নীড় পাতা / পাহাড়ের সংবাদ / খাগড়াছড়ি / নির্মাণ শেষ না হতেই বৃষ্টিতে ভেঙ্গেছে ড্রেন !
parbatyachattagram

দীঘিনালায় পাকা সড়কের পার্শ্বে

নির্মাণ শেষ না হতেই বৃষ্টিতে ভেঙ্গেছে ড্রেন !

দীঘিনালায় সড়কের পাশে ড্রেন নির্মান শেষ না হতেই ভেঙ্গে পড়ল বৃষ্টিতে। ঘটনার জন্য নির্মান শ্রমিকরা বলছে নির্মানে ত্রুটি ছিল। কিন্তু তদারকির দায়িত্বে থাকা সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তা দোষ চাপাচ্ছেন স্থানিয়দের ওপর। আর স্থানীয়রা নি¤œমানের কাজের অভিযোগ করেছেন।

খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের জামতলি বাজার এলাকায় পাকা সড়ক সংলগ্ন ড্রেন নির্মনের কাজ চলছিল কয়েকদিন ধরেই। কাজের শুরু থেকেই স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল নি¤œ মানের কাজ করার। এরকম অভিযোগ তোলে স্থানিয় বাসিন্দারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লেখালেখিও করছিল। সর্বশেষ সে আশঙ্কাই সত্যে প্রমানিত হলো মঙ্গলবার দুপুরের বৃষ্টিতে। বৃষ্টিতে নির্মানাধীন সে ড্রেনের প্রায় ১২০ফিট ভেঙ্গে গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কাজটি করাচ্ছেন খাগড়াছড়ি জেলা সদরের ঠিকাদার মো. সেলিমের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেলিম এন্ড ব্রাদার্স। ঠিকাদারের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ঠিকাদারের প্রতিনিধি হিসেবে মেস্তরি পরিচালনা করে কাজ করছেন মো. রশিদ। রশিদ জানান, কতটুকু কাজ বা কতটাকার কাজ তা তিনি জানেননা। ড্রেন ভেঙ্গে যাওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, শ্রমিকদের কিছু ভুল ছিল। তারা পাশের মাটিচাপা অংশ থেকে পানি চুঁইয়ে ড্রেনে প্রবেশ করার জন্য যতটুকু দুরত্বে ফাঁক রাখতে হয় তার চেয়ে বেশি দুরত্বে রেখেছিল। এছাড়া মাত্র রবিবারে ড্রেনে ইটের গাঁথুনি দেওয়া হয় তা শক্ত হওয়ার আগেই মাটি দিয়েছে। সে কারণে বৃষ্টির পানিতে মাটির চাপ বেড়ে গিয়ে ড্রেন ভেঙ্গে গেছে। তবে ভাঙ্গা অংশে পুনরায় কাজ করে দেওয়া হবে।

কাজ তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের ওয়ার্ক সুপাভাইজার অলক চাকমা। অলকও কাজের পরিমান এবং টাকার পরিমান সম্পর্কে কিছুই জানাতে পারেননি। তবে অলক চাকমা ড্রেন ভেঙ্গে যাওয়ার জন্য স্থানিয় বাসিন্দাদের ওপর দোষ চাপিয়ে বলেন, ‘ড্রেন শক্ত না হতেই স্থানিয়রা পাশের মাটি ভরাট করে দেওয়ায় ড্রেনটি ভেঙ্গে গেছে। তবে তা আবার ঠিক করা হবে।’ অলক আরো জানান, ৬০০ফিট ড্রেন নির্মানের কাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১২০ ফিট ভেঙ্গেছে।

অপরদিকে কাজের শুরু থেকেই নি¤œ মানের কাজের অভিযোগ রয়েছে স্থানিয়দের। জামতলির স্থানিয় বাসিন্দা যুব রেডক্রিসেন্ট দীঘিনালা উপজেলা ইউনিটের জনসংযোগ ও পরিকল্পনা বিভাগের প্রধান রাফি পাটোয়ারি। রাফি জানান, শুরুতেই কাজের নি¤œমান নিয়ে ফেসবুকে তিনিসহ অনেকেই লিখেছে। রাফির অভিযোগ, নিয়মের চেয়ে বালির পরিমান বেশি মিশ্রিত করায় কাজ দূর্বল হয়েছে; আর সে কারণেই বৃষ্টিতে ভেঙ্গেছে। আর সংশ্লিষ্ট বিভাগের কোন তদারকিই ছিলনা। ড্রেন ভাঙ্গার সংবাদ পেয়ে তারা দেখতে এসেছে। এছাড়া স্থানিয়রা মাটি ভরাট করার বিষয়টি সম্পূর্ন মিথ্যা বলেও দাবী করেছেন রাফি পাটোয়ারি।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

রামগড় চা বাগানের ভোগ দখলীয় জমি কেড়ে নেওয়ায় শ্রমিক অসন্তোষ

বংশ পরস্পরায় শ্রমিকদের ভোগদখলীয় জমি কেড়ে নেওয়ার হুমকির মুখে রামগড় চা বাগানের পঞ্চায়েত নেতৃবৃন্দ ও …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

17 − 8 =