অন্য আলোফিচারব্রেকিংরাঙামাটিলিড

দীপাবলীর আলোয় কেটে যাক করোনার আগ্রাসন

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রার্থনা

দুর্গাপূজার বিজয়ার পরবর্তী ও অমাবস্যার তিথির একটি সন্ধ্যা দীপাবলী। এ রাতেই আয়োজিত হয় শ্যামা বা কালীপূজার। ‘দিওয়ালী’ নামেও পরিচিত দীপাবলী। অমাবস্যা রজনীর সমস্ত অন্ধকার দূর করে পৃথিবীকে আলোকিত করার অভিপ্রায়েই এই প্রদীপ প্রজ¦লন। সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের রীতি অনুসারে এটিই তাদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব। প্রতিবছরই সনাতনী ধর্মাবলম্বীরা নানা আয়োজনে উদযাপন করে থাকেন এই উৎসবের।

তবে এবার করোনাভাইরাসের কারণে অন্যান্য বছরের মত বেশ জাঁকজমকভাবে না হলেও রাঙামাটির বিভিন্ন মণ্ডপে উদযাপিত হয়েছে শ্যামাপূজা। মন্দিরে-মন্দিরে শ্যামা মায়ের কাছে সনাতনী ধর্মাবলম্বী ভক্তবৃন্দের আহ্বান, দীপাবলীর জলজমে আলোতে কেটে যাক ‘দুনিয়া কাঁপানো করোনা মহামারীর আগ্রাসন’।

প্রতিবছরের মতো এবার রাঙামাটি জেলা শহরের প্রাচীন মন্দির তবলছড়ি শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মন্দির, রিজার্ভবাজারের মনসা-কালী মন্দির, পুলিশ সুপার অফিস সংলগ্ন দক্ষিনেশ^রী কালী মাতৃমন্দিরসহ বিভিন্ন মণ্ডপে শ্যামা পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া দীপাবলীর সন্ধ্যায় কেউ কেউ বাসাবাড়িতে, কেউবা ঘরের ছাদ ছড়িয়ে দিয়েছে প্রদীপের জলজমে আলোতে।

জেলা শহরের পুলিশ সুপার অফিস সংলগ্ন দক্ষিণেশ্বরী কালী মাতৃমন্দিরের পূজা আয়োজক খোকন কুমার দে জানিয়েছেন, ‘অন্যান্য বছর আরও জাঁকজমকভাবে পুরো রাঙামাটিতে শ্যামা পূজা আয়োজিত হয়ে থাকে। তবে করোনাভাইরাসের কারণে এবার অনেকেই পুজোর আয়োজন কিছুটা সীমিত করেছেন। পূজা মণ্ডপে দর্শনার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মানাতেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। বিশ্ব শান্তি মঙ্গল কামনায় এবারের পূজোয় দেবী মায়ের কাছে আমাদের সকলেরই প্রার্থনা, দীপাবলীর আলোয় কেটে যাক পুরো বিশ^ কাঁপানো মহামারী করোনার আগ্রাসন। আঁধার কেটে আবারও সেই পুরোনো রূপে-স্বস্তিতে ফিরুক পৃথিবী ধরিত্রি।’

দীপাবলীর সন্ধ্যায় আতশবাজি ফুটিয়ে, প্রদীপ জ্বালিয়ে আনন্দে মেতে কিশোর-কিশোরীরাও। রিজার্ভবাজার এলাকার সুস্মিতা দেবনাথ জানিয়েছেন, ‘বছর ঘুরে ফের এলো দীপাবলী। দীপাবলীর সন্ধ্যায় আমাদের ছোট্ট ভাই-বোনেরা আতশবাজি-মোমবাতি প্রদীপ জ্বালিয়ে আনন্দে মেতে উঠে। তাই এই দিনটি তাদের কাছে খুবই আনন্দ-উৎসবের।’

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button