ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

পাটাতনে পানি,তবুও কমছে না ‘বাড়াবাড়ি’

পর্যটন কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের ওপর নির্মিত ‘সিম্বল অব রাঙামাটি’ খ্যাত ঝুলন্ত সেতুতে চলাচল করছে পর্যটকরা। এতে করে যেকোনো সময়েই বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঝুঁকির আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে গত বুধবার থেকে কাপ্তাই বাঁধের সব কটি জলকপাট বন্ধ করে দেওয়ায় হ্রদের পানিও কমার সম্ভাবনা নেই। এতে করে হ্রদের পানি সেতুর ওপর থেকে না নেমে যাওয়া পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে থাকবে সেতুটি।

উল্লেখ্য, গত ১৬ জুলাই বিকাল থেকেই পানিতে তলিয়ে আছে ঝুলন্ত সেতুটি। ফলে এরপরের দিন সেতুতে পর্যটক ও জনসাধারণের চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি সেতুর আশপাশে নোটিশ টানিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই হাঁটু সমান পানির মধ্যেই সেতুর ওপাড়ে যেতে সেতুর ওপর দিয়েই চলাচল করছে পর্যটকরা।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছরই ঝুলন্ত সেতুটি পানিতে তলিয়ে গেলে সেতুর ওপর দিয়ে পর্যটক ও স্থানীয় জনসাধারণের চলাচলের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এবার কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরও পর্যটকরা সেতুর ওপর দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলাচল করছে। এতে করে যেকোনো সময় সেতুর পাটাতন ভেঙে বা পা পিছলে পানিতে পড়ে যেতে পারে পর্যটকরা। সেতুর পাটাতন ভেঙে পানিতে তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রাঙামাটিতে ঘুরতে আসা কয়েকজন পর্যটক জানান, তারা দূর-দুরান্ত থেকে রাঙামাটির সৌন্দর্য দেখতে এসেছেন। কিন্তু এখানে এসে দেখতে পান ঝুলন্ত সেতুটি পানিতে তলিয়ে আছে। তাই তারা সেতুর ওপাড়ে যেতে সেতুর ওপর দিয়ে হাঁটু পানি সমান পানি পার করে যাচ্ছেন। তবে ঝুঁকিপূর্ণভাবে পারাপারের বিষয়টি সর্ম্পকে জানতে চাইলে এড়িয়ে যান তারা।

রাঙামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক সৃজন বিকাশ বড়–য়া জানিয়েছেন, ‘আমরা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে নোটিশ দিয়েছি। ভেতরে যেতে নিষেধ করছি। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পর্যটকরা সেতুর ওপাড়ে প্রবেশ করছেন। নিষেধাজ্ঞার পরও কেউ যদি নিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হয় তাতে তাদের দায়ভার আমরা কিভাবে নেব।’

কর্ণফুলী জল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক এটিএম আব্দুজ্জাহের জানিয়েছেন, গত বুধবার থেকে কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদে পানির উচ্চতা ১০৬ দশমিক ৪ এমএসএল।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button