ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

পর্যটকের প্রতীক্ষায় রাঙামাটি

পর্যটন শহর রাঙামাটিতে প্রতিবছরই ঈদের মৌসুমকে ঘিরে প্রচুর পর্যটকের সমাগত হয়। কিন্তু এ বছর তা ভিন্নরূপে দাঁড়িয়েছে। গত ১৩ জুন ভয়াবহ পাহাড়ধসের পর পর্যটন শিল্পেও বিরাট ধস নেমেছে। এরই প্রভাবে এখানকার হোটেল-মোটেল ও পর্যটন কর্পোরেশন ব্যবস্থা লোকসানে দিন গুনছে।

এদিকে অতি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে অস্বাভাবিকভাবে কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি হওয়ায় ১২ আগস্ট বিকালের পর থেকে এখনো ডুবে রয়েছে ‘সিম্বল অব রাঙামাটি’ খ্যাত ঝুলন্ত সেতুটি।

হোটেল নাদিশা ইন্টারন্যাশনাল’র ব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন জানান, পাহাড় ধসের পর আমাদের এখন পর্যন্ত তেমন রুম বুকিং হচ্ছে না। প্রতি বছর ঈদের মৌসুমকে কেন্দ্র করে আমাদের পর্যাপ্ত রুম বুকিং হয়, কিন্তু এবছর একদম শূন্যে নেমে গেছে। আগামী এক বছরেও এ লোকসান থেকে ফিরিয়ে আসার সম্ভাবনা নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

হোটেল সুফিয়া ইন্টারন্যাশনাল’র ব্যবস্থাপক সোহেল হাওলাদার বলেন, ভূমিধস, কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি ও রাঙামাটির মূল আকর্ষণ ঝুলন্ত সেতুটি ডুবে থাকার কারণে আমাদের এবছর বুকিং একেবারে কম, মাত্র দু-একটা রুম বুকিং পেয়েছি। তার মধ্যে পর্যটকরাও এখন আতঙ্কিত, কখন আবার পাহাড় ধসে মানুষ মারা যায়। তারমধ্যে কাপ্তাই হ্রদে অতিমাত্রায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পর্যটকরা রাঙামাটি আসতে চাইছে না।

রাঙামাটি পর্যটন কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা মহসিন পাটোয়ারি জানিয়েছেন, এবছর পাহাড়ধসের সাথে সাথে পর্যটন শিল্পেও ধস নেমেছে। পুরোদমে রাস্তা ঠিক হওয়ার পর ভেবেছি এই ঈদে কিছু রুম বুকিং পাবে, কিন্তু তেমন আশানুরূপ রুম বুকিং পাইনি।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button