আক্রান্ত

৭২৭,৭৮০

সুস্থ

৬২৮,১১১

মৃত্যু

১০,৫৮৮

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৭১৪
  • বরগুনা ১,০০৮
  • বগুড়া ৯,২৪০
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৬১৯
  • ঢাকা ১৫০,৬২৯
  • দিনাজপুর ৪,২৯৫
  • ফেনী ২,১৮০
  • গাইবান্ধা ১,৪০৩
  • গাজীপুর ৬,৬৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৯৩৪
  • যশোর ৪,৫৪২
  • ঝালকাঠি ৮০৪
  • ঝিনাইদহ ২,২৪৫
  • জয়পুরহাট ১,২৫০
  • কুষ্টিয়া ৩,৭০৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৮৩
  • মাদারিপুর ১,৫৯৯
  • মাগুরা ১,০৩২
  • মানিকগঞ্জ ১,৭১৩
  • মেহেরপুর ৭৩৯
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,২৫১
  • নওগাঁ ১,৪৯৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৮,২৯০
  • নরসিংদী ২,৭০১
  • নাটোর ১,১৬২
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮১১
  • নীলফামারী ১,২৮০
  • পঞ্চগড় ৭৫৩
  • রাজবাড়ী ৩,৩৫২
  • রাঙামাটি ১,০৯৮
  • রংপুর ৩,৮০৩
  • শরিয়তপুর ১,৮৫৪
  • শেরপুর ৫৪২
  • সিরাজগঞ্জ ২,৪৮৯
  • সিলেট ৮,৮৩৭
  • বান্দরবান ৮৭১
  • কুমিল্লা ৮,৮০৩
  • নেত্রকোণা ৮১৭
  • ঠাকুরগাঁও ১,৪৪২
  • বাগেরহাট ১,০৩২
  • কিশোরগঞ্জ ৩,৩৪১
  • বরিশাল ৪,৫৭১
  • চট্টগ্রাম ২৮,১১২
  • ভোলা ৯২৬
  • চাঁদপুর ২,৬০০
  • কক্সবাজার ৫,৬০৮
  • ফরিদপুর ৭,৯৮১
  • গোপালগঞ্জ ২,৯২৯
  • জামালপুর ১,৭৫৩
  • খাগড়াছড়ি ৭৭৩
  • খুলনা ৭,০২৭
  • নড়াইল ১,৫১১
  • কুড়িগ্রাম ৯৮৭
  • মৌলভীবাজার ১,৮৫৪
  • লালমনিরহাট ৯৪২
  • ময়মনসিংহ ৪,২৭৮
  • নোয়াখালী ৫,৪৫৫
  • পাবনা ১,৫৪৪
  • টাঙ্গাইল ৩,৬০১
  • পটুয়াখালী ১,৬৬০
  • পিরোজপুর ১,১৪৪
  • সাতক্ষীরা ১,১৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৯৫
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট
ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

দেশদ্রোহীর পক্ষে সাফাই দুই সাবেক জনপ্রতিনিধির !

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালীন চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধীতা করে পাকিস্তানের পক্ষে ভূমিকা রেখে রাজাকারদের সংগঠিত করেছিলেন এবং দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পালিয়ে পাকিস্তান চলে যান। সেখানে থেকেই ২০১২ সালে মৃত্যুর আগ অবধি পাকিস্তানের পক্ষে বিভিন্নদেশে রাষ্ট্রদূত,দপ্তরবিহীন মন্ত্রীসহ নানা দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এমনকি ১৯৭৩ সালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্য পদের বিরোধীতাও করেছিলেন তিনি। পাকিস্তানে মারা যাওয়া এই রাজার লাশ বাংলাদেশে আসতে দেয়নি দেশের প্রগতিশীল আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।

সম্প্রতি হাইকোর্টের এক আদেশে স্বাধীনতাবিরোধী এই রাজার নামে থাকা রাঙামাটির সকল স্থাপনা থেকে তার নাম অপসারনের নির্দেশ দেয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার জেলা আইনশৃংখলাসভায় আলোচনাও হয়েছে। এমনকি রাঙামাটি পৌরসভার পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই ত্রিদিবনগর সড়কের নামফলক অপসারণ করা হয়েছে। বাকী স্থাপনাগুলো থেকেও তার নাম অপসারণ করা নিয়ে গতকাল রবিবার জেলা আইনশৃংখলাসভায় দাবি তোলেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

কিন্তু আশ্চর্য্যজনকভাবেই এই কুখ্যাত রাজাকারের নামে যতবারই আইনশৃংখলাসভায় উত্থাপন করা হয়,ততবারই বিরোধীতা করে প্রকাশ্যেই এই রাজাকারের পক্ষে বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি (দুপ্রক) এর সভাপতি ও সাবেক বালুখালি ইউপি চেয়ারম্যান মায়াধন চাকমা। গতকালও যখন ত্রিদিবরায়ের নামে স্থাপনা অপসারণের দাবি উঠে তখন মায়াধন চাকমা বিরোধীতা করে বলেন,এই ত্রিদিব যুদ্ধাপরাধী রাজা ত্রিদিব রায় নয়, এটি এমনিতেই নাম রাখা হয়েছে, কাউকে উদ্দেশ্য করে রাখা হয়নি। তার এমন বক্তব্যের সাথে কিছুটা সঙ্গতি রেখে সাবেক পৌর চেয়ারম্যান ডা: একে দেওয়ান যেনো আরেক কাঠি সরেস। তিনি দাবি করেন, রাজা ত্রিদিব রায়ের যুদ্ধাপরাধ বিষয়ে কোনও মামলা বা অভিযোগ নেই। তিনি মানবাধিকার লংঘন হয় এমন কোন কাজ মুক্তিযুদ্ধের সময় করেননি।

একে দেওয়ানের এমন কথা শুনে সভায় উপস্থিত অনেকেই তাৎক্ষনিক তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এসময় রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী বলে উঠেন, রাজার বাড়ির ছাদে পাকিস্তানিদের পতাকা ছিলো এটা কি মিথ্যা ? তিনি পাকিস্তানের দালালি করেছেন এরা পুরো বাংলাদেশ জানে। মেয়রের এমন কথার ভিত্তিতে একে দেওয়ান বলেন, সে সময়ে অনেকের ছাদেই পাকিস্তানের পতাকা ছিলো।

একে দেওয়ানের এমন কথায় রাঙামাটির প্রবীণ সাংবাদিক সুনীল কান্তি দে, প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শামসুল আলম, স্কাউটস সম্পাদক আবছার তীব্র প্রতিবাদ করে উঠেন। এসময় প্রবীণ সাংবাদিক ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠন,পার্বত্য চট্টগ্রামের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষন পরিষদের সদস্য সচিব সুনীল কান্তি দে বলেন, ত্রিদিব রায় যুদ্ধাপরাধী,রাজাকার,পাকিস্তানের দালাল, এ বিষয়টি সকলেই জানেন, ভুল ভাল মিথ্যা কথা কাউকে না বলার জন্যে তিনি দুই সাবেক জনপ্রতিনিধির প্রতি আহ্বান জানান। এসময় এই প্রবীণ সাংবাদিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মিথ্যাচার করে মানুষের অনুভূতি নিয়ে খেলা করবেন না।

একই সময় ডা: একে দেওয়ান ত্রিদিব রায়কে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষমা করে দিয়েছিলেন এমন এমন তথ্য জানালে, উপস্থিত সকলে ক্ষোভ প্রকাশ করে তার তীব্র বিরোধিতা করেন।

সকলের এমন কথার ওপর ভিত্তি করে জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ বলেন, আপনারা এই বিষয়ে ভালো জানেন, আমি এতটুকু জানি মহামান্য হাইকোর্ট এই বিষয়ে একটি রায় দিয়েছেন, তাই এই রায়ের ওপর ও হাইকোর্টের ওপর শ্রদ্ধা রেখে সকলের প্রয়োজন রায় কার্যকরের জন্যে সহযোগিতা করা। হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছে তা পালনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানিয়ে দেন জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ।

এই প্রসঙ্গে রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী বলেন, আমি বিস্মিত হয়ে গেছি কিভাবে প্রকাশ্যে একটি সরকারি সভায় বসে দুইজন সাবেক জনপ্রতিনিধি নির্লজ্জভাবে একজন কুখ্যাত দেশদ্রোহীর পক্ষে দালালি করছিলেন। এটা অত্যন্ত লজ্জার এবং দু:খজনক। তিনি হাইকোর্টের রায় কার্যকর করে রাঙামাটিকে কলংকমুক্ত করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
এদিকে রাঙামাটি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কমান্ড এর সাধারন সম্পাদক সৈকত রঞ্জন চৌধুরী আইনশৃংখলাসভায় দুইজন সাবেক জনপ্রতিনিধির একজন দেশদ্রোহীর পক্ষে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, একটি সরকারি সভায় বসে একজন দেশদ্রোহীর পক্ষে দালালি করা এসব ব্যক্তি কি করে আইনশৃংখলা কমিটির সদস্য হয় তা আমার বোধগম্য নয়। আমি মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ জানাই,রাজাকারের এসব প্রেতাত্মাদের যেনো সরকারি কোন কমিটির সদস্য করা না হয় এবং এদের দুইজনকে আইনশৃংখলা কমিটি থেকে বাদ দেয়া হয়। আমি রাঙামাটিবাসির প্রতি অনুরোধ জানাই,এসব পাকিপ্রেমি রাজাকারের প্রেতাত্মাদের সবাই সামাজিকভাবে বয়কট করুন।’

এই বিভাগের আরো সংবাদ

১টি কমেন্ট

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button
%d bloggers like this: