ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

নানিয়ারচরে সাবেক ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা

রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলায় মঙ্গলবার সকালে এক সাবেক ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত ব্যক্তির নাম অনাধি রজ্ঞন চাকমা (৫৫)। সে উপজেলার চিরঞ্জীব দোজরপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং একই এলাকার মৃত কুমুজ্যা চাকমার পুত্র। নিহত অনাধি ব্যক্তিগত জীবনে ১ পুত্র ও ২ কণ্যা সন্তানের জনক। মঙ্গলবার সকাল পৌনে দশটায় এই হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটে।

সে পাহাড়ে পূর্ণ স্বায়ত্ত্বশাসনের দাবিতে আন্দোলনরত পাহাড়ীদের আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এর সমর্থক বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। তারা এই ঘটনার জন্য নবগঠিত ইউপিডিএফ (গনতান্ত্রিক) কে দায়ি করেছে,তবে ইউপিডিএফ (গনতান্ত্রিক) উল্টো এই হত্যাকান্ডের জন্য ইউপিডিএফকে দায়ি করেছে।

ইউপিডিএফ মুখপাত্র ও সংগঠক বাবলু চাকমা জানিয়েছেন, শনিবার সকাল পৌনে দশটার দিকে অনাধিকে নানিয়ারচর সতের মাইল ও আঠারো মাইল এর মধ্যবর্তী চিরঞ্জীব দোজরপাড়া এলাকার নিজ বাসা থেকে ডেকে বের করে গুলি করে হত্যা করে যায় নবগঠিত ইউপিডিএফ(গনতান্ত্রিক) এর কয়েকজন সশস্ত্র ক্যাডার। তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এর সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

তবে ইউপিডিএফ (গনতান্ত্রিক) এর আহ্বায়ক তপন জ্যোতি চাকমা বর্মা জানিয়েছেন, অনাধিসহ ৫/৭ জন ইউপিডিএফ কর্মী কয়েকদিন ধরে আমাদের সাথে যোগাযোগ করছিলো আমাদের দলে যোগ দিতে। আজ (মঙ্গলবার) সকালে তারা আমাদের দলে যোগ দিতে আসার পথেই তাদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই হত্যাকান্ডের জন্য ইউপিডিএফকে দায়ি করেছেন।

নানিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আব্দুল লতিফ জানিয়েছেন, আমরা ঘটনাটি শুনেছি এবং অনাধি রজ্ঞন চাকমা নামের একজনকে গুলি করে হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। সেখানে আমাদের ফোর্স যাচ্ছে এবং পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৭ সালে পার্বত্যচুক্তির বিরোধীতা করে পাহাড়ে পূর্ণ স্বায়ত্বশাসনের দাবিতে জন্ম নেয় প্রসীত বিকাশ খীসার নেতৃত্বে ইউপিডিএফ নামের সংগঠনটি। সম্প্রতি এই সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত ও বের হয়ে যাওয়া কিছু নেতাকর্মী মিলে ইউপিডিএফ (গনতান্ত্রিক) নামে আরেকটি সংগঠন তৈরি করেছে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

১টি কমেন্ট

  1. যতদিন ভ্রুাতৃত হত্যা বন্ধ হবে না ততদিন কোন কিছু করা সম্ভব হবে না। যারা এসব করে তাদের কে এখন প্রতিহত করার প্রযোজন। তারা আমাদের জাতি কে ধংস করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

fourteen − 11 =

Back to top button