করোনাভাইরাস আপডেটখাগড়াছড়িব্রেকিংলিড

পানছড়িতে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে দশজন

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলায় ছয়জনকে প্রতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের আওতায় আনা হয়েছে। শনিবার বেলা ২টার দিকে পানছড়ি বাজার আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসে গড়ে তোলা কোয়ারেন্টিন সেন্টারে তাদেরকে রাখা হয়। করোনা উপদ্রুত এলাকা নারায়নগঞ্জ শহর থেকে ফিরে আসা যুবক, উপজেলা সদরের কলোনীপাড়ার বাসিন্দা।

গত ১০ এপ্রিল শুক্রবার এলাকায় আসার খবর ফাঁস হয়ে গেলে তাদেরকে বিশেষ ব্যবস্থায় রাখার তোড়জোড় চলে। যততত্র ঘোরাফেরার অভিযোগে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় থানা পুলিশ, ৩নং ইউপি ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে উক্ত যুবকসহ ছয় সদস্যকে আলাদা করে রাখা হয়। তাদেরকে কোয়ারেন্টিনে আওতায় আনার কাজে অন্যান্যদের মধ্যে ভূমিকা রাখেন স্থানীয় যুবক দেলোয়ার হোসেন, মাহাবুবুর রহমান সোহেল, ইউপি সদস্য জব্বার হোসেন, চেয়ারম্যান নাজির হোসেন, এস. আই. মহিউদ্দিন, এস. আই. পার্থ রায় চৌধুরী, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দুলাল হোসেন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।

অপরদিকে এর আগে ৮ এপ্রিল বুধবার লোগাং ইউপিতে তিনজনকে ও ৯ এপ্রিল সদর ইউপির টিএনটি এলাকার একজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোয়ারেন্টিনের আওতায় আনা হয়। শহর থেকে আগত লোগাং ইউপির তিন যুবককে লোগাং করল্যাছড়ি স্কুলে কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করা হয়। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শান্তি জীবন চাকমা ও লোগাং ইউপি চেয়ারম্যান প্রত্যুত্তর চাকমা তাদের সাথে কথা বলেন। চেয়ারম্যানদ্বয় এসময় তাদের সাহস যোগান ও যাবতীয় মানবিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলে জানান।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অনুতোষ চাকমা জানান, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ১৪ দিন তারা আলাদা থাকবেন। কোয়ারেন্টিনে থাকাবস্থায় করোনা ভাইরাসজনিত রোগের লক্ষণগুলো দেখা দিলে নিয়মানুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button