ কেতুর

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষার ওপর শিক্ষাদানের জন্য জেলার যে সমস্ত বিদ্যালয় হতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

nine + 8 =